

ক্ষমতায় এসেই সীমান্তে নজরদারির প্রয়োজনে কাঁটাতারের বেড়া তৈরির জন্য জমি দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিজেপি সরকার। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ঘোষণা করেছেন, আগামী ৪৫ দিনের মধ্যে সীমান্ত এলাকায় কাঁটাতারের জন্য প্রয়োজনীয় জমি তুলে দেওয়া হবে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র দপ্তরের হাতে। মুখ্যমন্ত্রীর ঘোষণার পর পেট্রাপোল সীমান্তবর্তী পীরোজপুর , কালিয়ানী গ্রাম গুলিতে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। গোটা সীমান্তে কাঁটাতারের বেড়া তৈরি হলে একদিকে নিরাপত্তা জোরদার হবে, অনুপ্রবেশ ও চোরাচালান রোধ করা সম্ভব হবে। তবে পাশাপাশি কৃষিজীবী, মৎস্যজীবী এবং এলাকার বাসিন্দারা এ বিষয়ে কী বলছেন শুনুন।

একাধিক সীমান্তবর্তী এলাকায় কাঁটাতারের সমস্যা রয়েছে। অনেক জায়গায় সীমান্ত লাগোয়া গ্রামে মানুষের বসবাস থাকায় কাঁটাতারের সমস্যা রয়েছে। অনেক জায়গায় কাঁটাতারের জন্য প্রয়োজনীয় জমি না পাওয়ায় কাঁটাতারের বেড়া তৈরি করা সম্ভব হয়নি। দেখুন ভিডিও

পেট্রাপোল সীমান্তের আমদানি রপ্তানির সঙ্গে যুক্ত ব্যবসায়ীদের দাবি, সীমান্তে অবৈধ পণ্য যাতায়াত কমলে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য আরও নিয়ন্ত্রিত হবে। যে এলাকায় সীমান্ত বরাবর নদী বয়ে গিয়েছে, সেখানে নদীর পাড় বরাবর যদি কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া হয়, সে ক্ষেত্রে এলাকার মৎস্যজীবীদের নদীতে মাছ ধরতে বা নৌকা চলাচলের ক্ষেত্রে সমস্যা হতে পারে বলে দাবি মৎস্যজীবাদের।

সীমান্ত এলাকার মৎসজীবীদের কথায়, ‘সীমান্ত সুরক্ষার প্রয়োজনে ইছামতী নদী , নাওভাঙা নদী সহ বিভিন্ন খালের তীরের দিকে কাঁটাতার হলে দেশের নিরাপত্তা বাড়বে। কিন্তু আমরা যারা নদীতে মাছ ধরি তাদের কী হবে?’ ‘সীমান্তে নজরদারি বাড়লে ভালো হয়। কিন্তু রাতে নদীতে মাছ ধরতে যাওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যা হবে। বিএসএফের অনুমতি ছাড়া নদীতে নামতে পারবেন না মৎসজীবী ।’





