Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

অবশেষে ২০ বছর পর কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা , কি বললেন দিলীপ ঘোষ!

deshersamay

Share article:

পেরিয়ে গিয়েছে ২০ বছর। অবশেষে কলকাতায় ফিরছেন তসলিমা নাসরিন। এবার এই প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। বুধবার সকালে তিনি জানালেন, ‘মৌলবাদের চাপে তসলিমাকে ঘরছাড়া করেছিল সিপিএম। ভারতের পরম্পরা বিশ্বের সমস্ত অত্যাচারিত মানুষের পাশে দাঁড়ানো। তাঁকে যারা তাড়িয়েছিল মানুষ তাদেরকে তাড়িয়েছে। সিপিএম যা করে গেছে তৃণমূল সেই মৌলবাদীদের হাতে ক্ষমতা তুলে দিয়েছিল। তৃণমূলের জামা পরে মৌলবাদীরা যা ইচ্ছা করেছে। তার পরিণাম তৃণমূলকে ভুগতে হয়েছে।’ 

এরপরই মদন মিত্রের প্রসঙ্গে তিনি বললেন, ‘কে ভাল তৃণমূল কে খারাপ তৃণমূল এটা নিয়ে আমাদের কোনও মাথা ব্যথা নেই। সার্টিফিকেট দেওয়ার দরকার নেই। যারা অপরাধমূলক কাজকর্মে জড়িত তাদের কাছে সমন যাবে এটাই স্বাভাবিক। সে কোন পার্টিতে আছে দেখা হবে না। হাজার হাজার লোকের কাছে নোটিশ গেছে। বেআইনি কাজের তদন্ত হচ্ছে। কাল রাতে গিয়েছিলেন মদন মিত্র। দেখা হয়নি। তাই সন্দীপনের বাবা স্বর্ণকমলের সঙ্গে দেখা করেছেন। উনি আগে ইডি অফিসারদের সঙ্গে দেখা করুন। নাহলে তো সন্দীপন ইডি থেকে বাঁচাতে পারবে না। ইডি ক্লিন চিট দিলে দেখা যাবে।’ 

সাংসদ কল্যাণ ব্যানার্জি বলেছেন একা ক্যামাক স্ট্রিট তৃণমূল দলটাকে শেষ করে দিল। এ প্রসঙ্গে দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘উনি নিজে কোন দিকে আছেন? কখন কোন দিকে যাচ্ছেন? সেটা আগে ঠিক করুন। উনি কনফিউজ। একটা পা কালীঘাটে। আরেকটা ঋতব্রতর দিকে। ১৯৮৯ সালে তৃণমূলের সূচনায় একই ধরনের জিনিস হয়েছিল। লোকসভা ভোটের মুখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তৃণমূল গড়েছিলেন। তখন কংগ্রেস নেতাদের মধ্যে এই ধরনের কনফিউশন তৈরি হয়েছিল। তখন অনেকে আমাকে জিজ্ঞাসা করেছিল কোন দিকে যাব? কংগ্রেস চিরকাল কনফিউজ। সারা দেশকে কনফিউজ করেছে। তার সঙ্গে যারা যুক্ত তারাও কনফিউজ। এই ড্রামা চলছে। কিছু লোক বেরিয়ে এসেছে। কিছু ফিরে যাবে। কিছু লোক আলাদা গোষ্ঠী হয়ে কিছুদিন থাকবে। বাংলার রাজনীতিতে এই ড্রামা খোলাখুলি আমরা প্রথমবার দেখলাম। বিরোধী দল তাদের দায়িত্ব পালন করুন এটুকুই বলব।’ 

অভিষেককে সরিয়ে দিলেই কি তৃণমূলের সঙ্কট মুক্তি? দিলীপ ঘোষের দাবি, ‘এই ধরনের প্রেসক্রিপশন অনেকে দিচ্ছেন। কিন্তু রোগ মাথায় উঠে গেছে। একটা হাত বা পা কেটে দিলে হবে না। রোগ অনেক গভীরে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় জেনেশুনে মাথায় চড়তে দিয়েছেন। ওনার নাম করে সবাই যথেষ্ট খেয়েছে। এবার কাউকে বলির পাঁঠা করতে হবে। কিন্তু বহু এরকম লোক তৃণমূলে আছে যারা আজকের তৃণমূলের এই সর্বনাশের জন্য দায়ী।’ 

ব্রিগেডে তৃণমূল শহিদ দিবস করতে নারাজ। এবার দিলীপ জানালেন, ‘কালীঘাটে করুন। কালীঘাট তৃণমূলে এখন কতজন লোক আছে সেটা ওরা নিজেও জানে না। কালীঘাটে করলে লজ্জার হাত থেকে বাঁচবেন। কাদা নয়। কাদা গায়ে লেগে আছে। আসলে ব্রিগেডে করার লোক নেই। রেড রোডে যারা নামাজ পড়তেন তারা সুন্দর করে ব্রিগেডে নামাজ পড়েছেন। তৃণমূলের যদি দম থাকে ব্রিগেডে করুন। নাহলে ঘরের মধ্যে শহিদ দিবস করুন। ছবিতে মালা দিন। রাস্তায় করতে না পারলে সম্মানের সঙ্গে ঘরের মধ্যে করুন।’ 

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন