দেশেরসময় ওয়েবডেস্ক: দু’দিন বাদে ২১এর সমাবেশ। লোকসভা ভোটে বিপর্যয়ের পর যখন শাসক দলের অন্দরে একুশে জুলাইয়ের সমাবেশে জমায়েত নিয়ে সংশয়, ঠিক তখনই সমাবেশের ব্যানার লাগানো নিয়ে গোষ্ঠী সংঘর্ষে চরম উত্তেজনা ছড়াল দমদমে। ঝরল রক্ত। পুড়ল বাইক। আতঙ্কে এলাকার মানুষ।
উত্তর দমদম পুরসভার ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ডে দফায় দফায় চলে দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষ। গুরুতর জখম হয়েছেন চিরঞ্জিত পাল নামের এক তৃণমূলকর্মী। তাঁকে প্রথমে নিয়ে যাওয়া হয় পুরসভার স্বাস্থ্য কেন্দ্রে। পরে আরজি কর মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। চোখ এবং মাথায় আঘাত লেগেছে তাঁর।
জখম তৃণমূলকর্মীর অভিযোগ, ৫ নম্বর ওয়ার্ডের তৃণমূল কাউন্সিলর ধনঞ্জয় মজুমদারের নেতৃত্বেই এই হামলা চালানো হয়েছে। রক্তাক্ত চিরঞ্জিত বলেন, “উনি বিজেপি-র জামা গায়ে দিয়েছেন বলেই এই হামলা। না হলে কেন একুশে জুলাইয়ের ব্যানার লাগানোর জন্য আমার উপর আক্রমণ করল।”
পাল্টা ধনঞ্জয়বাবু বলেন, “ওরা পার্টির বদনাম করার জন্যই এ সব বলছে।” সেই সঙ্গে তাঁর দাবি, “আমি গুণ্ডামি করি না। রাজনৈতিক ভাবে মোকাবিলা করি।” দুই গোষ্ঠীর সংঘর্ষে ক্যান্টনমেন্ট এলাকার সুভাষ নগরে ব্যাপক আতঙ্ক তৈরি হয়েছে। দমদম থানার বিরাট বাহিনী গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
দমদমে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব নতুন ঘটনা নয়। গত কয়েক বছরে একাধিকবার এমন ঘটনা সামনে এসেছে। ভোটের আগে পর্যন্ত গোষ্ঠী কোন্দলের কাঁটা চিন্তায় রেখেছিল সৌগত রায়কে। কিন্তু সৌগতবাবু লোকসভায় জেতার হ্যাটট্রিক করলেও, বদলাল না তৃণমূল।