প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
হকার উচ্ছেদ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা জানিয়ে দিলেন অগ্নিমিত্রা ,বড় সিদ্ধান্ত নিয়ে নিল সরকার! ‘নেশামুক্ত ভারত’ গড়ার ডাক মোদীর , যুব সমাজকে কী বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী? দেশজুড়ে শুরু ১০০ সপ্তাহের বিশেষ অভিযান অনুপ্রবেশকারী ও অবৈধ নাগরিক চিহ্নিত করে দেশের বাইরে বের করে দেওয়া হবে, জনগণনার শুরুর দিনে বললেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও ‘হিংসারিপু দমন করুন’,ইসকনের মিড-ডে মিল কর্মসূচির সূচনা করে বিরোধীদের হিংসা দমনের উপদেশ মুখ্যমন্ত্রীর এক সপ্তাহের মধ্যেই বনগাঁর যশোহর রোডের দু’পাশে ‘মৃত এবং বিপজ্জনক’গাছ কাটার কাজ শুরু হবে: জানালেন খাদ্যমন্ত্রী: দেখুন ভিডিও

প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রামবিলাস পাসোয়ান

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ মাত্র কদিন আগেই হৃদপিণ্ডে অস্ত্রোপচার হয়েছিল তাঁর। দীর্ঘ অসুস্থতায় ভুগে আজ মারা গেলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী তথা বিহারের লোক জনশক্তি পার্টির সভাপতি রামবিলাস পাসোয়ান।

রামবিলাসের ছেলে তথা এলজেপি নেতা চিরাগ পাসোয়ান এই শোক সংবাদ টুইট করে জানিয়েছেন।

চিরাগ পাসোয়ান লিখেছেন “পাপা…আব আপ ইস দুনিয়া মে নেহি হ্যায় লেকিন মুঝে পাতা হ্যায় আপ জাহা ভি হ্যায় হামেশা মেরে সাথ হ্যায়। মিস ইউ পাপা…”

কেন্দ্রে নরেন্দ্র মোদী সরকারে উপভোক্তা বিষয়ক মন্ত্রী ছিলেন রামবিলাস। তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। বস্তুত বেশ কিছু দিন ধরেই ভুগছিলেন বিহারের এই পোড় খাওয়া নেতা। গত শনিবার সন্ধে থেকে নতুন কিছু সমস্যা দেখা দেওয়ায় সেদিন গভীর রাতে তাঁর হৃদপিণ্ডে অস্ত্রোপচার করতে হয়েছিল। রবিবার কাক ভোরে সেই খবর জানিয়েছিলেন চিরাগ। চিরাগ এও জানিয়েছিলেন, কদিন পর ফের একটি অস্ত্রোপচার করতে হতে পারে। কিন্তু দ্বিতীয়বার অস্ত্রোপচার হওয়ার আগেই আজ লড়াই থেমে যায় রামবিলাসের।

তাঁর ছেলে চিরাগ পাসওয়ান লোক জনশক্তি পার্টির প্রধান। তিনি টুইটারে লিখলেন, ‘‌বাবা, আমি জানি, আপনি আর এই পৃথিবীতে নেই। কিন্তু আপনি যেখানেই থাকুন, আমার সঙ্গেই আছেন।’‌

বিহারের খাগাড়িয়ায় অনগ্রসর শ্রেণির এক পরিবারে পাসোয়ানের জন্ম। পিছিয়ে পড়াদের সামাজিক ক্ষমতায়ণের উদ্দেশেই রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন তিনি। ৬৯ সালে সংযুক্ত সোশালিস্ট পার্টির হয়ে প্রথম বার বিহার বিধানসভার সদস্য হন তিনি। পরে জয়প্রকাশ নারায়ণের একান্ত অনুগত হয়ে জরুরি অবস্থার বিরুদ্ধে আন্দোলনে নেমে পড়েন তিনি। গোটা জরুরি অবস্থার মেয়াদেই তিনি জেলে বন্দী ছিলেন। পরে প্রথমে লোক দলে যোগ দেন, তার পর মোরাজি দেশাইয়ের সঙ্গে হাত মেলান। শেষমেশ ২০০০ সালে জনতা দল থেকে ভেঙে বেরিয়ে লোক জনশক্তি পার্টি তৈরি করেন রামবিলাস।

লোকসভায় ৮ বার নির্বাচিত হয়েছিলেন রামবিলাস। সংসদীয় রাজনীতিতে কোনও রাজনীতিকের জন্য তা কম গরিমার নয়।

কংগ্রেসের প্রাক্তন সভাপতি রাহুল গান্ধী, সড়ক পরিবহন মন্ত্রী নীতীন গাডকারি, ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন, অসমের সাংসদ পল্লব লোচান দাস, অসমের স্বাস্থ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মা, কংগ্রেস নেতা কপিল সিবাল, বিহারের প্রাক্তন ডিজিপি গুপ্তেশ্বর পাণ্ডে, প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং, প্রমুখ দেশজোড়া সমস্ত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বরা টুইট করে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালেন প্রয়াত কেন্দ্রীয় মন্ত্রীকে। 

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন