Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

নূপুরের শব্দ শোনা যাচ্ছে , কখনও আর্তনাদ, মালদহের স্কুলের গায়ে ভূতের তকমায় তীব্র আতঙ্ক গোটা এলাকায়

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ মধ‍্যরাতে বিদ‍্যালয়ে শোনা যাচ্ছে গমগম শব্দ৷ কখনও মনে হচ্ছে, কেউ পায়ে নুপুর বেঁধে হেঁটে চলেছে স্কুলের বারান্দায়, চলছে নৃত‍্য। কখনও প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষের আর্তনাদের শব্দ, কখনও বা একসঙ্গে একাধিক পদচারণা। পূর্বে স্কুলের এক অস্থায়ী কর্মী নাকি ওই ঘটনার সাক্ষী থেকেছেন৷ এবার সরস্বতী পুজোয় এর সাক্ষী থেকেছে স্কুলের কয়েকজন পড়ুয়ারা৷ তারা সেই আওয়াজ ক্যামেরাবন্দি করে ভাসিয়ে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়৷ তারপর থেকেই তীব্র আতঙ্ক গোটা এলাকায়৷
যদিও স্কুলের গায়ে ভূতের তকমা মানতে নারাজ স্কুল কর্তৃপক্ষ ৷ এসব ছাত্রদেরই মজা, মন্তব্য পঞ্চায়েতের উপপ্রধানেরও৷ এমন রহস‍্যকর ঘটনা ঘটেছে হরিশ্চন্দ্রপুর থানার কুশিদা হাইস্কুলে৷
সরস্বতী পুজো উপলক্ষ্যে ক’দিন আগে স্কুলেই রাত কাটিয়েছিল জনাকয়েক ছাত্র৷ গভীর রাতে তারা শুনতে পায়, স্কুলের বারান্দা দিয়ে কেউ নুপুর পায়ে হেঁটে যাচ্ছে৷ তারা সেই আওয়াজ ফোনে রেকর্ডিং করে পরে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেয়৷ তাদের দাবি, স্কুলে ভূত রয়েছে৷ একই দাবি করেন স্কুলের অস্থায়ী কর্মী মকসুদ আলিও৷

স্কুলের অস্থায়ী কর্মী মকসুদ আলি জানান, গভীর রাতে এখানে মেয়েদের পায়ের নুপুরের আওয়াজ শোনা যায়৷ মনে হয় নুপুর বেঁধে মেয়েরা বারান্দা দিয়ে হেঁটে বেড়াচ্ছে৷ কখনও ছেলের গলায় কান্নার আওয়াজও শোনা যায়৷ রাত ১২টার পর যে কেউ স্কুলে এলে তা শুনতে পাবে৷ সরস্বতীপুজোয় রাত কাটাতে এসে ছেলেরাও এর সাক্ষী থেকেছে৷ রাত আটটার পর স্কুলে ঢুকতে ভয় লাগে৷ বিষয়টি স্কুল কর্তৃপক্ষ জেনেছে৷

যদিও প্রধান শিক্ষক মহম্মদ হাসিব বলেন, ‘‘সরস্বতীপুজোয় স্কুলে রাত কাটাতে এসে ছাত্রদের কেউ হয়তো এ নিয়ে মজা করেছে৷ তারা অন্য কোথাও এমন শব্দ রেকর্ডিং করে সোশ্যাল মিডিয়ায় আপলোড করে৷ আমরা এর তদন্ত শুরু করেছি৷ এ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনও কারণ নেই৷ এর আগে স্কুলে ভোটকর্মীরা রাত কাটিয়েছেন৷ বন্যার সময় প্রায় এক সপ্তাহ স্থানীয় মানুষজন স্কুলে ছিলেন৷ এছাড়াও রাতে স্কুলে অনেক অনুষ্ঠান হয়েছে৷ কখনও এসব নিয়ে কোনও কিছু শোনা যায়নি৷ আমরা পড়ুয়াদের আতঙ্ক কাটানোর চেষ্টা করছি৷ প্রয়োজনে বিজ্ঞান মঞ্চকেও কাজে লাগানো হবে৷’’


একই বক্তব্য কুশিদা গ্রাম পঞ্চায়েতের উপপ্রধান মহম্মদ নুর আজমের৷ তিনিও জানান, করোনা আবহে এই স্কুলেই কোয়ারেন্টাইন সেন্টার খোলা হয়েছিল৷ তখন তাঁরাও গভীর রাত পর্যন্ত স্কুলে থাকতেন৷ ভোটের সময় ভোটকর্মী, নিরাপত্তা রক্ষীরা স্কুলেই রাত কাটান৷ কেউ কখনও এসব দেখতে পাননি৷ গ্রামবাসীরাও এ নিয়ে কখনও কোনও অভিযোগ করেননি৷ সম্ভবত ছাত্ররা মজা করার জন্যই এসব করেছে৷

বিজ্ঞান মঞ্চের তরফে পরিদর্শন করা হবে স্কুল।এছাড়াও স্কুলের প্রধান শিক্ষককে বিষয়টি খতিয়ে দেখতে বলা হয়েছে।কারা এই ঘটনার সাথে জড়িত,প্রমাণ হলে আইনানুগ ব‍্যবস্থা নেওয়া হবে বলে হুমকি দিয়েছেন তিনি। ঘটনার পেছনে কি রয়েছে  তার তদন্ত করতে মরিয়া স্কুল কর্তৃপক্ষ।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন