দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ এলআইসির বেসরকারিকরণের পথে আরও একধাপ অগ্রসর হল কেন্দ্রীয় সরকার। অন্য কোনও সংস্থা বিপাকে পড়লে যে সংস্থা সাহায্য করত, এবার সেই এলআইসি–র শেয়ারই বিক্রি করতে চলেছে কেন্দ্র। অর্থাৎ রেল, বিমানের পর আরও একটি সংস্থার বেসরকারিকরণের পথে একধাপ।

বাজেটের পর কপালে ভাজ শেয়ার বাজারে কলকাতায় ছবিটি তুলেছেন- কুন্তল চক্রবর্তী

ভারতীয় জীবন বিমা নিগমের পুরো অংশীদারিত্ব নিজেদের হাতে রাখতে নারাজ সরকার। বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী নির্মল সীতারমণ ঘোষণা করলেন, সরকার এলাআইসির অংশীদারিত্বের কিছু অংশ বিক্রি করতে চায়। তবে কত শতাংশ শেয়ার বিক্রি করা হবে, তা জানাননি। রাজকোষে ঘাটতি কমানোর জন্যই এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

সেক্ষেত্রে এলআইসির কোটি কোটি গ্রাহকের আমানতের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠছেই। এলআইসির পাশাপাশি আইডিবিআই ব্যাঙ্কেরও অংশীদারিত্ব বিক্রি করা হবে। আরও বেশ কয়েকটি সরকারি সংস্থার অংশীদারিত্ব বিক্রির প্রস্তাব দিয়েছে সরকার। কেন্দ্রের এই ঘোষণার পরেই এলআইসি কর্মীদের মধ্যে তীব্র অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। অনেকেই সরকারেই এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছেন। আর সংস্থার কর্মীরা আন্দোলনে নামার হুঁশিয়ারিও দিয়েছেন।

২০১৯-২০ সালে সরকারের বিলগ্নিকরণের মাত্রা ছিল ১.০৫ লক্ষ কোটি টাকা। এবারের বাজেটে( ২০২০-২১) বিলগ্নিকরণের মাত্রা ধার্য করা হয়েছে ২.১ লক্ষ কোটি টাকা।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সরকারের এই টার্গেট অনেকটাই নির্ভর করে আছে এলআইসির বিক্রির ওপর। তবে অনেক ক্ষেত্রেই রাষ্ট্রায়ত্ত সংস্থাগুলির অর্থ সংগ্রহের জন্য এলআইসির ফান্ড ব্যবহার করেছিল সরকার।

এবছরের লক্ষ্য থেকে অনেকটাই দূরে রয়েছে মোদী সরকার। এখনও পর্যন্ত বিলগ্নিকরণ থেকে আয় হয়েছে ১৮,০৯৪ কোটি টাকার। এর মধ্যে রয়েছে রেল বিকাশ নিগম এবং আইআরসিটিসির আইপিও থেকে যথাক্রমে ৪৭৫.৮৯ এবং ৬৩৭.৯৭ কোটি টাকা।

যদিও ইতিমধ্যেই দেশের বিরোধী দলগুলি এবং এলআইসির কর্মী সংগঠনগুলির পক্ষ থেকে এলআইসির বিলগ্নিকরণের সিদ্ধান্তের কড়া বিরোধিতা করা হয়েছে।

দেশের বৃহত্তম বিমা সংস্থা এলআইসি পুরোপুরি ভারত সরকারের নিয়ন্ত্রণাধীন ছিল। এবার সরকারি কোষাগার ভরানোর…
লক্ষ্যে সেই লাভজনক সংস্থার অংশীদারিত্বের কিছুটা বেসরকারি হাতে তুলে দিতে চাইছে কেন্দ্র বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here