Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

হুঁশিয়ারি ইমরানের,ভারত আক্রমণ করলে পালটা জবাব দিতে প্রস্তুত পাকিস্তান

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েব ডেস্কঃ

পুলওয়ামায় জঙ্গি হানার পরে মঙ্গলবার সাংবাদিক বৈঠক করলেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। তিনি ভারতকে স্পষ্ট হুঁশিয়ারি দিলেন, পুলওয়ামায় জঙ্গি হানার পরে ভারত যদি পাকিস্তানে আক্রমণ চালায়, তাঁরাও পালটা জবাব দিতে তৈরি আছেন। তাঁর অভিযোগ, ভারত বিনা প্রমাণে পাকিস্তানকে ওই জঙ্গি হানার জন্য দায়ী করছে। ভারত নিজেই অভিযোগ তুলছে, নিজেই বিচারক ও জুরির ভূমিকা পালন করছে।

সোমবারই রাষ্ট্রসঙ্ঘে চিঠি দিয়ে পাকিস্তানের সরকার অনুরোধ করেছে, দুই দেশের মধ্যে উত্তেজনা কমাতে যেন অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া হোক। তাদের অভিযোগ, বার বার বলা সত্ত্বেও ভারত কাশ্মীর নিয়ে তৃতীয় পক্ষকে মধ্যস্থতা করতে দিতে রাজি নয়।গত ১৪ ফেব্রুয়ারি কাশ্মীরের পুলওয়ামা জেলায় সিআরপিএফের কনভয়ে হামলা করে জঙ্গি সংগঠন জইশ ই মহম্মদ। এই সংগঠনটিকে নিয়মিত মদত দেয় পাকিস্তানের সেনাবাহিনী ও গোয়েন্দা সংস্থা আইএসআই। জইশের প্রধান নেতা মৌলানা মাসুদ আজহার পাকিস্তানেই থাকেন। সেখানে তিনি নিরাপদে ঘুরে বেড়ান।

কিন্তু ইমরান খানের বক্তব্য, পাকিস্তান সন্ত্রাসবাদে মদত দেয় না। সে নিজেই সন্ত্রাসবাদের শিকার। ভারত যদি প্রমাণ দিতে পারে পুলওয়ামায় জঙ্গি হানার সঙ্গে কোনও পাকিস্তানি জড়িত তাহলে পাকিস্তানের সরকার নিশ্চয় তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে।

এর আগে ২৬/১১-র জঙ্গি হানা নিয়ে পাকিস্তানের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফও একই কথা বলেছিলেন। তিনি বলেন, ভারত যদি মুম্বই হামলায় কোনও পাকিস্তানির জড়িত থাকার কথা প্রমাণ করতে পারে, আমরা তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেব। কিন্তু তার পরে এক দশকের বেশি কেটে যাওয়ার পরেও পাকিস্তান জঙ্গিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়নি।

ইমরান বলেন, তিনি ভারতের মিডিয়াতে দেখেছেন, অনেকে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে আক্রমণ করার কথা বলছে। এর পরেই তিনি ঘোষণা করেন, ভারত যদি আক্রমণ করে আমরাও চুপ করে বসে থাকব না। পালটা আক্রমণ করব।

তাঁর অভিযোগ, আমরা যখনই কাশ্মীরের কথা তুলি, ভারত কাশ্মীর বিতর্ক তোলে। পরে তিনি কৈফিয়ৎ দেন, কেউ যদি আমাদের দেশ থেকে গিয়ে ভারতে হামলা চালায়, তাতে আমাদের কোনও উদ্দেশ্য সাধিত হয় কি?

তাঁর অভিযোগ, ১৪ ফেব্রুয়ারি ওই আক্রমণের পরে ভারতে যুদ্ধের মতো পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ করা হচ্ছে, আমরা নাকি সন্ত্রাসবাদে মদত দিয়ে থাকি। ভারতের বোঝা উচিত, একতরফা সেনা অভিযান চালিয়ে কাশ্মীর বিতর্কের সমাধান হবে না। ভারতের উচিত, তার নিজের রাজনীতি খতিয়ে দেখা।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.