Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Export Importবাংলাদেশ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের! স্থলবন্দর দিয়ে পাট জাতীয় পণ্য সহ ৯ পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করল ভারত সরকার: দেখুন ভিডিও

deshersamay

Share article:
রাহুল দেবনাথ দেশের সময়

বাংলাদেশ নিয়ে বড় সিদ্ধান্ত কেন্দ্রের। চাপানো হল বড় নিষেধাজ্ঞা। বাংলাদেশের স্থলবন্দর দিয়ে  ৯ পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করল ভারত সরকার। শুক্রবারই বৈদেশিক বাণিজ্য দফতর বা ডিরেক্টর জেনারেল অব ফরেন ট্রেডের তরফে এই নির্দেশিকা জারি করা হয়।

জানা গিয়েছে, কাঁচা পাট, পাটের রোল, পাটের সুতো, বোনা ফ্লেক্স কাপড় ও বিশেষ ধরনের কাপড় সহ ৯ ধরনের পণ্য আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বাংলাদেশের স্থলবন্দর দিয়ে আর এই জিনিসগুলি আমদানি করা হবে না। তবে জলপথে, মুম্বইয়ের নভ সেবা সমুদ্র বন্দর দিয়ে আমদানি করা যাবে। সেক্ষেত্রে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই। জলপথ খোলা রাখা হয়েছে। স্থলবন্দর দিয়ে ভারত হয়ে নেপাল, ভুটানে পণ্য রফতানিতে কোনও বাধা নেই। দেখুন ভিডিও

ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্থলবন্দরের উপরেই বেশি নির্ভরশীল কারণ একাধিক আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে দুই দেশের মধ্যে। তবে এবার স্থলপথে বাণিজ্যের রাস্তা কার্যত বন্ধ করে দিল ভারত।

উল্লেখ্য,এর আগে, গত ১৭ মে বাংলাদেশ থেকে রেডিমেড পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফল ও ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, কোল্ড ড্রিঙ্কস, প্লাস্টিক, কাঠের আসবাবপত্র, সুতো, সুতো দিয়ে তৈরি জিনিস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। তার আগে ৯ এপ্রিল কলকাতা বিমানবন্দর দিয়েও বাংলাদেশে পণ্য রফতানি বন্ধ করে দেওয়া হয়।

ভারতের পেট্রাপোল ক্লিয়ারিং অ্যান্ড ফরওয়ার্ডিং এজেন্ট স্টাফ ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক কার্তিক চক্রবর্তী বলেন, বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে একের পর এক নতুন সিদ্ধান্ত নেওয়ায় হতাশায় ভুগছেন স্থানীয় ব্যবসায়ীরা। তবে ভারত সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে সেটা সকলকে মানতে হবে। সরকারের কাছে আবেদন করব এই ব্যাবসায়ীদের দিকটাও দেখার জন্য। বেনাপোল বন্দর দিয়ে প্রতিদিন ভারতে প্রায় ২৫০ থেকে ৩০০ ট্রাক পণ্য রপ্তানি হত, যার মধ্যে শতাধিক ট্রাকে থাকে তৈরি পোশাক ও ১৫০ গাড়ি পাটজাত পণ্য থাকে। যৌক্তিক কারণ ছাড়া এমন নিষেধাজ্ঞায় দুই দেশই ক্ষতিগ্রস্ত হবে বলে মনে করছেন সীমান্ত ব্যবসায়ীরা।

ভারতীয় আমদানি কারক মীর আবদুল হাসেম বলেন দেশের স্বার্থের জন্য সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে তাকে আমরা সাধুবাদ জানাই। কিন্তু কেন্দ্র সরকারের এই সিদ্ধান্তের জন্য বনগাঁ সীমান্তে আমদানি রপ্তানির সাথে যুক্ত ব্যবসায়ীদের অনেক সমস্যায় পড়তে হবে। পাট ব্যবসার সাথে যুক্ত ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে শ্রমিক সহ  ট্রাক চালকেরাও  কাজ হারাবে। দেশের অনেক ছোট ছোট আমদানিকারকরা বাংলাদেশ থেকে পার্ট ও পাটজাত দ্রব্য আমদানি করতেন। এসব ছোট আমদানিকারকরা সমুদ্রপথে এই পণ্য আমদানিতে নিরুৎসাহিত হবেন। তাছাড়া এই নিষেধাজ্ঞায় ছোট ছোট ব্যবসায়ীরা আর টিকে থাকতে পারবে-না বলে ধারণা।


বেনাপোল সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট স্টাফ অ্যাসোসিয়েশনের সেক্রেটারি সাজিদুর রহমান জানান, বেনাপোল স্থলবন্দর দিয়ে প্রতিদিন শতাধিকেরও বেশি ট্রাক পাট ও পাটজাত দ্রব্য ভারতে রপ্তানি হয়। ভারতের বাণিজ্য মন্ত্রণালয় হঠাৎ করে স্থলপথে পাট ও পাটজাত পণ্য আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করায় অনেক ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা কাজ হারিয়ে বেকার হয়ে পড়বে।

স্থানীয় সিঅ্যান্ডএফ ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা জানান, এভাবে একের পর এক পণ্য আমদানি-রপ্তানিতে ভারত সরকারের নিষেধাজ্ঞায় পেট্রাপোল -বেনাপোল বন্দরে পণ্যের জোগান কমতে শুরু করেছে । ফলে বন্দর ব্যবহারকারী সকল প্রতিষ্ঠান হতাশায় ভুগছেন।

প্রসঙ্গত উল্লেখ্য,  বাংলাদেশের বিপুল রাজস্ব আয় হত এই পণ্যগুলি রফতানি করে। ২০২৩-২৪ অর্থবর্ষে বাংলাদেশ থেকে ভারতে ১ হাজার ৬৪৫ কোটি টাকার এই ৯ পণ্য রফতানি হয়েছিল। এর মধ্যে ৯৯ শতাংশই স্থলবন্দর দিয়ে হয়েছিল।

ভারতের সঙ্গে যোগাযোগ ও বাণিজ্যের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ স্থলবন্দরের উপরেই বেশি নির্ভরশীল কারণ একাধিক আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে দুই দেশের মধ্যে। তবে এবার স্থলপথে বাণিজ্যের রাস্তা কার্যত বন্ধ করে দিল ভারত।
এর আগে, গত ১৭ মে বাংলাদেশ থেকে রেডিমেড পোশাক, প্রক্রিয়াজাত খাবার, ফল ও ফলের স্বাদযুক্ত পানীয়, কোল্ড ড্রিঙ্কস, প্লাস্টিক, কাঠের আসবাবপত্র, সুতো, সুতো দিয়ে তৈরি জিনিস আমদানিতে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছিল। তার আগে ৯ এপ্রিল কলকাতা বিমানবন্দর দিয়েও বাংলাদেশে পণ্য রফতানি বন্ধ করে দেওয়া হয়।এবার পাট জাতীয় পণ্যের উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করল ভারত সরকার।

এবার পাট জাতীয় পণ্যের উপরেও নিষেধাজ্ঞা জারি করল ভারত সরকার। এই বিজ্ঞপ্তি জারি করার পর সীমান্ত বাণিজ্যে  আংশিক প্রভাব পড়েছে উত্তর ২৪ পরগনার পেট্রাপোল সীমান্ত বন্দরেও।

Advertisement
Tags: News

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন