Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Ramadan: পবিত্র রমজান শুরুর আগে কলকাতায় শপিং করতে বাংলাদেশিদের ভিড়

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ চলছে ইসলামের পবিত্র রমজান মাস। শরীর এবং মনে শুদ্ধতা বৃদ্ধিতে এই মাসে উপবাসের নিয়ম রয়েছে। রমজান ইসলামিক ক্যালেন্ডারে নবম মাস। চাঁদের অবস্থানের ওপর নির্ভর করে প্রতি বছর রমজানের তারিখ পড়ে। হাজার হাজার বছর ধরে এই মাসে রোজা পালিত হয়ে আসছে।

পবিত্র রমজান শুরু হতে বাকি এখনও দুদিন। কিন্তু এরই মধ্যে জমে উঠেছে কলকাতার বিভিন্ন শপিংমলগুলো। ঈদের বাজারে বাংলাদেশিদের ভিড় চোখে পড়ার মতো।

কলকাতার মার্কুইজ স্ট্রিট, রফি আহমেদ কিদঁয় স্ট্রিট, সদর স্ট্রিটসহ পুরো নিউ মার্কেট এলাকার প্রায় সব আবাসিক হোটেল এখন কানায় কানায় পূর্ণ। আর এই এলাকার দোকান গুলোতেও উপচে পড়ছে বাংলাদেশি ক্রেতাদের ভিড়।

ঢাকা থেকে আসা এক বাংলাদেশি তরুণী তামান্না-র কথায় , ‘পবিত্র রমজান মাসে অনেকেই ঘর থেকে বের হন না, তাই রমজান শুরুর আগেই পরিবারের সদস্যদের জন্য পছন্দের কেনাকাটা করা হচ্ছে। তা ছাড়া কলকাতার দোকানগুলোতে হরেক রকম জিনিস পাওয়া যায়।’
তবে অনেকেই আবার কলকাতায় এসে নানান বিড়ম্বনার কথাও জানান। শাহীদ নামে ঢাকার এক ব্যবসায়ী জানান, তিনি কোনো ভালো আবাসিক হোটেল পাননি। এমনকি যে রুমের ভাড়া অন্য সময় ১ হাজার থেকে ১২০০ রুপি, সেই ভাড়া এখন প্রায় আড়াই হাজার রুপি। এ ছাড়া মুদ্রা বিনিময়ে কলকাতা ও সীমান্ত এলাকার মধ্যেও রয়েছে অনেক পার্থক্য। ফলে অনেক আশা নিয়ে কলকাতায় এলেও মনমতো থাকা কিংবা কেনাকাটা করার সুযোগ পাচ্ছেন না। মন খারাপ নিয়েই ফিরে যাচ্ছেন ঢাকায়।’

স্থানীয় কয়েকজন রেডিমেড গার্মেন্টস ব্যবসায়ী জানান, এবার ঈদের আগেই বেশ ভাল বিক্রি হওয়ায় গত কয়েক বছরের অর্থনৈতিক ক্ষতি পুষিয়ে নিতে পারব আমরা। তাই বাংলাদেশি ক্রেতাদের নানা রকম সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছি। কলকাতার বাংলাদেশি হোটেলপাড়া বলে পরিচিত নিউমার্কেট এলাকায় কমবেশি প্রায় তিন হাজার বএমন দোকান রয়েছে। এই ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানগুলোর বেশির ভাগ ক্রেতাই বাংলাদেশি পর্যটক। এই এলাকার অর্থনীতির চাকা আগের মতোই ফের সচল হওয়ায় খুশি কলকাতার নিউমার্কেট অঞ্চলের ব্যবসায়ীরা।

চলছে ইসলামের পবিত্র রমজান মাস।মুসলিমদের অনেকেই রোজা পালন করছেন। সূর্যদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত কোনও খাবার বা এক ফোঁটা জলও খান না। সূর্যাস্তের পর ইফতার বা রোজা ভাঙা হয়। রোজা রাখলে, তার অনেক উপকারিতা রয়েছে। তবে, অনেকেই মনে করেন রোজা রাখলে শরীর দুর্বল হয়ে পড়ে। এখন প্রশ্ন হল, বৃদ্ধের বা অসুস্থের জন্য কি এই রোজা পালন করা জরুরি?

রোজা শুধু একটি ধার্মিক বিষয় নয়। কারণ, শারীরিক অসুস্থতা থাকলে রোজা ভাঙা যায়। কিন্তু, তার মানে এই নয় যে সামান্য অসুখে রোজা ভেঙে ফেলা উচিত। রোজা পালনের সময় যদি কোনও রোগ বাড়ে তা হলে, রোজা পালন করার দরকার নেই। বা এমন বহু বৃদ্ধ আছেন যাঁরা রোজা রাখতে অক্ষম। তাঁদের ক্ষেত্রেও রোজার এই নিয়ম বাধ্যতামূলক নয়।

আল্লাহতায়ালা মনে করেন যে নিজেদের ক্ষতি করা একেবারেই উচিত নয়। তাঁদের বিশ্বাস যে আল্লাহ তাঁদের প্রতি দয়ালু। সে জন্যই অতিশয় বৃদ্ধের জন্য রোজা পালন করা জরুরি নয়। কারও রোজা ভাঙলে, তার বদলে অন্য় কাউকে দিয়ে ‘কাজা’ আদায় করানো হয় বা ফিয়াদ দেওয়া হয়। এই বিষয় আল্লাহতায়ালা  মনে করেন, শক্তিহীনদের কর্তব্য় হল ফিয়াদ দেওয়া এবং একজন মিসকিনকে অন্নদান করা। 

বিশেষজ্ঞরা জানিয়েছেন যে, উপোসের সময়ে শরীর থেকে টক্সিন বের হয়ে যায়। টানা রোজা রাখলে শরীরের কোষে তৈরি হয় একটি অবস্থা। একে বলে অটোফেজি। কী এই অটোফেজি? খুব সহজ করে বললে, কোষের ভেতরে প্রতি নিয়ত জঞ্জাল জমতে শুরু করে। অটোফেজি দশায় কোষ সেই জঞ্জাল খেয়ে ফেলে শরীরকে দূষণমুক্ত করে। সারাদিন যেহেতু না খেয়ে থাকতে হচ্ছে তাই  রমজানের সময় উপোসের আগে ও পরের খাবারের প্রতি খেয়াল রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজা ভাঙার পর এমন কিছু খাবার খাওয়া উচিত যা থেকে শরীরে বল পাওয়া যায়। এমনকী উপোসের আগেও এমনই পুষ্টিকর খাদ্য় খাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। এই পুষ্টিকর খাদ্য় তালিকায় আপনি রাখতে পারেন ফল, শস্য, বাদাম, সবজি ইত্যাদি।

সারাদিন যেহেতু না খেয়ে থাকতে হচ্ছে তাই  রমজানের সময় উপোসের আগে ও পরের খাবারের প্রতি খেয়াল রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষজ্ঞদের মতে, রোজা ভাঙার পর এমন কিছু খাবার খাওয়া উচিত যা থেকে শরীরে বল পাওয়া যায়। এমনকী উপোসের আগেও এমনই পুষ্টিকর খাদ্য় খাওয়া প্রয়োজন বলে মনে করেন চিকিৎসকরা। এই পুষ্টিকর খাদ্য় তালিকায় আপনি রাখতে পারেন ফল, শস্য, বাদাম, সবজি ইত্যাদি।

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন