Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

যমরাজ দুর্গাপুরের রাস্তায় নেমে বার্তা দিচ্ছেন,নিয়ম না মানলে ভয়ঙ্কর পরিণতি হবে

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ কথায় বলে পলাইবার পথ নাই যম আছে পিছে..হ্যাঁ যমরাজ পথে নেমেছেন করোনাভাইরাসকে সঙ্গে নিয়ে। কারও মুখে মাস্ক না থাকলেই কার্যত তাঁদের উপরে ঝাঁপিয়ে পড়ছেন যমরাজ আর জিজ্ঞাসা করছেন, “মাস্ক নেই কেন?” দুর্গাপুরের পথে ঘুরে সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার বার্তাও তিনি দিচ্ছেন প্রতিটি মানুষকে। তিনি বলছেন, এইসব নিয়ম না মানলেই করোনা আক্রান্ত হয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে।

এইসব নিয়ম মানে লকডাউনের সময় অতি জরুরি দরকার ছাড়া রাস্তায় না বেরনো, মাস্ক ব্যবহার করা, হাত ধোওয়া ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার মতো সাধারণ সব নিয়ম। এগুলি না মানলেই তুলে নিয়ে যাবেন যমরাজ স্বয়ং! এমন বার্তা দেওয়ার জন্য দু’জনকে বহুরূপী সাজিয়েছেন দুর্গাপুর পুর নিগমের চার নম্বর বরো কমিটির চেয়ারম্যান চন্দ্রশেখর বন্দ্যোপাধ্যায়। এক জনকে যমরাজ ও অন্য জনকে করোনাভাইরাস।

এখনও অনেকেই বাজার করতে বেরচ্ছেন মাস্ক না পরেই, সামাজিক দূরত্ব বজায় তো দূর অস্ত্। এই অবস্থায় দুর্গাপুর বাজারে ‘নেমে এলেন’ স্বয়ং যমরাজ। যাঁরা অনিয়ম করছেন তাঁরা যে সাক্ষাৎ মৃত্যুকে আহ্বান করছেন সেকথা বোঝাতেই এই রূপকের আশ্রয়। দুর্গাপুর চার নম্বর বরো ও স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে একজন যাত্রাশিল্পীকে যমরাজ ও অন্য এক যুবককে করোনাভাইরাস সাজিয়ে পথে নামানো হয়েছিল সোমবার।

বাজারে আসা সচেতন মানুষজন বলছেন, এখনও সবাই সচেতন না হলে আর কবে হবে! পশ্চিম বর্ধমান জেলা এখন ‘অরেঞ্জ’ তালিকাভুক্ত। এর মধ্যে অবশ্য দুর্গাপুর মহকুমায় এখনও পর্যন্ত করোনা আক্রান্তের কোনও খবর নেই। তা সত্ত্বেও লকডাউনের সময় কোনও রকম ঢিলে ভাব দেখাতে রাজি নয় দুর্গাপুর পুরনিগম।

শিব, কালী বা নারায়ণ নয়, এখন করোনাভাইরাস সাজাই যেন নতুন ট্রেন্ড হয়ে হয়ে গেছে। কয়েক দিন আগেই কাটোয়ার রাস্তায় দেখা গেছে শখের দুই বহুরূপীকে যাঁরা এই রূপ ধরেছেন লকডাউনের সময়টুকুর জন্য। তাঁরাও কাউকে ধমক দিয়েছেন মাস্ক পরার জন্য আবার কখনও বলেছেন সাবান দিয়ে হাত ধুতে। কখনও পরামর্শ দিয়েছেন আশপাশের সকলকে বাঁচাতে লকডাউন মেনে চলার।

করোনাভাইরাসের প্রকোপ থেকে দেশবাসীকে সুরক্ষিত রাখতে সরকারের পক্ষ থেকে দ্বিতীয় দফায় লকডাউন ঘোষণার পরেও সচেতন হননি বহু এলাকার মানুষ। তাই করোনাভাইরাসের সংক্রমণ সম্পর্কে শহরবাসীকে সচেতন করার উদ্দেশ্যে এভাবে উদ্যোগী হয়েছিল কাটোয়ার একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থা। তারাই একজনকে করোনাভাইরাস সাজিয়ে পথে নামিয়েছিল।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন