Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

বনধের জেরে দেশ জুড়ে নাকাল নিত্যযাত্রীরা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েব ডেস্ক: কংগ্রেসের সমর্থনে বামফ্রন্টের ডাকা ৪৮ ঘণ্টার বন্‌ধে দেশজুড়ে রেল অবরোধের জন্য নাকাল হতে হয়েছে নিত্যযাত্রীদের। রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে বন্‌ধ সমর্থকদের পথ অবরোধ, মিছিল, বিক্ষোভ দেখায় সকাল থেকেই। উত্তর ২৪ পরগনার বারাসতের চাঁপাডালি মোড়ে ছোট ছাত্রছাত্রী বোঝাই স্কুলবাসে পাথর ছুড়ে বন্‌ধ সমর্থকরা ভাঙচুর চালায়। বাসচালককেও মারধর করে। স্থানীয় বাসিন্দারা প্রতিবাদ করলে চাঁপাডালি মোড়ে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ অবরোধ হয়। পুলিস সেখানে অবরোধ তুলে দিলে ডাকবাংলো মোড়ে পথ অবরোধে বসে ধর্মঘটীরা। সোদপুর, ঘোলাতেও পথ অবরোধ করে তারা। গড়িয়া মোড়ের কাছেও যাত্রীবোঝাই বেসরকারি বাসে ইটবৃষ্টি করে বন্‌ধ সমর্থকরা।কোনওরকমে বাস থেকে নেমে প্রাণ বাঁচান যাত্রীরা। পূর্ব বর্ধমানের গলসিতে দু’‌নম্বর জাতীয় সড়কের উপর খড় জ্বালিয়ে বিক্ষোভ হয়। পশ্চিম বর্ধমানের আসানসোল, জামুরিয়া, হাওড়ার কদমতলা, উত্তরপাড়া, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর, হুগলির শ্রীরামপুরে জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দেওয়ার চেষ্টা করে বন্‌ধ সমর্থকরা। পুলিস তাদের বাধা দিতে গেলে তাদের সঙ্গে গন্ডগোল হয় বন্‌ধ সমর্থকদের। হাওড়া জেলার বিভিন্ন রাস্তায় পথ অবরোধের সঙ্গেই পথে বেরনো সরকারি, বেসরকারি বাসে ভাঙচুর চালায় তারা। অবরোধের ফলে দীর্ঘ যানজটে থমকে গিয়েছে সড়ক পরিবহন। ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। কলকাতার একাধিক জায়গায় পথ অবরোধ করে বন্‌ধ সমর্থকরা। শোভাবাজার মোড়ে টায়ার জ্বালিয়ে বিক্ষোভ হয়। যাদবপুরে সুজন চক্রবর্তীর নেতৃত্বে বন্‌ধ সমর্থকদের সঙ্গে ধ্বস্তাধ্বস্তি হয় পুলিসের। গ্রেপ্তার হন সুজন সহ সিপিএমের বেশ কয়েকজন নেতানেত্রী। মৌলালি, গড়িয়াতেও বন্‌ধ সমর্থকরা পথ অবরোধ করে। মৌলালিতে পুলিসের সঙ্গে হাতাহাতিতে জড়িয়ে পড়ে গ্রেপ্তার হন অনাদি সাহু। গড়িয়াতে জোর করে দোকানপাট বন্ধ করে দিতে যায় তারা পুলিস বাধা দিলে তাদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় বন্‌ধ সমর্থকদের। ধর্মতলায় সকাল থেকে সেভাবে বাস চলাচল না করলেও বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে স্বাভাবিক হয় পরিষেবা। বিভিন্ন জায়গায় মিছিল করছে বন্‌ধ সমর্থকরা। পথ অবরোধের ফলে দীর্ঘক্ষণ আটকে বাস, গাড়ি, অটো। চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন নিত্যযাত্রীরা।

মঙ্গলবার সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজ্যে ব্যাহত হয়ে রয়েছে ট্রেন চলাচল। মুম্বইয়ের প্রাণকেন্দ্র ট্রেন। এই শহরে যানজট এড়াতে অধিকাংশ মানুষই বেছে নেন এখানকার লোকাল ট্রেনকে। কিন্তু বন্‌ধের দিন সকাল থেকেই মুম্বইয়ের বিভিন্ন স্টেশনে আটকে ছিল ট্রেন। যার ফলে ব্যাপক হয়রানি হয় সাধারণ যাত্রীদের। তবে কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিস–আরপিএফের যৌথ উদ্যোগে রেল অবরোধ সরে যায়। স্বাভাবিক হয় পরিষেবা। একই চিত্র দেখা গিয়েছে অসমে। গুয়াহাটিতে রেল অবরোধ করেন বন্‌ধ সমর্থককারীরা। রীতিমতো ট্রেন আটকে তার সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন বাম সমর্থকরা। পরে পুলিসি লাঠিচার্জে উঠে যায় তাঁরা। অসমের মত ওড়িষাতেও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে। বিভিন্ন স্টেশনে বন্‌ধ সমর্থককারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। ওড়িশাতে যে কারণে বেশ কিছুক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। দুরপাল্লার ট্রেনগুলিও এই বন্‌ধের জন্য সমস্যায় পড়ে। কেরলেও বন্‌ধের ব্যাপক প্রভাব দেখা যায়। বন্ধ ছিল বিভিন্ন দোকান–পাট। ফাঁকা ছিল রাস্তা। বাম শ্রমিক সংগঠনগুলির ডাকা ৪৮ ঘণ্টার ভারত বন্‌ধের প্রথম দিনেই বিভিন্ন রাজ্যে চলছে বিক্ষোভ। নূন্যতম বেতন বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, সরকারি অফিসগুলির বেসরকারিকরণ সহ একগুচ্ছ দাবিতেই এই বন্‌ধ।

গুয়াহাটিতে রেল অবরোধ করেন বন্‌ধ সমর্থককারীরা। রীতিমতো ট্রেন আটকে তার সামনে দাঁড়িয়ে পড়েন বাম সমর্থকরা। পরে পুলিসি লাঠিচার্জে উঠে যায় তাঁরা। অসমের মত ওড়িষাতেও একই দৃশ্য দেখা গিয়েছে। বিভিন্ন স্টেশনে বন্‌ধ সমর্থককারীরা প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। ওড়িশাতে যে কারণে বেশ কিছুক্ষণ ট্রেন চলাচল বন্ধ ছিল। দুরপাল্লার ট্রেনগুলিও এই বন্‌ধের জন্য সমস্যায় পড়ে। কেরলেও বন্‌ধের ব্যাপক প্রভাব দেখা যায়। বন্ধ ছিল বিভিন্ন দোকান–পাট। ফাঁকা ছিল রাস্তা। বাম শ্রমিক সংগঠনগুলির ডাকা ৪৮ ঘণ্টার ভারত বন্‌ধের প্রথম দিনেই বিভিন্ন রাজ্যে চলছে বিক্ষোভ। নূন্যতম বেতন বৃদ্ধি, সামাজিক সুরক্ষা প্রকল্প, সরকারি অফিসগুলির বেসরকারিকরণ সহ একগুচ্ছ দাবিতেই এই বন্‌ধ।

মহারাষ্ট্রের মুম্বইতে বৃহন্মুম্বই ইলেক্ট্রিসিটি সাপ্লাই অ্যান্ড ট্রান্সপোর্ট বা বিইএসটি বন্‌ধে সামিল হওয়ায় মুম্বইজুড়ে বাস পরিষেবা বিঘ্নিত। ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস সকাল থেকেই প্রায় ফাঁকা। ডিপোতে লাইন দিয়ে পড়ে আছে খালি বাসগুলি। বাসস্টপে দীর্ঘ অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় যাত্রীদের। সমস্যা মোকাবিলায় ৪০টি অতিরিক্ত বাস নামিয়েছে ফড়নবীসের সরকার।

ছত্রপতি শিবাজি টার্মিনাস সকাল থেকেই প্রায় ফাঁকা। ডিপোতে লাইন দিয়ে পড়ে আছে খালি বাসগুলি। বাসস্টপে দীর্ঘ অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা যায় যাত্রীদের। সমস্যা মোকাবিলায় ৪০টি অতিরিক্ত বাস নামিয়েছে ফড়নবীসের সরকার।

কেরলের তিরুঅনন্তপুরম, কোচি, ত্রিশুর সহ একাধিক জায়গায় মিছিল, অবর্থান বিক্ষোভ এবং পথ অবরোধ করেছে বন্‌ধ সমর্থকরা। ভাঙচুরের ভয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেন বিক্রেতারা।

ভাঙচুরের ভয়ে দোকানপাট বন্ধ করে দেন বিক্রেতারা।

ওড়িশার ভুবনেশ্বরে ১৬ নম্বর জাতীয় সড়কে টায়ার জ্বালিয়ে, পথ অবরোধ করে বিক্ষোভ দেখায় বন্‌ধ সমর্থকরা। জাতীয় সড়ক অবরুদ্ধ হয়ে পড়ায় দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। পথ অবরোধ হয়েছে দিল্লির পটপরগঞ্জ শিল্পতালুক, কর্নাটকের হুবলি, অসমের গুয়াহাটিতেও। বন্‌ধ মোকাবিলায় প্রচুর পুলিসকর্মী মোতায়েন করেছে রাজ্যগুলি। বন্‌ধ তুলতে গেলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় পুলিসের। একাধিক রাজ্যে বহু বন্‌ধ সমর্থককে আটক এবং গ্রেপ্তার করাও হয়েছে।

বন্‌ধ মোকাবিলায় প্রচুর পুলিসকর্মী মোতায়েন করেছে রাজ্যগুলি। বন্‌ধ তুলতে গেলে বিভিন্ন জায়গায় বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় পুলিসের। একাধিক রাজ্যে বহু বন্‌ধ সমর্থককে আটক এবং গ্রেপ্তার করাও হয়েছে।

অসমের গুয়াহাটিতে পথ অবরোধ হয় এদিন সকালে ।শিলিগুড়িতে সকাল থেকেই রাস্তায় লোক সংখ্যা ছিল অন্য দিনের তুলনায় অনেক কম তবে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক৷

হয় এদিন সকালে ।শিলিগুড়িতে সকাল থেকেই রাস্তায় লোক সংখ্যা ছিল অন্য দিনের তুলনায় অনেক কম তবে যান চলাচল ছিল স্বাভাবিক৷

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন