মাঝ আকাশেই ‘মে ডে’ ঘোষণা করলেন পাইলট। ১৬৮ জন যাত্রীদের নিয়ে বেঙ্গালুরুতে জরুরী অবতরণ করল গুয়াহাটি থেকে চেন্নাইগামী ইন্ডিগো বিমান। সূত্রে খবর, জ্বালানি তেলের ঘাটতির কারণেই এই সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছেন পাইলট। এই ঘটনার পর ইতিমধ্যে বিমানের দুই পাইলটকে ডিউটি থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (ATC)সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ বিমানের জরুরি অবতরণের সময় রানওয়ের পাশে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল চিকিৎসা ও দমকল কর্মীদের। যদিও শেষপর্যন্ত কোনও বিপদ ঘটেনি, নিরাপদেই অবতরণ করে বিমানটি।
এই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই শুক্রবার আরও একটি ঘটনা ঘটে যায়। চেন্নাই থেকে মাদুরাই যাওয়ার পথে ইন্ডিগোর একটি বিমান মাঝআকাশে প্রযুক্তিগত ত্রুটির সম্মুখীন হয়। বড় দুর্ঘটনার এড়াতে সঙ্গে সঙ্গে পাইলটেরা চেন্নাই ফিরে যাওয়ার অনুমতি চান। বিমানে প্রায় ৬৮ জন যাত্রী ছিলেন। নিরাপদে অবতরণের পর সবাইকে সুরক্ষিতভাবে নামিয়ে আনা হয়।
এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল (ATC)সূত্রে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার রাত ৮টা ২০ মিনিট নাগাদ বিমানের জরুরি অবতরণের সময় রানওয়ের পাশে প্রস্তুত রাখা হয়েছিল চিকিৎসা ও দমকল কর্মীদের। যদিও শেষপর্যন্ত কোনও বিপদ ঘটেনি, নিরাপদেই অবতরণ করে বিমানটি।
‘মে ডে’ কী?
সবচেয়ে জটিল বিপদের সঙ্কেত। পাইলটরা তিনবার বলেন—“Mayday, Mayday, Mayday”। এই সঙ্কেত দিলে সঙ্গে সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। প্রথম এই কল প্রথম ব্যবহার হয় ১৯২৩ সালে, আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পায় ১৯২৭ সালে। ২০০৯ সালে নিউ ইয়র্কে ‘Miracle on the Hudson’ ঘটনার সময় ক্যাপ্টেন সুলেনবার্গার ‘Mayday’ সঙ্কেত দিয়েই যাত্রীদের প্রাণ বাঁচিয়েছিলেন।
প্রসঙ্গত ,গত ১২ জুন আমদাবাদ বিমান দুর্ঘটনায় কেঁপে উঠেছে গোটা দেশ। বিমানবন্দর থেকে টেকঅফের কয়েক সেকেন্ডের মধ্যেই ভেঙে পড়ে এয়ার ইন্ডিয়ার বোয়িং ৭৮৭ ড্রিমলাইনার। ২৪১ জন যাত্রী, দু’জন পাইলট, ১১ জন ক্রু সদস্য-সহ প্রায় ২৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানা যায়।



