Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

দীর্ঘ ২০ বছর পরে ভাত খাচ্ছি, সঙ্গে একটু ডাল ও আলুসেদ্ধ : মমতা

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ তিনি যে ভাত খান না সে কথা এর আগে একাধিক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তার বদলে মুড়ি, চিঁড়ের শুকনো খাবারই তাঁর খাদ্যাভ্যাসে জুড়ে গেছে। কিন্তু করোনা সংক্রমণের এই সময়ে ভাত খাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবার নিজেই জানালেন, ২০ বছর পর ইমিউনিটি পাওয়ার (রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা) বাড়াতে ডাক্তারদের পরামর্শেই তিনি ভাত খাচ্ছেন।

তবে অনেকটা নয়। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “এক চামচ ভাত, একটু ডালসেদ্ধ, একটু আলুসেদ্ধ খাচ্ছি। মুড়ি খাচ্ছি।”

এদিন সাধারণ মানুষকে ঘরে থাকার বার্তা দিতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী খাবারের প্রসঙ্গ তোলেন। বলেন, “আগামী দু’সপ্তাহ খুব সাবধানে থাকতে হবে। কেউ বাড়ি থেকে বেরোবেন না।” এরপরই দিদি বলেন, “আমি তো একাই থাকি। আমাকে তো দেখার কেউ নেই। এখন আমি কাউকে সামনে আসতে দিচ্ছি না। আমার বাড়িতে সারাক্ষণ দু’টি মেয়ে থাকে। ওরা যা খায় আমি তাও পাই না।” মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, “সেদ্ধভাত খান কিন্তু বাড়িতে থাকুন। এখন লাটসাহেবি করার সময় নয়।”
আগের দিন চিকিৎসকদের উষ্ণ গরম জলে পাতি লেবুর রস খাওয়ার পরামর্শ দিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। বলেছিলেন, “মনে রাখবেন করোনাভাইরাসটা কিন্তু আগে গলায় অ্যাটাক করে। উষ্ণ গরম জলে লেবুর রস দিয়ে খেলে গলাটা ক্লিয়ার হয়ে যাবে।” এদিন মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যবাসীর উদ্দেশে বলেন, “একদম পেট খালি রাখবেন না। পেট ভরে সেদ্ধভাত খান। বেশি করে জল খান আর জানলা-দরজা খুলে রাখুন।”
মুখমন্ত্রীর ঘনিষ্ঠ এক আমলা বলেন, আসলে উনি বলতে চেয়েছেন, এখন সংকটের সময়। ভাল-মন্দ কদিন নয় নাই বা খেলেন মানুষ। কদিন নয় কষ্টসৃষ্ট করে চললেন। আগে তো জীবন। নিজের ও পরিবারের সবার সুস্থ থাকা অগ্রাধিকার। তাই বাজারে গিয়ে হুড়োহুড়ি না করে বাড়িতে যা রয়েছে তাই খেয়ে যেন থাকেন। কারণ, অনেককে দেখা যাচ্ছে রোজ বাজারে যাচ্ছেন। ঠেলাঠেলি করে কেনাকাটা করছেন। এরকম করলে সংক্রমণ ছড়ানোর আশঙ্কা বেড়ে যাচ্ছে। কিন্তু এটা সংযত থাকা ও সংযম দেখানোর সময়।

Advertisement

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.