Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Adenovirus : ‘অ্যাডিনোভাইরাসে মৃত্যু দুই শিশুর, বাকিরা কোমর্বিডিটির শিকার!’ টেলিমেডিসিনের ব্যবস্থা নিচ্ছি: বললেন মমতা

deshersamay

Share article:

দেশেরসময় ওয়েবডেস্কঃ অ্যাডেনোভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ৷

অ্যাডেনোভাইরাস থেকে বাঁচতে কী কী পদক্ষেপ জরুরি ভিত্তিতে করতে হবে সে নিয়ে প্রায় রোজই স্বাস্থ্যসচিব, রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন মমতা। আজকের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, অ্যাডেনোভাইরাস এখনও মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছয়নি। তাই আতঙ্ক করার কোনও কারণ নেই।

ডেনোভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকাতে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে বলে বৃহস্পতিবারের বৈঠকে জানালেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । অ্যাডেনোভাইরাস থেকে বাঁচতে কী কী পদক্ষেপ জরুরি ভিত্তিতে করতে হবে সে নিয়ে প্রায় রোজই স্বাস্থ্যসচিব, রাজ্যের স্বাস্থ্য আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করছেন মমতা। আজকের বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বললেন, অ্যাডেনোভাইরাস এখনও মহামারীর পর্যায়ে পৌঁছয়নি। তাই আতঙ্ক করার কোনও কারণ নেই।

মমতা বললেন, ভাইরাস সংক্রমণে রাজ্যে দু’জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বাকি দশ জন শিশুর মৃত্যুর কারণ নানা কোমর্বিডিটি। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “ভাইরাস এখনও এপিডেমিক হয়নি। ভয় পাওয়ার কারণ নেই। অযথা আতঙ্ক বাড়াবেন না।”

ইতিমধ্যেই রাজ্যের স্বাস্থ্যসচিব ও মুখ্যসচিবের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নবান্ন সূত্রের খবর, সেই বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী বলেছিলেন, অ্যাডেনোভাইরাসের মোকাবিলায় যা যা প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ তা দেরি না করে করতে হবে। যদি নতুন কোনও নির্দেশাবলি বহাল করতে হয়, তাও যেন করা হয়।

ভাইরাস ঠেকাতে কী কী পদক্ষেপ নিতে হবে সে বিষয়ে নতুন অ্যাডভাইসরিও জারি করেছে রাজ্য সরকার। মুখ্যসচিব হরিকৃষ্ণ দ্বিবেদী বলেছেন, ভাইরাল জ্বর, শ্বাসকষ্ট বা নিউমোনিয়ায় এখনও অবধি পাঁচ হাজারের বেশি শিশু আক্রান্ত। এর মধ্যে মাত্র ১২টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইনফেকশনের (শ্বাসের জটিল অসুখ, তীব্র শ্বাসকষ্ট হয় রোগীর) কারণে।
মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, বারোটা কেসের মধ্যে মাত্র দুটো অ্য়াডেনোভাইরাস। বাকিগুলো কিন্তু তা নয়।

কোমর্বিডিটি রয়েছে অসুস্থ শিশুদের মধ্যে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় পাঁচ হাজার শয্যা প্রস্তুত আছে। ৬০০ জন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ দিবারাত্র কাজ করছেন। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “পরিজন যাঁরা আছেন তাদের একটু বেশি যত্ন নিতে হবে। বাচ্ছারা মাস্ক পড়তে পারে না। আমি তো ভেবেছিলাম প্রাথমিক স্কুলে ছুটি দিয়ে দেব এই বারোটা বাচ্চাকেও বাঁচাতে পারলে খুশি হতাম।
পরিস্থিতির উপর সজাগ নজর রয়েছে সরকারের। “

রাজ্যের স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, শিশুদের স্বাস্থ্য পরিষেবায় প্রতিটি হাসপাতালকে বিশেষ নজর দিতে হবে। শিশু হাসপাতাল তো বটেই, মেডিক্যাল কলেজ, জেলা হাসপাতাল-সহ প্রতিটি সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রাখতে হবে ‘অ্যাকিউট রেসপিরেটরি ইনফেকশন’ অর্থাৎ এআরআই চিকিৎসার ব্যবস্থা।

এআরআই চিকিৎসার জন্য রাজ্যের ১২১টি হাসপাতালে পাঁচ হাজার শয্যার ব্যবস্থা করা হয়েছে।

হাসপাতালগুলিতে এই মুহূর্তে ৬০০ জন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডিউটিতে থাকবেন। ওপিডি-তে রাখতেই হবে অন্তত একজন শিশুরোগ চিকিৎসককে। ২৪৭৬টি ‘সিক নিউ বর্ন কেয়ার ইউনিট’, ৬৫৪টি পিআইসিইউ বেড ও ১২০টি এনআইসিইউ বেড তৈরি রাখা হয়েছে। শিশুদের চিকিৎসার ক্ষেত্রে মূলত কী ধরনের ওষুধ ব্যবহার করা হবে, তার একটি তালিকা প্রস্তুত করা হয়েছে। 

তাছাড়া টেলিমেডিসিনের ওপর জোর দিতে বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকে তিনি জানান, বাচ্চাদের জেলা থেকে শহরের হাসপাতালে নিয়ে আসতে আসতেই দেরি হয়ে যাচ্ছে। এই সময়ে রেফার করা ঠিক হবে না। বরং জেলার ডাক্তাররা টেলি মেডিসিনে যোগাযোগ করুন।

আতঙ্কিত হওয়ার কারণ নেই বলে জানিয়েছেন মুখ্যসচিবও। তিনি বলেছেন, “ঋতু বদলের এই সময়ে এই ধরনের কিছু ভাইরাস ঘটিত রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা যায়। এখনও পর্যন্ত আমাদের রাজ্যের যা অবস্থা তা কিন্তু উদ্বেগজনক নয়। আতঙ্ক সৃষ্টির তেমন কোনও কারণ নেই। প্রি-ম্যাচিওর শিশুদের ক্ষেত্রে এমনটা দেখা যায় বলেই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা জানিয়েছেন।”

যে কোনও সমস্যা হলে ২৪ ঘণ্টার ফোন নম্বর চালু করা হয়েছে। ১৮০০৩১৩৪৪৪২২২ হেল্পলাইন নম্বরে ফোন করলে সবরকম সাহায্য পাওয়া যাবে বলে আশ্বস্ত করেছেন মুখ্যমন্ত্রী।

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন