Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

টানা ১২ ঘন্টা তল্লাশি শেষে আইপ্যাকের অফিস ছাড়ল ইডি, আধিকারিকদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ তৃণমূলের ,উঠল ‘জয় বাংলা’ স্লোগান

deshersamay

Share article:

টানা ১২ ঘণ্টা ধরে চলল অভিযান। বিধাননগরে অফিস পাড়ায় রাজ্যের শাসকশিবিরের নির্বাচনী পরামর্শদাতা সংস্থা I-PAC-এর অফিসে যখন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ঢুকেছিল, সেই সময় অফিসে কয়েকজন মাত্র কর্মী উপস্থিত ছিলেন। কিন্তু দিনশেষে ইডি আধিকারিকরা যখন বেরল, সেই সময় I-PAC-র ওই অফিসের নীচে যেন পা রাখার জায়গা নেই। কোথাও দাঁড়িয়ে পুলিশ, কোথাও আবার কেন্দ্রীয় বাহিনী। দিনভর রাজনৈতিক চাপানউতোরের কেন্দ্র ছিল এই অফিস।

এদিন সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার একটু পরে I-PAC-এর অফিস ছাড়েন ইডি আধিকারিকরা। হাতে বেশ কয়েকটি নথি নিয়ে ১১ তলা থেকে নীচের পার্কিংয়ে নামেন তারা নথিগুলি রেখে দেন গাড়িতে। সেই সময় বাইরে বেড়ে যায় জমায়েত। ওঠে স্লোগান। প্রশ্ন ওঠে, ‘কী নিয়ে যাচ্ছে ইডি?’

সকাল থেকে সবার নজর ছিল সেক্টর ফাইভের আইপ্যাকের অফিসের দিকে। তৃণমূলের ভোটকুশলী প্রতীক জৈনের  বাড়িতে হানা দিয়ে তারপর তাদের দফতরে তল্লাশি চালায় ইডি । সন্ধে পার করে টানা তল্লাশি শেষে অবশেষে আইপ্যাকের অফিস ছাড়ল কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা । ইডির অফিসাররা বেরোতেই ‘গো ব্যাক’ স্লোগান তুলে তাঁদের গাড়ি ঘিরে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তৃণমূল সমর্থকরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সল্টলেকে আইপ্যাকের দফতরে ইডির তল্লাশি অভিযান চলছিল । সংস্থার প্রধান প্রতীক জৈনের  বাড়িতে যেমন নথিপত্র বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে, তেমনই আইপ্যাকের অফিস থেকেও একাধিক ফাইলের বান্ডিল নিয়ে বেরোতে দেখা যায় তদন্তকারী সংস্থার আধিকারিকদের ।

অন্যদিকে, সকাল থেকেই যখন প্রতীকের বাড়িতে অভিযান চলছিল, সেই খবর পেয়ে বেলা ১২টা নাগাদ সেখানে পৌঁছে যান কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা। তার কয়েক মিনিটের মধ্যে সেখানে পৌঁছন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে গিয়ে অভিযোগ করেন, ভোটের কৌশল সংক্রান্ত গুরুত্বপূর্ণ নথি জোর করে নিয়ে যাওয়া হয়েছে। দলের কাগজপত্র ও তথ্য লুট করা হয়েছে। পরে আইপ্যাকের অফিসেও ছুটে যান তৃণমূলের সর্বময় নেত্রী।

মমতার দাবি, রাজনৈতিক লড়াইয়ে নামার সাহস তাদের নেই, তাই হার্ড ডিস্ক, আর্থিক নথি এবং দলের প্রয়োজনীয় কাগজ বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে। পাশাপাশি সরাসরি বিজেপির দিকে আঙুল তুলে মমতা বলেন, তাঁর দেখা মতে বিজেপির মতো বড় ‘ডাকাত’ আর কেউ নেই। ইডির এই হানাকে দুর্ভাগ্যজনক বলেও মন্তব্য করেন মমতা।

বস্তুত, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লাউডন স্ট্রিটে যাওয়াকে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী )। তাঁর মতে, এই পদক্ষেপ সম্পূর্ণ অনৈতিক। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, তদন্ত বা ইডি-র তল্লাশি সংক্রান্ত বিষয়ে তিনি কোনও মন্তব্য করতে চান না।

শুভেন্দু জানান, তদন্তের বিষয়বস্তু নিয়ে তিনি কথা বলবেন না, কিন্তু মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে সাংবিধানিক সংস্থার কাজে হস্তক্ষেপ করার অভিযোগ আগেও উঠেছে। তাঁর দাবি, ২০২১ সালে ফিরহাদ হাকিম, সুব্রত মুখোপাধ্যায় ও মদন মিত্রকে গ্রেফতারের প্রতিবাদে মমতা সিবিআইয়ের নিজাম প্যালেস দফতরের সামনে ধর্নায় বসেছিলেন। একইভাবে রাজীব কুমারের বাড়িতে সিবিআই তল্লাশির সময়েও তিনি তৎকালীন পুলিশ কমিশনারকে সঙ্গে নিয়ে ধর্না দিয়েছিলেন।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন