Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

উষ্ণতার রেকর্ড ছুঁতে চলেছে মার্চ? কী বলছেন আবহাওয়াবিদরা!

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ ৩৬.৬ ডিগ্রি পর্যন্ত সর্বোচ্চ তাপমাত্রা উঠেও উষ্ণতম ফেব্রুয়ারির তকমা মেলেনি বঙ্গের । তবে এবার হয়ত আর রক্ষে নেই। চলতি বছরের মার্চ মাস উষ্ণতার রেকর্ড ছুঁতে চলেছে। এমনটাই পূর্বাভাস দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। এখনও পর্যন্ত মার্চ মাসে সর্বাধিক ৪১ ডিগ্রি পর্যন্ত তাপমাত্রার রেকর্ড রয়েছে। তবে অতীতের এই হিসেবকেও ছাড়িয়ে যাওয়ার আশঙ্কা করছেন আবহাওয়াবিদরা। তারা জানাচ্ছেন, বছরের দ্বিতীয় উষ্ণতম মাস হতে চলেছে ২০২১-এর মার্চ।

আলিপুর আবহাওয়া দফতর জানান দিচ্ছে, মঙ্গলবার শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ২৩.১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। যা স্বাভাবিকের থেকে তিন ডিগ্রি বেশি। সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৫.২। যা স্বাভাবিকের থেকে ৪ ডিগ্রি বেশি। বাতাসে আপেক্ষিক আর্দ্রতার পরিমাণ রয়েছে সর্বাধিক ৯৫ শতাংশ। বছরের এই তৃতীয় মাসেই গলদঘর্ম অবস্থা শহরবাসীর। যা নিয়ে উদ্বিগ্ন পরিবেশবিদরাও। উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে আসা জলীয় বাষ্পহীন শুকনো হাওয়ায় জেরই দক্ষিণবঙ্গে এই রকম ভ্যাপসা গরমের অভিজ্ঞতা হচ্ছে বলে তাদের ধারনা। বিশেষজ্ঞদের একাংশের আশঙ্কা দ্রুত বৃষ্টি এসে কিছুটা স্বস্তি না দিলে বাংলার কপালে দুর্গতি রয়েছে। দিনের পর দিন এই অবস্থা বজায় থাকলে কলকাতা সহ গোটা দক্ষিণবঙ্গ ‘হিট আইল্যান্ড’ হয়ে উঠবে বলেও মনে করা হচ্ছে।

মূলত কংক্রিটের জঙ্গলে ঘেরা সবুজহীন পরিবেশই এই তাপমাত্রা বৃদ্ধির কারণ বলেও জানাচ্ছেন পরিবেশবিদরা। হাওয়া অফিসের তরফে জানানো হয়েছে, বাতাসে অতিরিক্ত বাষ্প ঢুকে পড়ার জেরে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থাকা সত্ত্বেও ৪১ ডিগ্রির মতো অনুভূত হবে। আপাতত সপ্তাহখানেক এমন অবস্থাই চলবে কলকাতায়। বৃষ্টিপাতের কোনও সম্ভাবনা নেই।

অন্যদিকে, মৌসম ভবন জানাচ্ছে, প্রশান্ত মহাসাগরে ‘লা নিনা’ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মহাসাগরের পূর্ব দিকের বিস্তীর্ণ অংশে সমুদ্রের জলের উপরের তলের গড় তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে কিছুটা কমে গিয়েছে। সামনের কয়েক মাস এই পরিস্থিতি বজায় থাকবে বলেই মনে করছেন আবহবিদরা। সারা পৃথিবীতেই আবহাওয়ার উপর ‘লা নিনা’ প্রভাব ফেলতে চলেছে। কোথাও অতিবৃষ্টি আবার কোথাও তীব্র খরার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। জলবায়ুর আকস্মিক পরিবর্তনে উদ্বিগ্ন বিশেষজ্ঞরা।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন