

উত্তর ২৪ পরগনার মধ্যমগ্রামে প্রকাশ্য রাস্তায় শ্যুটআউট (Madhyamgram shootout)। বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর (Suvendu Adhikari assistant) ব্যক্তিগত সহকারীকে (এগজিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট) চন্দ্রনাথ রথকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। গুলিতে তাঁর মৃত্যু হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। এই ঘটনার খবর পাওয়ামাত্রই এলাকায় বিশাল পুলিশ বাহিনী পৌঁছায়।

পেশাগত জীবনে চন্দ্রনাথবাবু আগে ভারতীয় বায়ুসেনায় কর্মরত ছিলেন। সেখান থেকে অবসর নেওয়ার পর তিনি শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ সহকারী হিসেবে কাজ শুরু করেন। সম্প্রতি ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের হাইভোল্টেজ নির্বাচনে শুভেন্দু অধিকারীর হয়ে প্রচারের কাজে অত্যন্ত সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছিলেন তিনি।

তাঁর ভাই দিব্যেন্দু অধিকারী জানান, ‘ভবানীপুরে দাদার প্রচারে সামিল ছিলেন চন্দ্রনাথ। আজ যখন বাড়ি ফিরছিলেন তিনি, তখনই অত্যন্ত কাছ থেকে (পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ) গুলি চালায় দুষ্কৃতীরা।’

জানা গিয়েছে, রাত সাড়ে ৮টা নাগাদ তিনি যখন মধ্যমগ্রামের দোহারিয়ার দিক থেকে আসছিলেন, তখন একদল দুষ্কৃতী বাইকে করে এসে তাঁর গাড়ি দাঁড় করিয়ে গুলি চালাতে শুরু করে। গুরুতর জখম অবস্থায় তাঁকে স্থানীয় একটি বেসরকারি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে চিকিৎসকরা মৃত বলে ঘোষণা করেন। এই হামলায় গাড়ির চালকও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তাঁর অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাঁকে কলকাতার একটি হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হয়েছে।

ইতিমধ্যেই একাধিক বিজেপি বিধায়ক উপস্থিত হয়েছেন সেখানে। জাতীয় সড়কের পাশেই স্করপিও গাড়ির উপর হামলা হয়েছে। এই মুহূর্তে কৌস্তভ বাগচী, পীযূষ কানোরিয়া, শঙ্কর ঘোষ, শঙ্কর চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক বিজেপি বিধায়ক উপস্থিত রয়েছেন। চরম উত্তেজনা ছড়িয়েছে এলাকায়।




