প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

উত্তরকন্যা অভিযান: পুলিশের লাঠিতে বিজেপি কর্মীর মৃত্যু, অভিযোগ দিলীপের

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েব ডেস্কঃ : উত্তরকন্যা অভিযানে গিয়ে পুলিশের লাঠির আঘাতে তাঁদের এক কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ বিজেপির। পুলিশের লাঠির আঘাতে আহত হওয়ার পর উলেন রায় (৫০) নামে ওই বিজেপি কর্মীকে নিয়ে যাওয়া হয় শিলিগুড়ির একটা নার্সিংহোমে। পরে সেখানেই তিনি মারা যান বলে দাবি করেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ।


গজলডোবা এলাকার মিলনপল্লীর বাসিন্দা ছিলেন উলেন রায়। বিজেপির রাজ্য সম্পাদক দীপেন প্রামাণিক অভিযোগ করেন উত্তরকন্যার দিকে এগোনোর সময় বেধড়ক লাঠিচার্জ করে পুলিশ। লাঠির আঘাতে তাঁদের বেশ কয়েকজন ঘায়েল হন। এঁদের মধ্যে মহিলা কর্মীরাও রয়েছেন। গুরুতর জখম উলেন রায়কে নার্সিংহোমে নিয়ে যাওয়ার পর সেখানে মারা যান তিনি।

জানা গেছে, মিছিল আটকাতে একাধিক ব্যারিকেড গড়ে পুলিশ। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয় পরিস্থিতি। এর পরেই ফুলবাড়ি এলাকায় জলকামান চালায় পুলিশ। চালায় কাঁদানে গ্যাসও। এর পরেই শুরু হয় লাঠি-পাথর। তখনই কোনও ভাবে আঘাত লাগে উলেন বাবুর। এই ঘটনায় কৈলাস বিজয়বর্গীয় মন্তব্য করেন, বাংলায় রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করা উচিত। দিলীপ ঘোষের অভিযোগ, খুনের রাজনীতি করছে তৃণমূল কংগ্রেস।

দিলীপ ঘোষ বলেন, “আমাদের কর্মী উলেন রায়ের মাথায় লাঠির আঘাত লেগেছিল। আঘাত লেগেছিল তাঁর শরীরের অন্য জায়গাতেও। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই মৃত্যু হয় তাঁর। পুলিশ একটা গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে রুখতে এত আক্রমণাত্মক হয়ে যাচ্ছে! আরও অনেকে আহত হয়েছেন। অনেকে রাস্তায়, কেউ হাসপাতালে। আগের সরকারও শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে গুলি চালিয়েছিল। তারা বিদায় হয়েছে। এই সরকার আবারও করছে এমন।”

এই ঘটনায় পর্যটনমন্ত্রী গৌতম দেব বলেন, “বিজেপি কি দাবি করেছে সেটা বলতে পারব না। তবে ফুলবাড়ি এলাকায় যা হয়েছে তা নিন্দনীয়। বাইরে থেকে সমাজবিরোধীদের এনে গণতান্ত্রিক আন্দোলনের নামে বেআইনি সমাবেশ করেছে বিজেপি। গুন্ডামি করেছে। আমরা এর তীবের নিন্দা করি। আমরা শান্তিপূর্ণ ভাষায় জবাব দেব। সমস্ত ফুটেজ মানুষের কাছে আছে।”


গৌতমবাবু আরও জানান, কোনও বিজেপি কর্মীর মৃত্যু হয়েছে বলে খবর নেই তাঁর কাছে। বহু পুলিশ ও সাধারণ মানুষ বরং আহত হয়েছেন। তিনি বলেন, “উত্তরকন্যা হল উত্তরবঙ্গের মানুষের আশা আকাঙ্খার প্রতীক। বিজেপি আজ যে গুন্ডামি করেছে মানুষ তার জবাব দেবে। যেভাবে বিজেপি কর্মীরা অসংযত আচরণ করেছে, আন্দোলনের নামে আক্রমণ চালিয়েছে, তা অতি নিন্দনীয়। সবচেয়ে বড় কথা, বিজেপির নেতৃত্বের সামনে এটা হয়েছে।”
তিনবাত্তি মোড়ে আরও একটি মিছিলের নেতৃত্ব দিচ্ছিলেন কৈলাস বিজয়বর্গীয়। তাঁর গাড়িও ভাঙা হয় বলে অভিযোগ। মিছিলকারীরাও ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যায়। সেখানেও রণক্ষেত্র হয় পরিস্থিতি।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন