Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Madhuparna Thakur ভোটে জয়ী হয়ে বলেছিলেন সবাইকে এক করবো, অবশেষে কাজ করল মধুপর্ণা’র ম্যাজিক

deshersamay

Share article:
রাহুল দেবনাথ দেশের সময়

ঠাকুরনগর: এবছর মতুয়া ধর্মাবলম্বী মানুষদের আবেগের বারুণী মেলা কে ঘিরে যেন ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়িতে হল জাদু! দীর্ঘদিনের পারিবারিক দ্বন্দ্ব ভুলে একত্রে মেলা পরিচালনায় শান্তনু ও মমতা বালা ঠাকুরের পরিবার।

ম্যাজিশিয়ানের কাজ করলেন তৃণমূলের নতুন বিধায়ক তথা ঠাকুরনগর ঠাকুরবাড়ির অন্যতম কনিষ্ঠ সদস্যা মধুপর্না ঠাকুর। মতুয়া ভক্তরাও যেন দুই পরিবারের মিলনে এবারের মেলা চুটিয়ে উপভোগ করছেন। গত বছর এই বারুনি মেলা কে ঘিরে ঠাকুরবাড়ির মধ্যে দ্বন্দ্ব প্রকাশ্যে চলে এসেছিল। এমন কি দেখা যায় মেলার মাঝেই ঘর থেকে মমতা বালা ঠাকুরকে বার করে দিয়ে তালা দিয়ে দেওয়া হয়। সেই ঘটনা নিয়ে মতুয়া ভক্তদের মধ্যেও পড়েছিল যথেষ্ট প্রভাব। বারুণী মেলা আবেগের, তাই সকলেই চাইছিলেন দ্রুত সমস্যা সমাধান হোক আবারও দুই পরিবার মিলিত হয়ে ঠাকুরবাড়ির এই মেলা পরিচালনা করুক।

নানা আইনি জটিলতার পর এ বছরও মমতা বালা ঠাকুরই মেলার অনুমতি পেয়েছেন জেলা পরিষদের তরফে। তবে এবার যেন দুই পরিবার এক হয়েই মেলা পরিচালনা করছেন বলেই মনে হচ্ছে ভক্তদের। নেই কোন দ্বিধা দ্বন্দ্ব। বিধানসভা উপনির্বাচনে দাঁড়িয়ে জয়ী হয়ে মধুপর্না ঠাকুরও বলেছিলেন, ঠাকুরবাড়ির দুই পরিবার কে একই ছাতার তলায় আনবেন। যেন এবার ঠিক তেমনটাই ঘটলো।

কি এমন ম্যাজিক করলেন মধুপর্ণা! এখন সেই চর্চাই চলছে মতুয়া ভক্ত থেকে ঠাকুরনগর বাসীদের মধ্যে। যা নিয়ে খুশি মতুয়া সমাজের মানুষেরাও। এদিন মধুপর্না ঠাকুর বলেন, তিনি কোন ম্যাজিক করেননি। এটাই হলো হরি গুরুচাঁদ ঠাকুরের আশীর্বাদ। ঠাকুর চেয়েছে দুই পরিবারকে এক করার। গত বছরের ঘটনার জন্য ক্ষমাও চান তিনি। পাশাপাশি এই ধরনের ঘটনা যাতে পুনরাবৃত্তি না ঘটে তার জন্য আশা প্রকাশ করেছেন।

অপরদিকে, মধুপর্না ঠাকুরের দাদা তথা বিজেপি সাংসদ শান্তনু ঠাকুর বলেছেন, শিক্ষা চেতনা বাড়ায়। যার মধ্যে শিক্ষা রয়েছে তার মধ্যে চেতনা থাকবে। যার মধ্যে শিক্ষা নেই সে গন্ডগোল করবে। আমরা কেউ থাকি না থাকি মেলা এভাবেই হতে থাকবে পূর্বপুরুষদের নিয়ন মেনে। বাকিটা ভক্তরাই করবেন। পরিবারের অন্যান্য সদস্যরাও এবার পারিবারিক দ্বন্দ্ব ভুলে যেভাবে মেলা পরিচালনা করা হয়েছে তাতে সকলেই খুশি বলেই জানান মতুয়া ভক্তরাও।

তবে এবার যেন ঠাকুরবাড়িতে দীর্ঘদিনের সমস্যার সমাধান করে, নতুন সমীকরণ তৈরি করলেন মধুপর্ণা ঠাকুর। আর এই অসাধ্য সাধনকেই জাদু বলছেন মতুয়া ভক্ত থেকে ঠাকুরনগর বাসীরা।

Advertisement
Tags: featuredNews

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন