Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

বিকেলের তথ্য ভুল, রাজ্যে আক্রান্ত ৩৪, মৃত ৩: এটাই সরকারি হিসেব, বললেন মুখ্যসচিব

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ দু’ঘন্টার মধ‍্যেই পাল্টে গেল রাজ্যে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মৃতের সংখ্যা! বিভ্রান্তি তৈরি হল আক্রান্তের সংখ্যা নিয়েও।

আজ, বৃহস্পতিবারই বিকেল সাড়ে চারটে নাগাদ নবান্ন থেকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে একটি সাংবাদিক বৈঠক করেন সরকার গঠিত ডাক্তারদের এক্সপার্ট কমিটির সদস‍্য চিকিৎসক ধীমান গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি জানান, রাজ‍্যে গত ২৪ ঘণ্টায় খোঁজ মিলেছে ১৬ জন করোনা আক্রান্তের। মৃত‍্যু হয়েছে চার জনের। ফলে মোট মৃতের সংখ্যা ৭। সব মিলিয়ে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৩ জন।

কিন্তু দু’ঘন্টার মধ‍্যেই সেই তথ‍্যকে নাকচ করে নবান্ন থেকেই মুখ‍্যসচিব রাজীব সিনহা জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় যে চার জন মারা গিয়েছেন, তাঁরা অন‍্য অসুখে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হয়েছিলেন। তাই তাঁদের করোনায় মৃত বলে ধরছে না রাজ‍্য। যদিও মারা যাওয়ার কিছু আগে বা কিছু পরেই জানা যায় তাঁরা করোনা পজিটিভ ছিলেন।

এক্ষেত্রে প্রশ্ন করা হয়, তাহলে যাঁরা অন্য অসুখে মারা গেলেন বলে মনে করা হচ্ছে, তাঁদের দেহ কি সাধারণ উপায়েই সৎকার হয়েছে? পরিবারের হাতে সরাসরি দিয়ে দেওয়া হয়েছে মরদেহ? তা অবশ্য করা হয়নি বলেই জানান মুখ্যসচিব।

পাশাপাশি, মুখ্যসচিব বলেন এই মুহূর্তে রাজ্যে করোনা পজিটিভ ৩৪ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, “এই মুহূর্তে করোনা পজিটিভ ৩৪ জন”—এই কথাটির অর্থ, এই মুহূর্তে করোনাভাইরাস অ্যাকটিভ রয়েছে বা সক্রিয় রয়েছে ৩৪ জনের শরীরে। অর্থাৎ যাঁরা সেরে গেছেন, তাঁদের করোনা আক্রান্ত বলে ধরা হচ্ছে না।

মুখ্যসচিবও তেমনটাই দাবি করেন। তিনি জানান, যাঁদের দ্বিতীয় পরীক্ষার রিপোর্ট নেগেটিভ এসেছে, তাঁদের আর করোনা আক্রান্ত বলে ধরা হচ্ছে না। অর্থাৎ যাঁরা সেরে উঠছেন, তাঁদের সংখ্যাটা বাদ পড়েছে মোট আক্রান্তের সংখ্যা থেকে।

স্বাস্থ্য ভবন শেষ জানিয়েছিল আক্রান্তের সংখ্যা ৩৭। তার মধ্যে তিন জন সেরে উঠে বাড়ি ফিরে গেছেন । সেই হিসেবেই সম্ভবত মুখ্যসচিব জানিয়েছেন, ৩৪ জন এই মুহূর্তে করোনা পজিটিভ। সেই সঙ্গে তিনি এ-ও বলেন, তিনি যেটা বলছেন সেটাই চূড়ান্ত। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে কতজনের শরীরে করোনা সংক্রমণ ধরা পড়েছে, সেবিষয়ে কিছু বলেননি মুখ্যসচিব।
জানিয়ে রাখা দরকার, করোনায় আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা নিয়ে যে বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে, ‘দেশের সময়’-এর এ ব্যাপারে কোনও দায় নেই। এক্সপার্ট কমিটির তরফে ধীমান গঙ্গোপাধ্যায় এবং রাজ্য সরকারের তরফে মুখ্যসচিব নবান্ন থেকে যা যা বলেছে, প্রতিবেদনে সেটাই উদ্ধৃত করা হয়েছে।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.