প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘যাঁদের বিরুদ্ধে লড়াই, সেই বামেরাই বন্ধু মমতার’, সিপিআইএম-এর সঙ্গে হাত মেলাতেই কটাক্ষ শুভেন্দুর •‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা

Gaighata: খাদ্য দফতরে চাকরির নামে ৩ লক্ষ টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠল গাইঘাটার এক মহিলার বিরুদ্ধে

deshersamay

Share article:

দেশের সময়, গাইঘাটা: খাদ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে লক্ষাধিক টাকার প্রতারণার অভিযোগ। মহিলাকে ঘরে বন্দি করে রাখলেন এলাকার বাসিন্দারা। স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, চাঁদপাড়া ফুলসরা এলাকার বাসিন্দা অর্চনা চিন্তাপাত্রর ছেলেকে খাদ্য দফতরের চাকরি দেবেন বলে জানিয়েছিলেন প্রতিবেশী মায়া ঘোষ নামে এক মহিলা। অভিযোগ, ধাপে-ধাপে অর্চনা দেবীর কাছ থেকে মায়া দেবী মোট ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা নেন।

তবে চাকরি পাননি অর্চনার ছেলে। অভিযোগ, এরপর মায়া ঘোষের কাছে টাকা ফেরত চাইলে তিনি টাকা নেওয়ার কথা অস্বীকার করেন। বুধবার সকালে স্থানীয় বাসিন্দারা মায়া ঘোষকে তাঁর বাড়ি থেকে নিয়ে এসে অর্চনার বাড়িতে আটকে রাখেন। এবং টাকার দাবি করেন।

অর্চনা দেবী জানিয়েছেন, মায়া ঘোষের ছেলেমেয়েরা বিভিন্ন সরকারি দফতরে চাকরি করেন। অর্চনার সঙ্গে আত্মীয়তা পাতিয়ে তাঁর ছেলেকে খাদ্য দফতরে চাকরি দেওয়ার নাম করে ৩ লক্ষ ৬৫ হাজার টাকা নিয়েছেন মায়া। বর্তমানে তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করেছেন। সেই কারণে তিনি মায়ার বিরুদ্ধে গাইঘাটা থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন । অপরদিকে, মায়া ঘোষের দাবি, তিনি কোনও টাকা নেননি। স্থানীয় বাসিন্দারা চক্রান্ত করে তাঁকে বাড়িতে আটকে রেখে মারধর করছেন।

এ বিষয়ে গাইঘাটা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি গোবিন্দ দাস জানিয়েছেন যে, মায়া ঘোষ সম্ভ্রান্ত পরিবারের মেয়ে। তিনি বিভিন্ন সময়ে মানুষের কাছ থেকে বিভিন্নভাবে টাকা নিয়েছেন জানা যাচ্ছে। তবে কেন এমনটা করছেন জানা নেই। বিষয়টি তিনি প্রশাসনকে জানিয়েছেন। যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বলেছেন। গোবিন্দ বাবুর আরও দাবি করে বলেন, ‘মায়া একসময় বামফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিল। এখন তিনি কোনও রাজনৈতিক দল করেন না।’

এ বিষয়ে সিটু-র উত্তর ২৪ পরগনা জেলা কমিটির কার্যকারী কমিটির সদস্য কপিল ঘোষ বলেন, ‘মায়া ঘোষ অনেক আগে বামফ্রন্টের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। বর্তমানে তাঁর সঙ্গে দলের কোনও সম্পর্ক নেই।’

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন