Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

ঠাকুরবাড়িকে ‘রাজনীতি মুক্ত’ করার দাবি,এবার ময়দানে কংগ্রেস

deshersamay

Share article:

দুই ভাইয়ের দ্বৈরথ। ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে প্রকাশ্যে বিজেপির মন্ত্রী ও বিধায়কের দ্বন্দ্ব। ‘অধিকার’-এর দাবিতে ময়দানে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর ও বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর। এ বার ঠাকুবাড়িতে ‘রাজনীতি মুক্ত’ করার দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার হাজির হলো কংগ্রেসের একটি প্রতিনিধি দল।

ঠাকুবাড়িতে রাজনীতি প্রবেশ করেছিল কংগ্রেসের হাত ধরেই। ঠাকুরবাড়ির প্রতিষ্ঠাতা তথা মতুয়াদের ধর্মগুরু প্রমথরঞ্জন ঠাকুর ভোটে দাঁড়িয়ে জিতে বিধায়ক, মন্ত্রী ও সাংসদ হয়েছিলেন। তিনি বিধায়ক হয়েছিলেন কংগ্রেস থেকে দাঁড়িয়ে। সাংসদ হয়েছিলেন বাংলা কংগ্রেসের প্রার্থী হিসাবে। পরে অবশ্য ফের কংগ্রেসে ফিরে আসেন।

পরবর্তীতে ঠাকুরবাড়ির রাশ থাকে রাজ্যের দুই প্রভাবশালী দল তৃণমূল ও বিজেপির হাতেই। এর মাঝেই ময়দানে কংগ্রেস। বৃহস্পতিবার ঠাকুরবাড়িতে ‘মতুয়া কার্ড’ বিতরণ কেন্দ্রে হাজির হয় উত্তর ২৪ পরগনা জেলা জাতীয় কংগ্রেসের সভানেত্রী ইন্দ্রানী দত্ত চট্টোপাধ্যায়ের নেতৃত্বে কংগ্রেসের প্রতিনিধি দল।

ইন্দ্রানী দেবী বিভিন্ন মতুয়া ভক্তদের সঙ্গে কথা বলেন। ভক্তদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কেন টাকা দিয়ে আপনারা এই শংসাপত্র নিচ্ছেন? ঠাকুরবাড়ির মন্দির প্রাঙ্গণে কেন রাজনীতি চলবে?’ কংগ্রেসের কর্মীদের দাবি, সেই সময়ে বিজেপি বিধায়ক সুব্রত ঠাকুর তাঁদের সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেন। এমনকী ঠাকুরবাড়ি চত্বর থেকে কংগ্রেসের প্রতিনিধি দলকে বের করে দেওয়া হয় বলেও অভিযোগ।

মতুয়া ভক্তদের সঙ্গে কথা বলার মাঝেই সুব্রত বলেন, ‘আপনি এখানে গোলমাল করবেন না। বাইরে গিয়ে কথা বলুন। ক্যাম্পের কাজের অসুবিধা করবেন না।’ অন্যদিকে কংগ্রেস নেত্রী ইন্দ্রানী বলেন, ‘আমরা চাই ঠাকুরবাড়ি রাজনীতি মুক্ত হোক। ধর্ম নিয়ে বিভেদের রাজনীতি করছে কয়েকটি রাজনৈতিক দল।’

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন