প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
জন্মাষ্টমী তিথিতে বনগাঁর রাখালদাস বন্দ্যোপাধ্যায়ের পৈতৃক বাড়িতে দেবী দুর্গার কাঠাম পূজোর শুরু: দেখুন ভিডিও বনগাঁর স্বাদমোতী হোটেলে মিলল পচা মাংস ও মেয়াদ উত্তীর্ণ আলু , মিলেছে পোকা-মাকড়! বারবার অভিযানেও বদলাচ্ছে না অস্বাস্থ্যকর ছবি ৪ হাজার টাকার ইলিশ নিয়ে পগারপার মহিলা , মধ্যমগ্রাম মাছের বাজারের এমন কাণ্ডে হতবাক স্থানীয় ব্যবসায়ীরাও মহানায়ক উত্তমকুমারের জন্মশতবর্ষে বাঙালির আবেগ উস্কে শ্রদ্ধা জানালেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী পুজোর পরই পুরভোট! আপনার এলাকা কি তালিকায় আছে? আগামিকাল জেলাশাসকদের নিয়ে বৈঠকে রাজ্য নির্বাচন কমিশন, প্রস্তুতি তুঙ্গে

Prafulla Chaki: ব্রিটিশ বিরোধী আন্দোলনের অন্যতম বিপ্লবীর জন্মদিনে ফিরে দেখা বীর প্রফুল্ল চাকী

deshersamay

Share article:


অরিত্র ঘোষ দস্তিদার

ভারতবর্ষ তখন আঁধারে ডুবে; ঔপনিবেশিক শাসন; চারিদিকে প্রবল পরাক্রমী পীড়ন নীতি। পরাধীনতার বিপ্রতীপে তাই বাধ্য হয়ে শুরু হয়েছে সহিংস আন্দোলন। জন্ম নিয়েছেন এক একজন মৃত্যুঞ্জয়ী বীর। তীব্র প্রত্যয় তাঁদের “আঁধার রজনী ভয় কি জননী/ আমরা বাঁচাব এ-মহাদেশ”। উপস্থিত হলেন অকুতোভয় আরও দুই তরুণ; বা বলা যেতে পারে কৈশোরের শেষ ধাপ।

উপলব্ধি “সিংহবাহিনী জননী মোদের/ দেব সেনাপতি তনয় যার।” সত্যিই তো! যে ঐশী-ইঙ্গিতে চলে সৃষ্টি, যার ইচ্ছেতে স্থিতি ও লয়, তাঁর সন্তান হয়ে আমরা ভয় পাবো কেন? সাহস এজন্যই যে “তাহারি তো ছেলে আমরা সকলে/ মোদের কণ্ঠে মায়ের জয়।” মা বলতে দেশমাতা, ভারতমাতা। সেই মায়ের পরাধীনতায় যাদের অহরহ অস্বস্তি, তাদের একজন হলেন অগ্নিযুগের বিপ্লবী, স্বাধীনতা আন্দোলনের এক তরতাজা তরুণ প্রফুল্ল চাকী (১০ ডিসেম্বর ১৮৮৮ – ২ মে ১৯০৮)।

আজ তাঁর জন্মদিন। মুজফফরপুর অভিযানে তিনি বিপ্লবী ক্ষুদিরামের সঙ্গী ছিলেন। দুই কিশোর মারার পরিকল্পনা করলেন কিংসফোর্ড-কে, যিনি প্রেসিডেন্সি বিচারালয়ে ছিলেন পক্ষপাত-দুষ্ট এক মুখ্য হাকিম। যিনি বিপ্লবীদের বিরুদ্ধে যাবতীয় মামলায় অতি সক্রিয় হয়ে কঠোর সাজা শোনাতেন। বিচারক বলা যায় না তাকে; বলতে হয় হাকিম-রূপী এক কসাই।

পরিকল্পক হলেন প্রফুল্ল চাকী ও ক্ষুদিরাম বসু; যাবতীয় প্রস্তুতিও নিলেন। কিন্তু ১৯০৮ খ্রিষ্টাব্দের ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যাবেলা কিংসফোর্ডকে হত্যা করতে গিয়ে ভুলবশত দুইজন ব্রিটিশ মহিলাকে হত্যা করে ফেলেন তাঁরা। ঘটনার পর পালিয়ে গেলেও রেহাই পান নি। গ্রেপ্তারের সম্ভাবনা বুঝে প্রফুল্ল আত্মহত্যা করলেন।

কোনো কোনো ঐতিহাসিক অবশ্য বলেন, পুলিশ তাঁকে নৃশংসভাবে খুন করে দিয়েছে; আত্মহত্যার ঘটনা একেবারেই সাজানো। এদিকে ক্ষুদিরামকে গ্রেপ্তার করল পুলিশ। বিচারে ফাঁসির আদেশ দিল আদালত। তবুও মৃত্যু তাঁদের অমরত্বকে চাপা দিতে পারলো না। দেশপ্রেমের এই তীব্র তারুণ্য ভারতবাসীর মনে আজও প্রেরণা, ভারতমাতার পুজোয় আজও অনল-অগ্নিকুণ্ড।
তথ্য: কল্যাণ চক্রবর্তী

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন