Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
বনগাঁ পুরসভার নাকের ডগায় বাটামোড়ে ভাগাড়ের মাংস ও বিশেষ গুঁড়ো মশলা মেশানো শাহী বিরিয়ানি বিক্রির অভিযোগ পেতেই ঘটনাস্থলে পুলিশ, চক্ষু চড়কগাছ স্থানীয় বাসিন্দাদের: দেখুন ভিডিও জোড়া ভূমিকম্পের পরেও ২০ বার কেঁপেছে ভেনেজ়ুয়েলা, তছনছ রাজধানীর একাংশ, বহু মৃত্যুর আশঙ্কা ভূমিকম্পের মতো ঝাঁকুনি, বিস্ফোরণের মতো শব্দ!’  প্রত্যক্ষদর্শীদের ভয়াল বর্ণনা,  প্ল্যানেই গলদ ছিল’, তারাতলা কাণ্ডে ক্ষুব্ধ মুখ্যমন্ত্রী! তারাতলা গোডাউন বিপর্যয়:এ পর্যন্ত উদ্ধার ১৩, নামল সেনা, ঘটনাস্থলে যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী, কন্ট্রোল রুম খুলে হেল্পলাইন চালু নবান্নর ‘পুরোনো পদ্ধতিতে নয় আর কাজ নয়’, ব্রিকস সামিটে সতর্কবার্তা অজিত ডোভালের, বৈঠক চিনের বিদেশমন্ত্রীর সঙ্গে

অনুপ্রবেশকারীদের জন্য পেট্রাপোল সীমান্তের হোল্ডিং সেন্টারে ডিমভাতের ব্যবস্থা : দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:
অর্পিতা বনিক,দেশের সময়

রাজ্যে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর থেকেই সীমান্তে ভিড় বেড়েছে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের। তাঁদের রাখার জন্য বিভিন্ন হোল্ডিং সেন্টার খুলেছে বিজেপি সরকার। গত শনিবারই ধৃত ১৭ জন বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীকে নিয়ে আসা হয় পেট্রাপোলের হোল্ডিং সেন্টারে। ভারত–বাংলাদেশ সীমান্ত পেট্রাপোলে সরকারি একটি হোম তৈরি হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে। সেখানে ১৭ জন অনুপ্রবেশকারীকে আনা হয়েছে। ধৃত অনুপ্রবেশকারীদের একজন গাইঘাটায় থাকতেন। আর বাকি ১৬ জন ব্যারাকপুরে গা-ঢাকা দিয়েছিলেন বলে জানা যায়। দুপুরে অনুপ্রবেশকারীদের জন্য ডাল–ভাত, আলুভাজা ও ডিমের ঝোল ভাতের ব্যবস্থা করা হয়।

রাজ্য সরকারের নির্দেশিকার পরেই বনগাঁর পেট্রাপোলে জোরকদমে শুরু হয়েছে হোল্ডিং সেন্টার তৈরির প্রক্রিয়া। অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের জন্য হোল্ডিং সেন্টারটি তৈরি হয়েছে বনগাঁর পেট্রাপোল সীমান্ত লাগোয়া এলাকায়। ইতিমধ্যেই জেলা প্রশাসনের আধিকারিকরা দফায় দফায় ওই হোল্ডিং সেন্টার পরিদর্শন করেছেন।দেখুন ভিডিও

অনুপ্রবেশকারীদের চিহ্নিত করে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর নির্দেশিকা আগেই জারি করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী সম্প্রতি নবান্ন থেকে সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, পূর্বতন সরকার কেন্দ্রের সেই নির্দেশ পালন করেনি। তাঁর সরকার ক্ষমতায় আসার পর রাজ্যে ওই সংক্রান্ত আইন কার্যকর করা হয়েছে।

শুভেন্দুর ঘোষণার পর রাজ্য সরকারের তরফেও নির্দেশিকা জারি করে দেওয়া হয়েছে। রাজ্যের বিভিন্ন জায়গার পাশাপাশি পেট্রাপোল সীমান্তে একটি সরকারি হোমকেই হোল্ডিং সেন্টার হিসেবে তৈরির প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। রাজ্যের খাদ্য ও সমবায় মন্ত্রী অশোক কীর্তনীয়া বলেন, ‘কোনও অনুপ্রবেশকারী পশ্চিমবঙ্গে থাকবে না।অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের হোল্ডিং সেন্টারে রাখা হবে। তার পর তাদের বাংলাদেশে পাঠানো হবে।’

Advertisement
Tags: News

সর্বশেষ খবর

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.