Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

প্রয়াত প্রণব মুখোপাধ্যায়

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ গত ৯ অগস্ট, রবিবার রাতে ১০ নম্বর রাজাজি মার্গের বাড়িতে বাথরুমে পড়ে গিয়েছিলেন তিনি। মস্তিষ্কে চোট লাগায় পর দিন সোমবার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছিল তাঁকে। মস্তিষ্কে যে রক্ত জমাট বেধেছিল তা বের করতে অস্ত্রোপচার করেছিলেন চিকিৎসকরা। কিন্তু অস্ত্রোপচারের পর আর জ্ঞান ফেরেনি তাঁর। জ্ঞান আর ফিরলই না প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়ের। মৃত্যু কালে প্রণববাবুর বয়স হয়েছিল ৮৫ বছর। ১৯৩৫ সালের ১১ ডিসেম্বর জন্ম প্রণব মুখোপাধ্যায়ের।

সোমবার বিকেল ৫টা ৪৬ মিনিট নাগাদ প্রণববাবুর প্রয়াত হওয়ার খবর টুইট করে জানান তাঁর পুত্র অভিজিৎ মুখোপাধ্যায়।

১০ অগস্ট, সোমবার প্রণব মুখোপাধ্যায়ের টুইটার হ্যান্ডেল থেকে জানানো হয় তিনি করোনা আক্রান্ত। লেখা হয়, অন্য চিকিৎসার জন্য সেনা হাসপাতালে যাওয়ার পর তাঁর কোভিড সংক্রমণ ধরা পড়ে। পরে জানা যায়, প্রণববাবু ভারসাম্য হারিয়ে বাথরুমে পড়ে গিয়েছিলেন।

সোমবার অস্ত্রোপচারের পর থেকেই তাঁকে ভেন্টিলেশনে রাখতে হয়। পরের দিন সেনা হাসপাতালের তরফে বিবৃতি জারি করে জানানো হয়, প্রণব মুখোপাধ্যায়ের অবস্থার উন্নতি তো হয়ইনি বরং আরও সংকটজনক হয়েছে। তারপর বুধবার দুপুরে সেনা হাসপাতালের বুলেটিনে জানানো হয়, প্রণববাবু হেমোডাইনামিকালি স্টেবল রয়েছেন। কিন্তু তা দেখেই অনেকে আন্দাজ করেন যে আসলে পুরোপুরি লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন প্রণব। তাঁর মস্তিষ্ক কাজ করছে না। শেষমেশ ২১ দিন ভেন্টিলেশনে থেকে ৩১ অগস্ট শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করলেন প্রণব মুখোপাধ্যায়।

তাঁর স্ত্রী শুভ্রা মুখোপাধ্যায় ২০১৫ সালের ১৮ অগস্ট প্রয়াত হন। রাষ্ট্রপতি থাকাকালীনই পত্নী-বিয়োগ হয় প্রণববাবুর। তাঁর এক ছেলে ও এক মেয়ে রয়েছেন। ছেলে অভিজিৎ কংগ্রেসের প্রাক্তন সাংসদ ও মেয়ে শর্মিষ্ঠা দিল্লি কংগ্রেসের অন্যতম মুখপাত্র।

দীর্ঘদিন ধরেই অসুস্থ ছিলেন প্রণববাবু। গত দু’দশকের বেশি সময় ধরে তিনি ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ছিলেন। তা ছাড়া ২০১৪ সালে বড়সড় হৃদরোগে আক্রান্ত হয়েছিলেন তিনি। রাষ্ট্রপতি ভবনের স্টাডি থেকে খেতে যাওয়ার সময়ে মাথা ঘুরে পড়ে যাচ্ছিলেন তৎকালীন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু নিরাপত্তারক্ষীরা তাঁকে ধরে ফেলেন। তারপর থেকে হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ নরেশ ত্রেহানের চিকিৎসায় ছিলেন তিনি।

২০১২-র ২৫ জুলাই রাষ্ট্রপতি হিসাবে শপথ নেন প্রণববাবু। ২০১৭-র ২৫ জুলাই পর্যন্ত ছিলেন ওই পদে। ২০১৯ সালে ভারতের সর্বোচ্চ নাগরিক সম্মান ‘ভারতরত্ন’ পান কীর্ণাহারের ভূমিপুত্র।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন