ক্যালেন্ডারের পাতায় ডিসেম্বর হলেও নেই তেমন শীত, বাংলায় কবে থেকে জাঁকিয়ে ঠান্ডা ?

0
112

বছর শেষের পালা। ক্যালেন্ডারের পাতায় ডিসেম্বর হলেও জাঁকিয়ে শীতের দেখা নেই! দুপুরের দিকে রীতিমতো ঘাম ঝরছে। তাহলে জাঁকিয়ে ঠান্ডা পড়বে কবে?

ডিসেম্বর পড়ে গেলেও দক্ষিণবঙ্গে তেমন ঠান্ডা পড়েনি। শীত ও দক্ষিণবঙ্গের মধ্যে বাধা হয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছে বঙ্গোপসাগরে জমে ওঠা জলীয় বাষ্পের পুরু স্তর। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহ না কাটলে ওই স্তর সরার কোনও লক্ষণ দেখছেন না আবহবিদরা। ফলে মন চাইলেও ‘জাঁকিয়ে ঠান্ডা’–র আমেজ পেতে আরও অন্তত একটা সপ্তাহ অপেক্ষা করতেই হবে বাংলাকে।

আলিপুর আবহাওয়া দফতরের পূর্বাভাস অনুসারে, সোম বা মঙ্গলবার একই থাকবে আবহাওয়া। তারপর বঙ্গের আবহাওয়া বদল আসতে পারে, নামতে পারে তাপমাত্রার পারদ। উষ্ণতা প্রায় ২ থেকে ৩ ডিগ্রি পর্যন্ত কমার সম্ভবনা রয়েছে। ফলে ঠান্ডা অনুভূত হবে।

শীত জাঁকিয়ে না পড়লেও কলকাতা-সহ বিভিন্ন জেলায় কুয়াশার দাপট রয়েছে। তবে, এ জন্য আলাদা করে সতর্কতা জারি করার প্রয়োজন নেই বলেই জানিয়েছে হাওয়া অফিস।

দেশের উত্তর–পশ্চিম দিক থেকে ক্রমাগত ঢুকতে থাকা ঠান্ডা ও শুকনো বাতাসের প্রবাহে উত্তর ও উত্তর–পশ্চিম ভারতের তাপমাত্রা অতি দ্রুত হারে নামতে শুরু করেছে। শনিবার শেষ রাতে (ক্যালেন্ডার মতে রবিবার) পাঞ্জাবের ফরিদকোটের তাপমাত্রা নেমে গিয়েছিল দু’ডিগ্রি সেলসিয়াসে।

মৌসম ভবন জানাচ্ছে, ওই দিন ফরিদকোট ছিল দেশের সমতলের মধ্যে শীতলতম স্থান। ইতিমধ্যেই রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা এবং মধ্যপ্রদেশে শৈত্যপ্রবাহের সতর্কতা জারি হয়েছে। কিন্তু, দেশের উত্তর ও উত্তর–পশ্চিম প্রান্ত যে ভাবে জড়সড় হয়ে গিয়েছে শীতের কামড়ে, তার কোনও ছোঁয়াচই এখনও পর্যন্ত পায়নি বাংলা। এর জন্য দায়ী ঘূর্ণিঝড় ‘দিতওয়াহ’।

দক্ষিণ–পশ্চিম বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট এই ঘূর্ণিঝড় প্রথম বার শ্রীলঙ্কার উপরে ল্যান্ডফল করার পরে তার শেষাংশ দ্বীপরাষ্ট্রের উপর দিয়ে গিয়ে সমুদ্রের উপর পড়ার পরে ফের শক্তি বাড়িয়েছে। ঘূর্ণিঝড়টির তামিলনাড়ু ও অন্ধ্রপ্রদেশ সীমানা বরাবর ল্যান্ডফল করার সম্ভাবনা খুব বেশি। আবহবিদরা মনে করছেন, ল্যান্ডফলের পরেই যে ঘূর্ণিঝড়টির প্রভাব পুরোপুরি কেটে যাবে, এমন নয়।


ল্যান্ডফলের পরেও বঙ্গোপসাগরের ওই অঞ্চল ও সংলগ্ন অঞ্চলে প্রচুর জলীয় বাষ্প জমে থাকবে। যতক্ষণ জলীয় বাষ্পের ওই স্তর বাতাসে ভেসে থাকবে, ততক্ষণ উত্তর–পশ্চিম ভারতের ঠান্ডা বাতাসের স্রোত দেশের পূর্ব উপকূল পর্যন্ত আসতে পারবে না। আবহবিদরা মনে করছেন, ডিসেম্বরের ৫ থেকে ৭ তারিখের পরে জলীয় বাষ্পের স্তর ক্রমশ পাতলা হবে। তার পরেই দক্ষিণবঙ্গে ‘প্রকৃত’ শীতের অনুভূতি পাওয়া যাবে।সাইক্লোন দিতওয়া আপাতত স্থলভাবে ঢুকবে না বলেই জানা গিয়েছে। স্থলভাগের পাশ দিয়ে সমুদ্রের উপর বয়ে যাবে। তারপর এটি গভীর নিম্মচাপে পরিণত হতে পারে। যার ফলে ঝড়, বৃষ্টির একটা আশঙ্কা থাকছে। সমুদ্রও থাকবে উত্তাল।তবে এর প্রভাব বাংলায় পড়বে না। ফলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই।

সাইক্লোন দিতওয়া আপাতত স্থলভাবে ঢুকবে না বলেই জানা গিয়েছে। স্থলভাগের পাশ দিয়ে সমুদ্রের উপর বয়ে যাবে। তারপর এটি গভীর নিম্মচাপে পরিণত হতে পারে। যার ফলে ঝড়, বৃষ্টির একটা আশঙ্কা থাকছে। সমুদ্রও থাকবে উত্তাল।তবে এর প্রভাব বাংলায় পড়বে না। ফলে ঝড়-বৃষ্টির সম্ভাবনাও নেই।

কলকাতার তাপমাত্রা সোমবার বিগত কয়েকদিনের মতোই থাকার সম্ভাবনা রয়েছে। তাপমাত্রা ২৭ ডিগ্রি থেকে ১৯ ডিগ্রির মধ্যেই ঘোরাফেরা করবে।

Previous articleSIR নিয়ে পথে মতুয়ারা, তৃণমূলের মমতাবালা ঠাকুরের নেতৃত্বাধীন মিছিলে থাকছেন অধীর চৌধুরী , ওদের ফাঁদে পা দেবেন না বললেন বিজেপি বিধায়ক : দেখুন ভিডিও
Next articlePolitics of Regionalism: Implications of ‘Indo-Pacificization’ of Asia

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here