Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
দেশের সব রাজ্য থেকে বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের খুঁজে বের করে ফেরত পাঠাতে বড় নির্দেশ স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর তৃণমূলের ৪৪০ কোটি টাকা ফ্রিজ করল ED! ১৯ টি অ্যাকাউন্টে নজর, বিমান-হেলিকপ্টার কেনা নিয়ে বড় দাবি কেন্দ্রীয় সংস্থার গাড়ির রশিদ ও ভিকেলস নম্বরের দাবিতে প্রাক্তন চেয়ারম্যান শঙ্কর আঢ্যর বাড়ির সামনে বিক্ষোভে টোটোচালকেরা : দেখুন ভিডিও ৫০ হাজার সাফাই কর্মীর হাতে ‘স্বচ্ছ কবচ’, বিশেষ কর্মসূচির সূচনা করলেন মুখ্যমন্ত্রী বারুইপুর এনকাউন্টার: ‘ও যা করেছে, মৃত্যু হয়ে গিয়েছে, আমার শান্তি’, জানালেন প্রভাসের মা, মেয়ের দোষীর মৃত্যু সংবাদে খুুশি নির্যাতিতার বাবা

সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সার,ডাকসাইটে সুন্দরী,বিধানসভা ভোটে বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রথমবার প্রার্থী হয়েই ঝড় তুলেছেন ঋতুপর্ণা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় : মঙ্গলবার ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

                                                           ছবি -শুভাশিস রায়

উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে তাঁকে ঘোষণা করেছে তৃণমূল । তার পরেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে জেলার রাজনীতিতে। তিনি রাজনীতিতে নতুন নন। তবে বিধানসভা ভোটে লড়ছেন প্রথমবার। তিনি ঋতুপর্ণা আঢ্য। 

ঋতুপর্ণার বাবা শঙ্কর আঢ্য। বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান।

ঋতুপর্ণার মা জ্যোৎস্না আঢ্যও বনগাঁ পুরসভার প্রাক্তন পুরপ্রধান। বর্তমানে তিনি বনগাঁ পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান।

ঋতুপর্ণার বেড়ে ওঠা বনগাঁতেই। তাঁর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের তথ্য অনুযায়ী, তাঁর জন্ম ১৯৯৯ সালের ১৯ ডিসেম্বর। বিধান চন্দ্র কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক। স্বাভাবিক ভাবে রাজনৈতিক পরিবেশেই বড় হয়েছেন ঋতুপর্ণা। চোখের সামনে দেখেছেন এর চলন-বলন। তবে রাজনীতির ময়দানে হাত শিবিরের হাত ধরেই হাতেখড়ি হয় তাঁর। কংগ্রেসের হয়ে জীবনের প্রথম পুরসভা নির্বাচনে লড়েন তিনি। সহজে জেতেনও। পরে তৃণমূলে যোগ দেন।

সদ্ব্যবহারের কারণে ঋতুপর্ণা এলাকায় জনপ্রিয়ও বটে।কিন্তু এত তাড়াতাড়ি বিধানসভা নির্বাচনের টিকিট পাবেন, তা হয়তো আশা করেননি।

ভোটের প্রচারে বাবা-মা দু’জনেই ঋতুপর্ণার পাশে থাকবেন বলে জানিয়েছেন তিনি। ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরে মঙ্গলবার রাত থেকেই প্রচার শুরু হয়েছে। সর্বক্ষণ ঋতুপর্ণার মা জ্যোৎস্না আঢ্য সঙ্গী ছিলেন তাঁর।

কিন্তু রাজনীতিক হিসেবে বাবা না মা, কাকে এগিয়ে রাখবেন? ঋতুপর্ণার কথায়, “দু’জনেই পরিশ্রমী ও দক্ষ। আমার কাছে রাজনীতির মাস্টারমশাই দু’জনেই। কিন্তু রাজনীতিক হিসেবে বাবাকে বেশি নম্বর দেব। মানুষের মধ্যে যেভাবে উনি মিশে গেছেন, সবটাই শিখেছি তাঁকে দেখে।” নিঃসন্দেহে বাবা-মায়ের পথ অনুসরণ করেই মানুষের মন জিততে চাইছেন ঋতুপর্ণা।

ঋতুপর্ণা এখন বনগাঁ পুরসভার ১৭ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলার। বনগাঁ দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রার্থী হওয়ার পরেই বিজেপিকে হারানোর শপথ নিয়েছেন তিনি। বনগাঁয় জিতে একটি হাসপাতাল গড়ার স্বপ্ন দেখেন ঋতুপর্ণা। তাঁর মতে, এতে গাইঘাটা, গোপালনগরের বিস্তীর্ণ এলাকায় মানুষের সুরাহা হবে। নিজের কাজের প্রতি তাঁর বিশ্বাস অটুট। বিজেপিকে নিয়ে ভাবছেনই না তিনি।

তবে রাজনীতি, সমাজসেবার বাইরেও ঋতুপর্ণার আরও একটি পরিচয় রয়েছে। সেটা হলো তিনি সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সার। ইনস্টাগ্রামে তিনি সক্রিয়। ফলোয়ার্সও ভালোই। ইশ্বরের প্রতি তাঁর ভক্তি-শ্রদ্ধাও খুব। একাধিক মন্দিরে পুজো দেওয়ার ছবি, ভিডিয়ো পোস্ট করেছেন তিনি। ফেসবুক বায়োতে বিজনেস ওম্যান বলেও নিজের পরিচয় দিয়েছেন। এখন বনগাঁ ঋতুপর্ণাকে জিতিয়ে আনে কি না, সেটাই দেখার।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন