Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

সন্ধ্যা বেলায় কান্নার শব্দ, বস্তা থেকে উদ্ধার সদ্যোজাত কন্যা

deshersamay

Share article:

দেশের সময়ওয়েবডেস্কঃ সদ্যোজাত শিশু উদ্ধার হল আসানসোলে। অঘোরীপাড়ার নামোপাড়া-গণকপাড়া অঞ্চলে সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা নাগাদ কান্নার শব্দ পান এলাকার লোকজন। কান্নার শব্দ শুনে তাঁরা বুঝতে পারেন, কাছেই ভ্যাটের ভিতরে পড়ে থাকা একটি থলির ভিতর থেকে শব্দটি আসছে। কাছে গিয়ে তাঁরা থলিটি ভ্যাট থেকে তুলে আনেন। স্থানীয় মনোরঞ্জন বেরা থলি খুলে দেখেন ভিতরে কাপড়ে জড়ানো অবস্থায় একটি শিশু কাঁদছে। এলাকার লোকজনের সামনেই শিশুটিকে তিনি বার করে আনেন।

তখনি এলাকার লোকজন খবর দেন কাছের হাসপাতালে। মাত্র আধ কিলোমিটার দূরেই হাসপাতাল। সঙ্গে সঙ্গেই আসানসোল মহকুমা হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক এসে শিশুটিকে নিয়ে যান হাসপাতালে। ডাক্তারের সঙ্গে হাসপাতালে যান এলাকার লোকজনও। পুলিশেও খবর দেওয়া হয়।

আবর্জনার মধ্যে পড়ে থাকা ব্যাগে শিশুটি ছিল। তাই তার সংক্রমণের আশঙ্কা করা হচ্ছিল। দ্রুত ওই শিশুটির চিকিৎসা শুরু করা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসার পরে ডাক্তাররা জানান যে শিশুর অবস্থা এখন ভাল। সে মোটামুটি সুস্থই রয়েছে। হাসপাতালের সুপার নিখিলচন্দ্র দাস থানায় লিখিত ভাবে কন্যাশিশু উদ্ধারের কথা জানিয়েছেন।

হাসপাতাল সূত্রে খবর, শিশুটির বয়স চার দিন। এখনও দু’থেকে চার দিন শিশুটিকে চিকিৎসকদের তত্ত্বাবধানে রাখার প্রয়োজন হতে পারে।

আসানসোল দক্ষিণ থানায় শিশু উদ্ধারের কথা লিখিত ভাবে জানানোর পরে থানা থেকে খবর দেওয়া হয় দুর্গাপুরের সরকারি হোমে। সেখান থেকে ফোন করে জানানো হয়েছে যে তারা শিশুটির দায়িত্ব নিতে চায়। আজই তারা এব্যাপারে নিয়মমাফিক পদক্ষেপ শুরু করে দেবে বলে জানা গেছে।

যে এলাকা থেকে শিশুটি উদ্ধার করা হয়েছে সেই এলাকাটি বেশ সমৃদ্ধ, সেখানে অধিকাংশ মানুষই শিক্ষিত। তাই প্রাথমিক ভাবে মনে করা হচ্ছে, বাইরে থেকে এসে এখানে শিশুটিকে ফেলে যাওয়া হয়েছে। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে দেখছে। শিশুটির মা-বাবার সন্ধান করার চেষ্টা করছে আসানসোল দক্ষিণ থানার পুলিশ।

আসানসোল হাসপাতালে এইরকম ফেলে যাওয়া অন্তত ছ’টি শিশু এখন রয়েছে। হাসপাতালের নার্সরা শুধু তাদের দেখভালই করেন না, তাদের খরচও বহন করেন। শুধু কর্তব্য বা মানবতার দায়ে নয়, একেবারে ভালবেসেই তাঁরা একাজ করে থাকেন। শিশুদের জন্মদিন পর্যন্ত তাঁরা পালন করেন ঘটা করে। তবে এই শিশুটিকে সরকারি হোমে পাঠানো হবে বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন