পৌষমেলায় অনলাইন বুকিং বন্ধ সহ বিভিন্ন দাবিতে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ, শান্তিনিকেতনে
deshersamay
ইন্দ্রজিৎ রায়,শান্তিনিকেতন:
শান্তিনিকেতন পৌষ মেলায় স্টল ভাড়া নেওয়ার জন্য অনলাইনে বুকিং শুরু হওয়ায়, তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে বোলপুরের হস্তশিল্পী সহ বিভিন্ন ব্যবসায়ী মহলে। শুক্রবার এই মর্মে দফায় দফায় বিক্ষোভ দেখান বোলপুরের হস্তশিল্পী সমাজ ও ব্যবসায়ী সমিতির সদস্যরা।

অভিযোগ, এবছর পৌষমেলায় জায়গার দাম কয়েকগুন বাড়িয়ে দেওয়ায় বিপাকে পড়েছেন কুটিরশিল্পী, সহ ছোট ব্যবসায়ীরা, সঙ্গে যোগ হয়েছে ন্যূনতম দশ থেকে কুড়ি হাজার টাকার (ফেরত যোগ্য)সিকিউরিটি ডিপোজিট, বুকিং শুরু হয়েছে অনলাইনে- আগে বুক করার অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে; এই বিষয়গুলি নিয়ে ক্ষোভে ফেটে পড়েছেন ব্যবসায়ীরা। উপাচার্য গো ব্যাক বলতেও শোনা যায় বিক্ষোভে।

বোলপুর ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষে সম্পাদক সুনীল সিং জানিয়েছেন- “শান্তিনিকেতন পৌষমেলা গোটা দেশের এক ঐতিহ্য, এই মেলা বিশ্বভারতী পরিচালনা করলেও ব্যবস্থাপনায় ব্যবসায়ীরাও ওতপ্রোতভাবে যুক্ত এই মেলার সঙ্গে। বিভিন্ন ব্যবসায়ী প্রায় ৩০-৪০ বছর ধরে এই মেলা করে আসছেন, অনেকের রুজি-রুটি জড়িয়ে রয়েছে সারা বছরের।
এ যাবত মেলা বুকিং হত পুরনো রশিদের ভিত্তিতে কিন্তু অনলাইনে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বুক হওয়ার ফলে বঞ্চিত হচ্ছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। এই সমস্ত সমস্যার প্রতিকার করার জন্য প্রতিবাদ মিছিল ও বিক্ষোভ করেন ব্যবসায়ীরা, শান্তিনিকেতনের সেন্ট্রাল অফিসের মূল ফটকের সামনে।
এই মর্মে তাঁরা ডেপুটেশনও জমা দেন বিশ্বভারতীর বর্তমান রেজিস্টার আশা মুখোপাধ্যায়ের কাছে। পরে সাংবাদিক সম্মেলনে ব্যবসায়ী সমিতির পক্ষে সুব্রত ভগৎ জানান- “বিশ্বভারতীর কর্তৃপক্ষের কথা হয়েছে, আমরা তিন দিনের চরমসীমা ধার্য করেছি, এই তিন দিনের মধ্যে আমাদের দাবি মেনে নেওয়া না হলে পরবর্তী পদক্ষেপের ভিত্তিতে বৃহত্তর আন্দোলনে নামবো।

এ বিষয়ে বিশ্বভারতীর ভারপ্রাপ্ত জনসংযোগ আধিকারিক অনির্বাণ সরকার জানান ব্যবসায়ীরা স্মারকলিপি জমা দিয়েছেন বাকিটা কর্তৃপক্ষ দেখবেন। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।

