Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

দেশের পাঁচ জায়গায়, অক্সফোর্ডের টিকার ট্রায়াল হবে , জানাল কেন্দ্র

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ অক্সফোর্ডের টিকার দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের ট্রায়ালের জন্য ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমতি চেয়েছে দেশের প্রথম সারির ভ্যাকসিন নির্মাতা সংস্থা সেরাম ইনস্টিটিউট অব ইন্ডিয়া। বেশি দেরি না করে খুব তাড়াতাড়ি টিকার ট্রায়াল শুরু করার কথাও জানিয়েছেন সেরামের সিইও আদর পুনাওয়ালা। আজ, মঙ্গলবার কেন্দ্রের বায়োটেকনোলজি বিভাগ জানাল, দেশের পাঁচ জায়গায় অবিলম্বেই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ শুরু হবে। সরকারের তরফে বৃহত্তর কর্মসূচী নেওয়া হয়েছে।

ব্রিটেনে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকার ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালে সাফল্যে খবর এসেছে। ভারতে অক্সফোর্ডের ফর্মুলায় টিকা তৈরি করছে সেরাম ইনস্টিটিউট। দেশের তৈরি এই টিকার নাম ‘কোভিশিল্ড’ । সেরাম জানিয়েছে, ড্রাগ কন্ট্রোলের অনুমতি পেলে খুব তাড়াতাড়ি টিকা দেওয়া শুরু হয়ে যাবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়েছে।

দেশে করোনার টিকার ট্রায়াল ও গবেষণার তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে আছে কেন্দ্রের বায়োটেকনোলজি বিভাগ। সচিব রেণু স্বরূপ বলেছেন, “দেশের পাঁচ জায়গাকে বেছে নেওয়া হয়েছে অক্সফোর্ডের টিকার ট্রায়ালের জন্য। হাজারজনের বেশি স্বেচ্ছাসেবককে টিকা দেওয়া হবে। অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি এই টিকার ট্রায়াল করে সাফল্য পেয়েছে। দেশে এই টিকার পরীক্ষামূলক প্রয়োগ করে তার ফলাফল দেখতে হবে। দ্বিতীয় ও তৃতীয় পর্যায়ে টিকার ট্রায়াল সন্তোষজনক হলেই ভ্যাকসিনের ডোজ তৈরি করতে শুরু করবে সেরাম। “

গত ২০ জুলাই প্রথম পর্যায়ের ট্রায়ালের রিপোর্ট সামনে আনে অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রজেনেকা। সেই রিপোর্টে সারা গিলবার্টের টিম জানায়, দুই পর্যায়ে ১০৭৭ জনকে টিকা দেওয়া হয়েছিল। দুটি দলে ভাগ করে একটি দলকে ভ্যাকসিনের একটি ডোজ ও অন্যদলকে নির্দিষ্ট দিনের ব্যবধানে দুটি ডোজ দেওয়া হয়। দেখা গেছে, যাদের একটি ডোজ দেওয়া হয়েছিল তাদের ৯০ শতাংশের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হয়েছে। ইতিবাচক দিক হল এই ভ্যাকসিন শুধু অ্যান্টিবডি তৈরিই করছে না, দেহকোষের টি-কোষকেও সক্রিয় করে তুলছে।

অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল শুরু হওয়ার পরেই ভারতে এই টিকা তৈরির লাইসেন্স পায় সেরাম ইনস্টিটিউট। ব্রিটেনের জেন্নার ইউনিভার্সিটির সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিন ChAdOx1 nCoV-19 ক্যানডিডেট ডিজাইন করেছে অক্সফোর্ডের ভাইরোলজিস্ট সারা গিলবার্টের টিম। এই গবেষণায় রয়েছেন অধ্যাপক অ্যান্ড্রু পোলার্ড, টেরেসা লাম্বে, ডক্টর স্যান্ডি ডগলাস ও অধ্যাপক অ্যাড্রিয়ান হিল। কোভিড ভ্যাকসিন গবেষণায় অক্সফোর্ডের হাত ধরেছে ব্রিটিশ-সুইডিশ ফার্ম অ্যাস্ট্রজেনেকা। অক্সফোর্ড ও অ্যাস্ট্রজেনেকার সঙ্গে চুক্তি করে ডিএনএ ভেক্টর ভ্যাকসিনের ফর্মুলাতেই কোভিশিল্ড ভ্যাকসিন তৈরি করেছে সেরাম।

সেরাম সিইও আদর বলেছেন, যে কোনও ভ্যাকসিনের ট্রায়ালে প্রথম পর্যায়ের রিপোর্ট খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই রিপোর্ট দেখেই বোঝা যায় ভ্যাকসিন আগামী দিনে কতটা কার্যকরী হবে। অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনে সেই আশা জেগেছে।  এই ভ্যাকসিন মানুষের শরীরে কাজ করেছে দু’ভাবে। প্রথমত বি-কোষকে সক্রিয় করে অ্যান্টিবডি তৈরি করেছে, দ্বিতীয়ত, শরীরের টি-কোষকে সক্রিয় করে রোগ প্রতিরোধ শক্তি গড়ে তুলেছে।  ভ্যাকসিনে কাজ হলে ইঞ্জেকশন দেওয়ার ১৪ দিনের মাথায় টি-কোষ সক্রিয় হয়ে ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে তুলতে শুরু করে। বি-কোষ সক্রিয় হয়ে অ্যান্টিবডি তৈরি করে ২৮ দিনের মাথায়। অক্সফোর্ডের ভ্যাকসিনও তাই করেছে।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন