Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

অভিষেক যাবেন ঠাকুরনগর , চাপানউতোর ঠাকুরবাড়িতে

deshersamay

Share article:

আগামী ৯ জানুয়ারি ঠাকুরনগরের ঠাকুরবাড়িতে যাবেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সভাপতি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তাঁর সেই কর্মসূচিকে কেন্দ্র করে ক্রমেই উত্তপ্ত হচ্ছে ঠাকুরবাড়ি। মঙ্গলবার কেন্দ্রীয় জাহাজ প্রতিমন্ত্রী তথা বনগাঁর বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছিলেন, পুলিশ ফোর্স নিয়ে এলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ঠাকুরবাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হবে না। বুধবার তার পাল্টা জবাব দিলেন তৃণমূল প্রভাবিত অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ চন্দ্র চৌধুরী। এ দিন তিনি বলেন, ‘অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে কেউ যদি আটকানোর চেষ্টা করেন সে ক্ষেত্রে ঠাকুরবাড়িতে রক্তের বন্যা বইবে।’

গত বছর রাজ্যজুড়ে নবজোয়ার কর্মসূচি নিয়ে ঠাকুরবাড়িতে এসেছিলেন অভিষেক। কিন্তু তাঁকে হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে ঢুকতে বাধা দেন শান্তনু। কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নিরাপত্তারক্ষী এবং বিজেপির লোকজনকে নিয়ে অভিষেক পৌঁছনোর আগেই মন্দিরের দখল নিয়ে বসেছিলেন। এর ফলে অভিষেক পুজো দিতে পারেননি। সে দিনই ঠাকুরবাড়িতে দাঁড়িয়ে অভিষেক বলেছিলেন, ‘ইচ্ছে করলে আমি হরিচাঁদ ঠাকুরের মন্দিরে ঢুকতে পারতাম। কিন্তু আমি চাইনি ঠাকুরবাড়িতে অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি হোক।’

এ দিন খুড়তুতো দাদা শান্তনুকে এমন কোনও পদক্ষেপ না করতে অনুরোধ করেছেন বাগদার তৃণমূল বিধায়ক মধুপর্ণা ঠাকুর। তিনি বলেন, ‘এর আগে ঠাকুরবাড়িতে প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এসেছিলেন নিরাপত্তারক্ষীদের বাহিনী নিয়ে। ছিল পুলিশের ফোর্সও। তখন যদি সমস্যা না হয়, এখন কেন সমস্যা হচ্ছে? অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় সাংসদ। ওঁর সঙ্গে পুলিশ তো থাকবেই। আমি দাদার কাছে অনুরোধ করব, এ বার যেন এমন কোনও পদক্ষেপ না করা হয়।’

বনগাঁ মহকুমায় ১ লক্ষ ২০ হাজার মতুয়া সম্প্রদায়ের মানুষকে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে হাজির হতে হবে। প্রয়োজনীয় নথি না থাকায় বহু বছর ধরে ভারতে বসবাসের পরেও ফের বেনাগরিক হওয়ার আশঙ্কায় রয়েছেন মতুয়ারা। প্রধানমন্ত্রী এবং কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর বক্তব্যের পরও মতুয়ারা ভরসা পাচ্ছেন না। এই পরিস্থিতিতে অভিষেক ঠাকুরবাড়িতে এসে নাগরিকত্ব ইস্যুতে কী বার্তা দেন, সে দিকেই তাকিয়ে আছে সাধারণ মতুয়ারা।

কিন্তু, অভিষেকের কর্মসূচি জানার পরেই বিরোধিতার পথে নেমেছেন শান্তনু। তিনি প্রথমে বলেছেন, ঠাকুরবাড়িতে যে কেউ আসতে পারেন। কিন্তু পরক্ষণেই বলেন, ‘এক বছর আগে একবার ঠাকুরবাড়িতে ঢুকেছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। পুলিশ ফোর্স নিয়ে এসেছিলেন। একই ভাবে এ বারও এলে অভিষেককে ঢুকতে দেব না ঠাকুরবাড়িতে।’

তাঁর কথার জবাবে পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে তৃণমূল প্রভাবিত অল ইন্ডিয়া মতুয়া মহাসঙ্ঘের সাধারণ সম্পাদক সুকেশ চন্দ্র চৌধুরী বলেন, ‘ঠাকুরবাড়ি শান্তনু ঠাকুরের ব্যক্তিগত সম্পত্তি নয়। বড়মা ঠাকুরবাড়ির যাবতীয় সম্পত্তি হরিচাঁদ গুরুচাঁদ ঠাকুরের নামে দেবত্র করে দিয়েছেন। এই বাড়ি মতুয়া ভক্তদের বাড়ি। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় আসবেন, পুজো দেবেন। যদি কেউ আটকানোর চেষ্টা করে, মতুয়ারা প্রতিরোধ করবে। প্রয়োজনে ঠাকুরবাড়িতে রক্তের বন্যা বইবে।’

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন