প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
হকার উচ্ছেদ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা জানিয়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা ,বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল সরকার! ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়ার ডাক মোদীর , যুব সমাজকে কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী? দেশজুড়ে শুরু ১০০ সপ্তাহের বিশেষ অভিযান অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া হবে, জনগণনার শুরুর দিনে বললেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও ‘হিংসারিপু দমন করুন’,ইসকনের মিড-ডে মিল কর্মসূচির সূচনা করে বিরোধীদের হিংসা দমনের উপদেশ মুখ্যমন্ত্রীর এক সপ্তাহের মধ্যেই বনগাঁর যশোহর রোডের দু’পাশে ‘মৃত এবং বিপজ্জনক’গাছ কাটার কাজ শুরু হবে: জানালেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও

‘সরকার এবার আমাদেরই’, উত্তর বঙ্গে বার্তা মিঠুনের ,দু’-একজনের পক্ষে এ রাজ্য জিতিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়: দিলীপ

deshersamay

Share article:

রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচনের কাউন্টডাউন শুরু। এসআইআর  নিয়ে ইতিমধ্যে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। ঠিক সেই আবহেই শুক্রবার থেকে উত্তরবঙ্গের একাধিক জেলায় প্রচারে নামলেন অভিনেতা তথা বিজেপি নেতা মিঠুন চক্রবর্তী ।

এদিন উত্তরবঙ্গে পৌঁছে তাঁর সোজা বার্তা, “টার্গেট বেঁধে দিয়েছেন অমিত শাহ। সরকার এবার আমাদেরই হবে। কত আসন পাব, বলতে পারব না।”

কোচবিহারে টানা কর্মসূচি, সংগঠন-সমীক্ষা, কর্মীদের সঙ্গে বৈঠক, সবেতেই আত্মবিশ্বাসী মিঠুন। আগামিকাল ধূপগুড়িতে সভা সেরে কার্শিয়াঙে প্রচার যাবেন তিনি। 
দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে নিয়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্য আর বাংলায় অমিত শাহের সফর ঘিরে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রতিক্রিয়া, এই দুই প্রসঙ্গেই মিঠুনের সাফ কথা, “গণতন্ত্র আছে। যে যা ইচ্ছে বলতেই পারেন। তবে এটুকু বলতে পারি, এবার আমরা সরকার গড়ছি।”

অন্যদিকে অমিত শাহের বৈঠকের পর  নয়া মেজাজে দিলীপ ঘোষ । দীর্ঘদিন তুলনায় কিছুটা নীরব থাকার পর ফের সক্রিয় ভূমিকায় ফিরছেন তিনি, এমনই ইঙ্গিত মিলছে। 

শুক্রবার ইকো পার্কে মর্নিং ওয়াক করতে গিয়ে এই বিজেপি নেতার বক্তব্য, ‘কোনও দল একজন ব্যক্তির উপরে চলতে পারে না।’ রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে নিয়ে একটি প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেন তিনি। রাজনীতিকরা বলছেন, ‘এটাই চেনা দিলীপদা’। অন্যদের দাবি, ‘দিলীপ কিন্তু দলে এখনও পদহীন।’

এ দিন সংবাদমাধ্যম প্রশ্ন ছিল, ‘তবে কি এ বার দলের শীর্ষ নেতারা অনুভব করছেন, যে একক ভাবে শুভেন্দু অধিকারীকে দিয়ে বাজিমাত করা সম্ভব নয়?’ এই প্রশ্নের জবাব স্বভঙ্গিমাতেই দিয়েছেন দিলীপ। তিনি বলেন, ‘কোনও পার্টি একটি ব্যক্তির উপরে চলতে পারে না। অন্যরাও রয়েছেন। কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের অভিজ্ঞতা বেশি, পরিচিতি বেশি। তাঁদের গুরুত্ব দিতেই হবে। একজন বা দু’জন পশ্চিমবঙ্গের মতো একবড় রাজ্য জিতিয়ে দেবেন, তা সম্ভব নয়।’ চলতি বছরেই রাজ্যে বিধানসভা নির্বাচন। সেই প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে দিলীপের এই মন্তব্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।

কিন্তু গত আট-নয় মাস ধরে চিত্রটা ছিল অন্য। প্রধানমন্ত্রীর সভায় অনুপস্থিতি লক্ষ করা গিয়েছিল এই নেতার। রাজ্য বিজেপিতেও তাঁর কোনও পদ এই মুহূর্তে নেই। তার পরেও তাঁকে শেষ পর্যন্ত অস্বীকার করতে পারল না শীর্ষ নেতৃত্ব? এই প্রশ্নের জবাবে দিলীপ বলেন, ‘দল এক্সপেরিমেন্ট করে। তখন নির্বাচন লড়তে হয়নি। বিভিন্ন মুখকে আমরা সামনে আনি। মানুষের প্রতিক্রিয়া দেখি। তা দেখার পরে এখন দল সিদ্ধান্ত নিয়েছে, সবাইকে নিয়েই লড়তে হবে। আমার মনে হয় সেই প্রক্রিয়াই চলেছে।’

Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন