Sunday, May 31, 2026 | e-Paper
Desher Samay
HomeARTBANGLADESHBENGALIBUSINESSDISTRICTE PAPEREDITOR'S CHOICEEDITORIALENGLISHENTERTAINMENTFASHION TIMEFeaturedFEATURESHEALTH IS WEALTHINDIAINDIAKOLKATALIVEMAGAZINENEWSOPINIONPHOTO GALLERYPSN Photography CONTESTSPORTSTRAVELOGUEUTTARBANGA উত্তরবঙ্গViral VideoWEST BENGALWORLDYOUTUBE

বনগাঁ পুরসভার উদ্যোগে বিচালী হাটা রোডে পাবলিক টয়লেট ভাঙতেই ফুঁসে উঠলেন বিধায়ক : দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:

বনগাঁর জনবহুল বিচালী হাটা সড়কের পাশে পাবলিক টয়লেট বুলডোজার দিয়ে গুঁড়িয়ে এলাকা পরিষ্কার করল বনগাঁ পৌরসভা। তদারকি করলেন  বনগাঁ পৌরসভার  চেয়ারম্যান দিলীপ মজুমদার । স্থানীয় ব্যবসায়ীদের ডাকে মুহুর্তের মধ্যেই ঘটনা স্থলে উপস্থিত হন বনগাঁ উত্তরের বিধায়ক অশোক কীর্তনিয়া । পাবলিক টয়লেট ভাঙাকে কেন্দ্র করে চড়ম উত্তেজনা সৃষ্টি হয় রবিবার দুপুরে বনগাঁ বিচালী হাটা বাজার এলাকায় । ডেকে পাঠানো হয় পুর প্রধানকে । এরই মধ্যে ছুটির দিনেও এলাকার ব্যবসায়ীরা ছুটে আসেন এবং তাঁদের দাবি জানান বিধায়ক তথা খাদ্যমন্ত্রী অশোক কীর্তনিয়াকে ।

দেশের সময়: ‌পুরসভার বোর্ড মিটিং এর সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বনগাঁর বিচুলিহাটা এলাকার একটি শৌচালয় ভেঙে ফেলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিতর্কে জড়ালো বনগাঁ পুরসভা। প্রশাসন বা মন্ত্রীকে না জানিয়ে রাতারাতি এই শৌচালয় ভেঙে ফেলার ঘটনায় ব্যাপক ক্ষোভপ্রকাশ করেন মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া। অবিলম্বে এই শৌচালয় নতুন করে গড়ে তোলার নির্দেশ দেন তিনি।

পুরসভা এবং স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এই এলাকায় পুরসভার একটি শৌচালয় রয়েছে। আগে তার অবস্থা অস্বাস্থ্যকর থাকায় পরবর্তীতে শৌচালয়টি নতুন করে গড়ে তোলে পুরসভা। আর এই শৌচালয় ব্যবহার করেন ট’‌বাজার, বিচুলিহাটা, হীরামহল গলি সহ আশপাশের কয়েক হাজার ব্যবসায়ী, ক্রেতা, পথচলতি মানুষ।

পুরসভার বক্তব্য, এলাকাটি জনবহুল এবং পাশেই বসতবাড়ি থাকায় শৌচালয়ের দুর্গদ্ধ তাদেরকে সমস্যায় ফেলছিল। এব্যাপারে পুরসভায় বেশ কয়েকজন অভিযোগ জানিয়ে শৌচালয়টি ভেঙে তা অন্যত্র সরিয়ে ফেলার জন্য আবেদন জানান। শনিবার পুরসভার বোর্ড মিটিং এ এই বিষয়টি আলোচনায় উঠে আসে।

দেখুন ভিডিও

পুরপ্রধান দিলীপ মজুমদার জানান, এদিনের বোর্ড মিটিং এ এই বিষয়টি উত্থাপন করে পুরসভার কাউন্সিলর তথা হাবড়ার বিধায়ক দেবদাস মন্ডল দাবি করেন যে, এই শৌচালয়টি এলাকার মানুষদের সমস্যা সৃষ্টি করছে। তাই সেটি অবিলম্বে ভেঙে ফেলার ব্যবস্থা করা হোক। এরপরই বৈঠকে শৌচালয়টি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

বোর্ডের সিদ্ধান্ত অনুয়ায়ী এদিন সকালেই শৌচালয়টি ফেলে ফেলার পর এলাকার কয়েকজন ব্যবসায়ী মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়ার কাছে অভিযোগ করেন যে, শৌচালয়টি না থাকলে একটি বৃহৎ অংশের ব্যবসায়ী, ক্রেতারা সমস্যার পড়বেন। এই খবর পেয়ে তড়িঘড়ি ঘটনাস্থলে পৌঁছান মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া।

সেই সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছিলেন পুরপ্রধান দিলীপ মজুমদার। মন্ত্রী পুরপ্রধানের কাছে জানতে চান, কার অনুমতিতে এই শৌচালয় ভেঙে ফেলা হলো?‌ মহকুমা শাসক বা তিনি নিজে এব্যাপারে কিছু জানেন না। পুরপ্রধান এব্যাপারে মন্ত্রীকে বলেন, শনিবারের বোর্ড মিটিং এ এই শৌচালয়টি ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত হয়। আর সেই অনুযায়ী ভেঙে ফেলা হয়।

এই ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া অভিযোগের সুরে বলেন, ‘দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে এই এলাকার ব্যবসায়ী, ক্রেতা, সাধারণ মানুষের ব্যবহৃত এই শৌচালয়টি কারোর ব্যক্তিগত স্বার্থে, কোনও নেতার নির্দেশে ভেঙে ফেলা হয়েছে। আর তাতে ব্যবসায়ীরা বিজেপিকে দোষারোপ করছে। এটা মেনে নেওয়া হবে না। কোনও মস্তানের চোখরাঙানিতে কাজ হবে না।’‌

এদিন মন্ত্রী পুরসভার প্রধানকে নির্দেশ দেন, স্থানীয় ব্যবসায়ীদের সঙ্গে আলোচনা করে এলাকার বিকল্প জায়গায় পুরসভার উদ্যোগে অবিলম্বে শৌচালয় গড়ে দিতে হবে। পুরপ্রধান সেকথা মেনে নেন। সোমবার এব্যাপারে ব্যবসায়ীদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে। আর সেখানেই ঠিক হবে, কোন স্থানে নতুন করে শৌচালয় গড়ে তোলা হবে।

Tags: News

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.

Home Search Gallery
Menu
© 2026 Desher Samay.