Desher Samay
প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

Kolkata Hindu Procession কলকাতায় সনাতনী সমাজের মিছিল ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতি, ভাঙল ব্যারিকেড,আহত এক পুলিশকর্মী , তৃণমূলনেত্রী জানালেন দলের অবস্থান

deshersamay

Share article:

দেশের সময় কলকাতা : বাংলাদেশে হিন্দুদের ওপর হামলার প্রতিবাদ ও ইসকনের সন্ন্যাসী চিন্ময় কৃষ্ণ দাসের মুক্তির দাবিতে কলকাতার রাজপথে একাধিক হিন্দু সংগঠন ।

শিয়ালদহ থেকে আচার্য জগদীশচন্দ্র বসু রোড ধরে বাংলাদেশ ডেপুটি হাই কমিশনের কাছাকাছি মিছিল পৌঁছতেই ধুন্ধুমার পরিস্থিতি। ভাঙল ব্যারিকেড। আহত এক পুলিশকর্মী।

বৃহস্পতিবার বেকবাগানের কাছে পুলিশ মিছিল আটকাতে ব্যারিকেড দিয়ে দেয়। এদিকে মিছিলে অংশগ্রহণকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। আর তারপরই বঙ্গীয় হিন্দু জাগরণের সদস্যদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়। এক পুলিশকর্মী আহত হন। ব্যারিকেডের নীচে চাপা পড়ে আহত হন বেশ কয়েকজন। 

বাংলাদেশে বিপন্ন হিন্দুরা। আর তার প্রতিবাদে
কলকাতায় মিছিল হচ্ছে। এখনও অবধি যা খবর, প্রথম ব্যারিকেড ভেঙে এগিয়ে গেছেন বিক্ষোভকারীরা। মিছিল থেকেই হিন্দু নির্যাতনের বিরুদ্ধে উঠছে মুহুর্মুহু স্লোগান।

বাংলাদেশ নিয়ে ভারত সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে, তাকেই সমর্থন করবেন তিনি। বৃহস্পতিবার বিধানসভার অধিবেশনে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এ কথা জানালেন তৃণমূলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, ‘‘কলকাতার ইসকনের সঙ্গে দু’বার কথা বলেছি। এটা অন‍্য দেশের বিষয়। এ ক্ষেত্রে দেশের সরকার যে সিদ্ধান্ত নেবে আমি তার সঙ্গে আছি।’’ বুধবার সংসদের বাইরে দাঁড়িয়ে বাংলাদেশ প্রসঙ্গে প্রায় একই কথা বলেছিলেন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক তথা তৃণমূল সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়।

পাশাপাশি, বাংলাদেশের ঘটনাকে ‘দুর্ভাগ্যজনক’ বলেও মন্তব্য করেছিলেন তিনি। অভিষেকের সেই মন্তব্যের সুরেই বাংলাদেশ প্রসঙ্গে এ বার দলের অবস্থান জানালেন মমতা। বাংলাদেশের নাম উল্লেখ না-করে তৃণমূলনেত্রী এটাও জানিয়েছেন যে, কোনও ধর্মের উপর অত্যাচার তিনি মানবেন না। তা যদি অন্য দেশেও হয় তা-ও মানবেন না।

সংসদের শীতকালীন অধিবেশনে যোগ দিতে অভিষেক এখন দিল্লিতে। অধিবেশনের পর বাংলাদেশ নিয়ে অভিষেক বুধবার বলেন, ‘‘এটা বিদেশের ব্যাপার। এটা নিয়ে আমরা কোনও মন্তব্য করব না। তবে তৃণমূলের অবস্থান এ বিষয়ে খুব স্পষ্ট। বিদেশে এই ধরনের কোনও ঘটনা ঘটলে ভারত সরকার যে অবস্থান নেবে, তৃণমূল তাকে সমর্থন করবে। বাংলাদেশে যা হয়েছে, তা দুর্ভাগ্যজনক।’’

প্রসঙ্গত, কোটা বিরোধী আন্দোলনের জেরে চলতি বছরের এপ্রিল থেকে অস্থির পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে বাংলাদেশে। আন্দোলনের জেরে গত অগস্টে দেশ ছাড়তে বাধ্য হন বাংলাদেশের প্রাক্তন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপরই বাংলাদেশে গঠিত হয় ইউনুসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বতী সরকার। সেই সরকারের বিরুদ্ধে সে দেশের হিন্দুদের ওপর অত্যাচারে অভিযোগ উঠেছে।

সম্প্রতি বাংলাদেশের সনাতন জাগরণ মঞ্চের অন্যতম মুখ সন্ন্যাসী চিন্ময়কৃষ্ণ দাস ব্রহ্মচারীকে গ্রেফতার করেছে ইউনুসের সরকার। এরপর থেকেই বিভিন্ন মহল থেকে বাংলাদেশের সরকারের প্রতি হিন্দুদের ওপর অত্যাচারের জোরাল অভিযোগ সামনে এসেছে।

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন