Bangaon News বনগাঁয় অভিনব কায়দায় প্রতারণা, গ্রেফতার ১

0
17

‘বেকার ঘুরছ কেন? উপার্জনের ব্যবস্থা করে দিচ্ছি!’ স্বল্প উপার্জনকারী মানুষদের কাছে গিয়ে শোনানো হতো এই আশার বাণী। অর্থ উপার্জনের টোপ সহজেই গিলে নিতেন অনেকে। ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করে এ ভাবেই প্রতারণা চালানো হচ্ছিল বনগাঁয়। কানাই দাস নাম এক অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাঁকে দু’দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সাধন দালাল নামে বনগাঁর এক বাসিন্দা জানান, সামান্য উপার্জন করেই সংসার চালাতেন তিনি। অভিযুক্ত কানাই দাস তাঁকে ভালো উপার্জনের লোভ দেখান। প্রথমে তাঁর কাছে আধার কার্ড ও ব্যাঙ্কের পাসবুকের প্রথম পাতার একটি ফটো কপি চাওয়া হয়। অর্থ লাভের আশায় সেটা দিয়েও দেন সাধন।

কিছুদিন পরেই তিনি লক্ষ্য করেন, তাঁর অ্যাকাউন্টে  ২৭,৮৭৪ টাকা ঢুকেছে। সেই টাকার মধ্যে থেকে ২৫ হাজার টাকা তুলে অভিযুক্ত কানাই দাসকে দিতে বলা হয়। বাকি ২ হাজার টাকা সাধনের উপার্জন বলেই জানানো হয়। প্রথমে খুশিই হন সাধন। পরে সন্দেহ হয়, বিনা পরিশ্রমে এ রকম উপার্জন হচ্ছে কী করে? যে টাকা তাঁর  অ্যাকাউন্টে ফেলা হচ্ছে সেটা কীসের টাকা?

এর পরেই কানাই দাসের সঙ্গে নিয়মটি মেলামেশা করতে শুরু করেন সাধন। বুঝতে পারেন, তিনি একা নন, ওই এলাকায় বহু লোকের আধার কার্ড ও ব্যাঙ্কের তথ্য নিয়ে অনেকেরই সঙ্গেই এই প্রতারণা করা হচ্ছে। কোনও অনুদানের টাকা তাঁদের অ্যাকাউন্টে ফেলা হচ্ছে।

বিপদ বুঝে পুলিশের দ্বারস্থ হন সাধন। তিনি বলেন, ‘কার টাকা আমি জানি না। কিন্তু এ ভাবে উপার্জন করাটা আমার ঠিক মনে হয়নি।’ মানুষকে প্রতারণা করা হচ্ছে অনুমান করে প্রশাসনের দ্বারস্থ হন তিনি।

বনগাঁ আদালতের আইনজীবী জয়দীপ পালিত জানান, তাঁর মক্কেল সাধন দালাল যখন উপলব্ধি করতে পারেন, এটা কোনও বেআইনি টাকা হতে পারে, তখন আইনের আশ্রয় নিয়ে বনগাঁ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন। ওই টাকা কথা থেকে আসত সে বিষয়ে তদন্ত চালাচ্ছে পুলিশ। 

Previous articleWaqf Bill গভীর রাতে ১২৮-৯৫ ভোটে রাজ্যসভায় পাশ ওয়াকফ বিল! এখন শুধু রাষ্ট্রপতির সইয়ের অপেক্ষায় কেন্দ্র
Next articleUttar Kolkata উত্তরের সিনেমা পাড়ার টুকরো ছায়াচিত্র

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here