Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

ফের বাংলায় আসছেন অমিত শাহ, ১৮ ফেব্রুয়ারি কাকদ্বীপের রথযাত্রার সূচনা করবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মথুরাপুর,সাগরে প্রস্তুতি জোরকদমে

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ পুজোর আগে অক্টোবর মাসে বাংলার বিজেপি নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন অমিত শাহ। সেখানে তিনি বলেছিলেন নভেম্বর, ডিসেম্বর এবং জানুয়ারি মাসে একবার করে বাংলা সফর করবেন। ফেব্রুয়ারি মাসে তা বেড়ে হবে দুই। আর মার্চ মাসে অন্তত ১৫ দিন তিনি বাংলায় ক্যাম্প করে থাকবেন।
হলও তাই। গত সপ্তাহে কোচবিহারের রথযাত্রার সূচনা করেছিলেন অমিত শাহ। ১৮ তারিখ ফের বাংলায় আসছেন তিনি। কাকদ্বীপ থেকে যে যাত্রা শুরু হবে তার সূচনা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

৬ ফ্রেরুয়ারি নবদ্বীপ থেকে প্রথম রথযাত্রাটির সূচনা করেন দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা। একদিনের ঝটিকা সফরে বৃহস্পতিবার কোচবিহারে ‘রথযাত্রা’র সূচনা করে গিয়েছেন অমিত শাহও। সেদিন তাঁর ঠাকুরনগরেও কর্মসূচি ছিল।
কলকাতায় কবে ও কোনপথে হবে রথযাত্রা তাও চূড়ান্ত করে ফেলেছে বিজেপি। ঠিক হয়েছে, সাগরের কপিলমুনির আশ্রম থেকে ডায়মন্ডহারবার-শিরাকোল হয়ে রথ ঢুকবে শহরে। তবে সাগর থেকে শুরু হলেও ১৮ ফ্রেরুয়ারি কাকদ্বীপেই আনুষ্ঠানিকভাবে এই রথযাত্রার সূচনা করবেন অমিত শাহ।

দলীয় সূত্রে খবর, ১৮ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা নাগাদ হেলিকপ্টারে সাগরে আসবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। কপিল মুনির মন্দিরে পুজো দেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর। দুপুরে সাগরেই মধ্যাহ্নভোজ সারবেন তিনি। দুপুর দেড়টা নাগাদ নামখানার ইন্দিরা ময়দানে জনসভায় যোগ দেবেন তিনি। মথুরাপুর সাংগঠনিক জেলার রথযাত্রা চলবে ৩ দিন। ডায়মন্ড হারবার জেলায় চলবে ২ দিন এবং জেলার পশ্চিম ভাগে চলবে ৪ দিন।

রথযাত্রার আয়োজনের দায়িত্বে থাকা এক স্থানীয় বিজেপি নেতা বলেন, ‘‘সভার আয়োজন করতে গিয়ে তৃণমূল নেতাদের হুমকির মুখে পড়ছেন আমাদের কর্মীরা৷ তবে এ ভাবে সভায় যোগ দেওয়া ঠেকানো যাবে না। লক্ষাধিক মানুষের উপস্থিতিতেই সভা ও রথযাত্রার সূচনা করবেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।’’ তবে কাকদ্বীপের তৃণমূল বিধায়ক তথা সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রী মন্টু রাম পাখিরা অভিযোগ উড়িয়ে বলেন, ‘‘জেলার ৩১টি বিধানসভাই তৃণমূলের দখলে। শুধু শুধু ওদের (বিজেপি) বাধা দিয়ে কি লাভ? তৃণমূলের বিরুদ্ধে অপপ্রচার করে প্রচারে আসার চেষ্টা করছে বিজেপি। ওসব করে কোনও লাভ নেই৷ দাঙ্গাবাজ দলের বাংলায় কোনও স্থান নেই।’’

ফ্রেরুয়ারিতে ফের বাংলায় আসছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীও। ২২ ফেব্রুয়ারি হুগলিতে তাঁর কর্মসূচি।  হুগলির চুঁচুড়ায় গিয়ে ইতিমধ্যেই একাধিক মাঠ পরিদর্শন করেছেন বঙ্গ বিজেপি-র শীর্ষ নেতৃত্ব।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন