দেশের সময় ওয়েব ডেস্কঃ ইউক্রেনের যে বিমান ভেঙে এত বিতর্ক, শেষ পর্যন্ত সেই দুর্ঘটনার দায় স্বীকার করে নিল ইরান। তবে তাদের বয়ান হল, ‘মানুষের ভুলে’ এমন ঘটনা ঘটে গেছে, যাকে বলে ‘হিউম্যান এরর’।

গত সপ্তাহের গোড়ার দিকে ইরানের সেনার নিরিখে স্পর্শকাতর এলাকায় ভেঙে পড়ে যাত্রীবাহী বিমান। তারপরে ইরানের দিকে আঙুল উঠলেও তারা এই ঘটনার দায় অস্বীকারই করে আসছিল। এমনকি ব্ল্যাকবক্স পরীক্ষা করা, দরকারে ফরাসি বিশেষজ্ঞ দিয়ে তদন্ত করানোর কথাও বলছিল।


অন্য কোনও দেশের কাছে কোনও তথ্য থাকলেও তাও ইরানকে দেওয়ার কথা বলছিল তেহরান। অবশেষে তারা নিজেরাই মেনে নিল যে ভুল করে এমন ঘটনা ঘটে গেছে।

যারা এই ঘটনার জন্য দায়ী তাদের উপযুক্ত বিচার হবে বলেও আশ্বাস দিয়েছে ইরান। সে দেশের বিদেশমন্ত্রী জাভেদ জারিফ বলেছেন, “মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র যে ধ্বংসাত্মক অ্যাডভেঞ্চার করছে তার জন্যই এই মানুষের ভুলটা হয়েছে।”ওই দুর্ঘটনায় বিমানে থাকে ১৭৬জন যাত্রীই মারা যান।

মৃত্যুর ঘটনায় দুঃখপ্রকাশ করেছে ইরান, নিহতদের পরিবারকে তারা সমবেদনাও জানিয়েছে।ইরান ও কানাডা যখন দাবি করেছিল যে ওই বিমান লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়েছিল তখন তা অস্বীকার করেছিল ইরান।ইরানের রাজধানী তেহরানের ইমাম খোমেইনি বিমানবন্দর থেকে বুধবার সকালে ওড়ার কথা ছিল ইউক্রেনের বিমান বোয়িং ৭৩৭-এর। বিমানবন্দর থেকে ওড়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তা ভেঙে পড়ে।

দুর্ঘটনার পরে ইরান সিভিল অ্যাভিয়েশন অর্গানাইজেশনের মুখপাত্র রেজা জাফরজাদেহ জানিয়েছিলেন, বিমান ভেঙে পড়ার খবর পাওয়ার পরেই সেখানে বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনী, দমকল ও মেডিক্যাল টিম পাঠানো হয়। ইরান ইমারজেন্সি সার্ভিসেসের প্রধান পিরহোসেইন কৌলিভান্দ জানিয়েছিলেন, ভেঙে পড়ার পরেই বিমানে আগুন লেগে গিয়েছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.