Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

২০২৬ পর্যন্ত তৃণমূলের সঙ্গেই কি থাকছে আইপ্যাক,প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে বাড়ছে জল্পনা!

deshersamay

Share article:

দেশের সময়ওয়েবডেস্ক:‌ ভোটের অনেকটা আগে থেকেই প্রশান্ত কিশোর ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন, তৃণমূল ২০০ আসন পার করবে। বিজেপি ১০০  আসন ওপাবে না। এমনকি তিনি এমনও বলেছিলেন, তাঁর ভবিষ্যদ্বাণী যদি ভুল হয় তবে তিনি এই পেশাই ছেড়ে দেবেন। বলাই বাহুল্য ভোট কুশলী প্রশান্ত কিশোর জ্যোতিষীর মতো অঙ্ক মিলিয়ে দিয়েছেন। 

একুশের বিধানসভা ভোটে তৃণমূলকে সাফল্য এনে দিয়েছেন ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর। তাঁর সংস্থা আইপ্যাকের দেখানো পথে হেঁটেই এবারও ২০০ আসন পার করেছে তৃণমূল। ভোটকুশলী প্রশান্ত কিশোর ভোটের আগেই জানিয়েছিলেন, বাংলায় তৃণমূল ২০০ আসন পার করবে আর বিজেপি ১০০ আসনও পাবে না। নির্বাচনের ফলাফলে দেখা যাচ্ছে প্রশান্ত কিশোরই ঠিক বলেছিলেন। তাঁর অঙ্ক পুরো মিলে গিয়েছে। আর এই সাফল্যের রেশ ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর তৃণমূল কংগ্রেস নেতৃত্ব।

২০২৬ পর্যন্ত আইপ্যাকের সঙ্গেই গাঁটছাড়া পাকা করে ফেলেছে তৃণমূল কংগ্রেস। এই সময়সীমার মধ্যে থাকছে ২০২৪ লোকসভা নির্বাচন। আর ২০২৬-‌এ রয়েছে বাংলায় বিধানসভা ভোট।

২০২৪ লোকসভা নির্বাচনে সারা ভারতেই তৃণমূল নিজেদের ক্ষমতা বাড়াতে তৎপর। দেশ জুড়ে রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে চাইছে তৃণমূল। তবে প্রশান্ত কিশোরকে নিয়ে জল্পনা থাকছেই। কারণ প্রশান্ত কিশোর নিজেই আর আইপ্যাকের হয়ে কাজ করতে চাইছেন না।

এবার নতুন কিছু করতে চান বলেই জানিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর। তবে এখনও চূড়ান্ত কিছুই হয়নি। 
রাজনৈতিক মহলের মতে, প্রশান্ত কিশোরকে তৃণমূলের তরপে রাজ্যসভায় পাঠানোর কথাও ভাবা হচ্ছে। তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কিছুই স্থির হয়নি। প্রশান্ত কিশোরের হাত ধরেই তামিলনাড়ুতে সরকার গড়েছেন এমকে স্ট্যালিন। দিল্লিতেও অরবিন্দ কেজরিওয়ালের সরকারে এনে দেওয়ার পিছনে রয়েছে প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্ক।

বিপক্ষ শিবিরে ধ্বস নামিয়েও প্রশান্ত কিশোর ঘোষণা করেন তিনি আইপ্যাক ছাড়তে চান, চান নতুন কিছু করতে। আর সেই কারণেই প্রশ্নটা উঠছে, প্রশান্ত কিশোর এই নতুন মেয়াদে থাকবেন তো, নাকি না প্রশান্ত কিশোরের আসন ফাঁকা রেখেই তাঁর দেখানো পথেই আইপ্যাক চলবে। পিকে যদি নাই থাকেন তাহলে তাঁর বিকল্প হিসেবে তিনি কার কথা ভাবছেন, প্রশ্ন এই নিয়েও।

বিজেপি বিরোধীদের একসুতোয় বাধার কাজ প্রশান্ত কিশোর করে আসছেন দীর্ঘদিন ধরেই। ২০১৫ সালে বিহারের নীতীশ কুমারকে আনার পিছনে বড় ভূমিকা ছিল তাঁর। অন্ধপ্রদেশে জগনমোহন রেড্ডিকে বড় জয় এনে দেওয়ার পিছনেও রয়েছে সেই প্রশান্ত কিশোরের মস্তিষ্ক। এবার পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী ক্যাপ্টেন অমরিন্দর সিংও প্রশান্ত কিশোরকে নিযুক্ত করেছেন পরামর্শদাতা হিসাবে। পাঞ্জাবের রাজনীতিতেও কাজ করছে তাঁর সংস্তা আইপ্যাক। বিজেপিকে হঠাতে প্রশান্ত কিশোরের উপরই ভরসা করছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি।

সেই কারণেই ২০২৪ লোকসভা নির্বাচনের আগে প্রশান্ত কিশোরের ভূমিকা নিয়ে জল্পনা বাড়ছে।একটা বিষয় পরিষ্কার, যদি তৃতীয় ফ্রন্টের সুতোবন্ধনের কাজটা তিনি করেই থাকেন তবে তাঁকে লড়াইয়ের ময়দানেও পেতে চাইবে তৃতীয় ফ্রন্ট। সে ক্ষেত্রে তাঁর ভূমিকা কী হবে, তাই নিয়ে অসীম কৌতূহল গোটা দেশেই। সরাসরি রাজনীতিতে যোগ দিয়ে বিজেপিকে হারাতে চাইবেন নাকি অন্য কোনও পরিকল্পনা করছেন তিনি। সেটাই দেখার অপেক্ষায় রয়েছে দেশের রাজনৈতিক মহল। 
 

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন