Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

ভারত বিরোধী মন্তব্যের জের, নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি ওলি-র পদত্যাগ চাইল একাধিক শীর্ষ নেতা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ নেপালের প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি-র পদত্যাগ চাইলেন তাঁরই দল নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির একাধিক শীর্ষ নেতা। ভারত নিয়ে মন্তব্য করে নিজের দলেই চাপের মধ্যে পড়ে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। অবস্থা এমনই স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠকে তাঁর পদত্যাগের জন্য সওয়াল করেছেন একাধিক নেতা।

মঙ্গলবার থেকে বালুওয়াটারে প্রধানমন্ত্রীর বাসভবনে শুরু হয়েছে নেপাল কমিউনিস্ট পার্টির স্ট্যান্ডিং কমিটির বৈঠক। এই বৈঠক শুরু হতেই নেপালের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল ‘প্রচণ্ড’ কটাক্ষ করেন প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যের। তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যে মন্তব্য করেছেন যে ভারত তাঁকে সরানোর জন্য ষড়যন্ত্র করছে, তা রাজনীতিগত ও কূটনৈতিক কোনও দিক দিয়েই ঠিক নয়। প্রধানমন্ত্রীর এই ধরনের মন্তব্য প্রতিবেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে আমাদের সম্পর্ক খারাপ করতে পারে। তাই তাঁর উচিত পদত্যাগ করা।”

রবিবার কেপি ওলি মন্তব্য করেছিলেন, তাঁর সরকার নেপালের নতুন মানচিত্র প্রকাশ করার পর থেকেই তোড়জোড় শুরু হয়ে গিয়েছে। দূতাবাস থেকে শুরু করে হোটেল, তাঁকে ক্ষমতা থেকে সরানোর জন্য ষড়যন্ত্র হচ্ছে। আর সেই ষড়যন্ত্রে নেপালের অনেক নেতা যুক্ত রয়েছেন।

এই প্রসঙ্গ তুলেই প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী বলেন, একজন প্রধানমন্ত্রী এভাবে প্রকাশ্যে এক প্রতিবেশী রাষ্ট্র ও নিজের দলের নেতাদের বিরুদ্ধে মন্তব্য করতে পারেন না। এতে তিনি দেশ ও দলের ভাবমূর্তি নষ্ট করেছেন।

শুধু প্রচণ্ড নন, মাধব কুমার নেপাল, ঝালানাথ খানাল, ভাইস চেয়ারম্যান বামদেব গৌতম, মুখপাত্র নারায়ণকাজি শ্রেষ্ঠার মতো দলের প্রথম সারির নেতারাও প্রধানমন্ত্রী ওলি-র কাছে দাবি জানিয়েছেন, তিনি যে মন্তব্য করেছেন তার প্রমাণ দেখাতে হবে। যদি তা দেখাতে না পারেন তো পদত্যাগের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

এই নেতাদের মতে এই ধরনের অ-কূটনৈতিক ও অ-রাজনৈতিক মন্তব্যের জন্য প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা ওলি-র উচিত নিজে থেকেই পদত্যাগ করা। যদিও ওই বৈঠকে উপস্থিত প্রধানমন্ত্রী ওলি এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি।

অবশ্য এই প্রথম নয়। এর আগেও প্রধানমন্ত্রী ওলি-র বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী প্রচণ্ড। তিনি বহুবার অভিযোগ করেছেন, সরকারের সঙ্গে দলের কোনও যোগাযোগ নেই। প্রধানমন্ত্রী দলের সঙ্গে কোনও কথা না বলেই একাধিক সিদ্ধান্ত নেন বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি। তাই এই প্রথমবার প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি উঠল না। এর আগে এপ্রিল মাসেও তাঁর পদত্যাগের দাবি তুলেছিলেন তাঁর দলের নেতারাই।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন