Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

সিয়াচেনে তুষার ধসে মৃত ৪ জওয়ান, ২ পোর্টার,হল না শেষরক্ষা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ বিশ্বের অন্যতম দুর্গম সেনা ক্যাম্প সিয়াচেনে তুষার ধসে বরফের নীচে আটকে পড়ছিলেন ভারতীয় সেনাবাহিনীর ৮ জওয়ান ও দু’জন পোর্টার। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। সবাইকেই বের করে আনা হয়। এই ঘটনায় চার জওয়ান ও দুই পোর্টার মারা গিয়েছেন। বাকিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা গিয়েছে।

সংবাদসংস্থা এএনআই সূত্রে খবর, সোমবার বিকেল তিনটে নাগাদ ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ১৮ হাজার ফুট উচ্চতায় হিমবাহের উত্তরাংশে তুষার ধস হয়। এই তুষার ধসে সেনা ক্যাম্পের বেশ কিছুটা অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তখনই বরফের নীচে চাপা পড়ে যান টহলদারিতে বেরনো এই জওয়ান ও পোর্টাররা।

  • সিয়াচেনের ভয়াবহ তুষারধসে প্রাণ হারিয়েছেন ৪ জওয়ান-সহ ৬ জন।
  • সেইসঙ্গে আরও ২ জনের চিকিৎসা চলছে।
  • এর মধ্যে ১ জওয়ানের জখম গুরুতর।

খবর পেয়েই উদ্ধারকারী দল পৌঁছে যায় সিয়াচেনে। সেখানে উপস্থিত অন্য জওয়ানরা তার আগেই উদ্ধারের কাজ শুরু করে দেন। বেশ কিছুক্ষণের চেষ্টায় বরফের নীচ থেকে সবাইকে বের করে আনা হয়। সবাই খুবই গুরুতর আহত ছিলেন। কিছুক্ষণ পরেই চার জওয়ান ও দুই পোর্টার মারা যান। বাকিদের অবস্থাও আশঙ্কাজনক। তাঁদের হেলিকপ্টারে করে নিকটবর্তী হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। মৃত জওয়ান ও পোর্টারদের মরদেহও হেলিকপ্টারে করে নীচে নামিয়ে আনার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে।

ভারতীয় সেনার এক উচ্চপদস্থ অফিসার জানিয়েছেন, “জওয়ানরা প্রত্যেক দিনের মতোই টহলদারির কাজে গিয়েছিলেন। সেই সময় ১৮ হাজার থেকে ১৯ হাজার ফুট উচ্চতার মধ্যে তুষার ধসের কবলে পড়ে বরফের মধ্যে আটকে পড়েন তাঁরা। তাঁদের উদ্ধার করে আনার জন্য এক বড় উদ্ধারকারী দলকে সেখানে পাঠানো হয়। কিন্তু ততক্ষণে গুরুতর জখম হয়ে গিয়েছিলেন সবাই। তাই উদ্ধার করা গেলেও চার জওয়ান ও দুই পোর্টারকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। বাকিদের বাঁচানোর চেষ্টা চলছে।”

কারাকোরাম পর্বতমালায় ভূপৃষ্ঠ থেকে প্রায় ২০ হাজার ফুট উপরে অবস্থিত এই সিয়াচেন এমনই এক দুর্গম জায়গা যেখানে শত্রুপক্ষ ছাড়াও হাওয়া ও বরফের সঙ্গে প্রতিনিয়ত মোকাবিলা করতে হয় জওয়ানদের। এই এলাকায় তুষার ধসের ঘটনা প্রায়ই ঘটে। তুষার ধসে রাস্তা বন্ধ হয়ে যায়। সেই বরফ সরিয়ে নিজেদের পথ বানিয়ে নিতে হয় জওয়ানদেরই। এখানকার তাপমাত্রা মাঝেমাঝে মাইনাস ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত নেমে যায়।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন