প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
‘চোর’ স্লোগান শুনলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী , তৃণমূল নেত্রীকে দেখেই ছোড়া হল জুতো-কাদা,’সবাই মরে যেতাম’, হালিশহরের পথে জনতার ক্ষোভে মমতা! ১৩-১৪ অগস্ট ‘দেশভাগের ভয়াবহ স্মৃতি’ এবার জেলায় জেলায় স্মরণ নির্দেশ নবান্নের, হবে ক্যান্ডেল মার্চ দুর্যোগের মেঘ! রবিতেও ঝেঁপে বৃষ্টি কলকাতায়? ১০ জেলা ভাসবে ভারী বৃষ্টিতে, মৎস্যজীবীদের জন্যেও নিষেধাজ্ঞা ‘প্রশ্ন করার অধিকার যেমন আছে, তেমন রাষ্ট্রের প্রতিও দায়িত্ব থাকা উচিত’, IIT দিল্লি থেকে জেন-জি- কে বার্তা প্রধানমন্ত্রীর গ্রেপ্তার প্রাক্তন তৃণমূল বিধায়ক সনৎ দে:অ্যাম্বুল্যান্সের খালাসি থেকে কোটি টাকার মালিক, বললেন অর্জুন বললেন অর্জুন সিং: দেখুন ভিডিও

স্যানিটাইজার ঢেলে জ্বালিয়ে দেওয়া হল সাংবাদিককে, গ্রেফতার ৩ উত্তরপ্রদেশের ঘটনা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ গ্রাম প্রধানের দুর্নীতির বিরুদ্ধে কলম ধরেছিলেন। তার জেরেই চরম শাস্তি পেতে হল সাংবাদিককে। স্যানিটাইজার ঢেলে গায়ে আগুন ধরিয়ে দিল দুষ্কৃতীরা। অগ্নিদগ্ধ হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৩৭ বছরের সাংবাদিক ও তাঁর এক বন্ধুর। ঘটনা লখনৌয়ের বলরামপুর জেলার। তিনজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। ধৃতদের মধ্যে একজন গ্রাম প্রধানের ছেলে।


পুলিশ জানিয়েছে, বলরামপুরের কালওয়ারি গ্রামের কাছ থেকে সাংবাদিক রাকেশ সিং নির্ভীক ও তাঁর সহকর্মী, বন্ধু পিন্টু সাহুর ঝলসানো দেহ উদ্ধার হয় গত সপ্তাহে। পিন্টুর শরীরে প্রাণ ছিল না। তবে বেঁছে ছিলেন নির্ভীক। তাঁকে লখনৌয়ের একটি বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই ঘণ্টাখানেক পরে মৃত্যু হয় তাঁর।
কালওয়ারি গ্রামেরই বাসিন্দা নির্ভীক। রাষ্ট্রীয় স্বরূপ পত্রিকায় সাংবাদিকতা করতেন। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, শরীরের অর্ধেকের বেশিই পুড়ে গিয়েছিল তাঁর। মৃত্যুর আগে গ্রাম প্রধানের বিরুদ্ধে বয়ান দিয়ে যান সাংবাদিক। তাঁর অভিযোগ ছিল, নিয়মিত খবরের কাগজে ওই গ্রাম প্রধান ও তার সাঙ্গোপাঙ্গোদের নিয়ে লেখালিখি করতেন তিনি। অনেক দুর্নীতির খবর ফাঁস করে দিয়েছিলেন। তাই তাদের খুন করার চেষ্টা করেছে গ্রাম প্রধানের লোকজনই।

দীর্ঘদিন ধরেই হুমকি ফোন পাচ্ছিলেন সাংবাদিক। পরিবার জানিয়েছে, তাঁকে লেখালিখি বন্ধ করার জন্য চাপও দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তিনি শোনেননি। বলরামপুরের পুলিশ প্রধান দেব রঞ্জন বর্মা বলেছেন, রাষ্ট্রীয় স্বরূপ পত্রিকায় গ্রাম প্রধান ও তাঁর ছেলের বিরুদ্ধে নিয়মিত কলম লিখতেন রাকেশ সিং নির্ভীক। সে কারণেই তাঁর শত্রু বাড়ছিল গ্রামে। প্রাথমিক তদন্তে জানা গেছে, ঘটনার দিন নির্ভীক ও তাঁর সহকর্মী পিন্টুকে নিজেদের ডেরায় ডেকে পাঠায় গ্রাম প্রধান। সেখানে তাঁদের আকণ্ঠ মদ্যপান করানো হয়। তারপরেই গায়ে স্যানিটাইজার ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়।


গ্রাম প্রধানের নাম আক্রম। তার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ আছে গ্রামবাসীর। অপরাধের তালিকা নাকি দীর্ঘ, যদিও কোনও প্রামাণ্য তথ্য এখনও হাতে আসেনি। আক্রমের ছেলে রিঙ্কু মিশ্রকে সংবাদিক হত্যার অভিযোগে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। অপরাধের খাতায় আগে থেকেই নাম আছে রিঙ্কুর। গ্রামে নানা দুর্নীতিমূলক কাজের সঙ্গে সে জড়িত। ধৃত আরও দু’জনের মধ্যে একজনের বিরুদ্ধে খুনের অভিযোগ আছে। তৃতীয় জন ললিত মিশ্র, গ্রাম প্রধানেরই বন্ধু।

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন