প্রচ্ছদলেটেস্ট নিউজদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News
•‘আপনারা বাংলা নিয়েছেন, আমরা দিল্লি নেব’,জ্ঞানেশ-ইস্যুতে আন্দোলনের হুঁশিয়ারি মমতার! বুধে থাকবেন ইন্ডিয়া বৈঠকে •বৃষ্টি কি এ বার পিছু ছাড়বে না?  কী বলছে হাওয়া অফিস? নিম্নচাপ কেটে গেলেও স্বস্তি নেই! ছাতা ছাড়া বেরলেই বিপদ, আজও কলকাতায় ভারী বর্ষণ, জেলায় জেলায় বাড়তি সতর্কতা জারি •ব্যাপক রদবদল, পুরভোটের আগে সংগঠনের খোলনলচে বদলে ফেলল বিজেপি , সরানো হলো শর্বরীকে, বাদ অগ্নিমিত্রা- জগন্নাথ, কে কোন পদে এলেন? •‘একতরফা’ সিদ্ধান্ত বাতিলের আর্জি, জ্ঞানেশ কুমারের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টে জনস্বার্থ মামলা •‘সরকার সরাসরি ধান কিনবে কৃষকদের থেকে’, চাষিদের পাশে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

Mamata Banerjee: ‘ পাখির চোখ পঞ্চায়েত ২০২৩’, আগামী ৫ মে প্রস্তুতি অভিযান শুরু মমতার

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ বছর ঘুরতেই রাজ্যে পঞ্চায়েত নির্বাচন। করোনা বা অন্য কোনও বিপর্যয়ের কারণে ভেস্তে না গেলে, হিসেব মতো আগামী বছর মে মাসে ভোট হওয়ার কথা। এ জন্য আগামী ৫ মে প্রস্তুতি অভিযানে নামছেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷

ওই দিন বাইপাসে দলের অস্থায়ী পার্টি অফিসে বৈঠক ডেকেছেন নেত্রী। বৈঠকে তৃণমূলের কার্যকরী কমিটির সমস্ত সদস্য, জেলা সভাপতি, পঞ্চায়েতের সভাধিপতি, পার্টির সমস্ত জেলা সভাপতি, চেয়ারম্যান, গণসংগঠনের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদকদের ডাকা হয়েছে।

ভোটের প্রায় একবছর আগেই মুখ্যমন্ত্রী দলকে পঞ্চায়েত নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত করতে চাইছেন। দিন কয়েকের মধ্যেই জেলা সফরও শুরু করতে যাচ্ছেন তিনি।

পঞ্চায়েত নির্বাচনকে তৃণমূল নেত্রী কতটা গুরুত্ব দিচ্ছেন, তা আরও একটি সিদ্ধান্তে স্পষ্ট। নেত্রীর কালীঘাটের বাড়ির উল্টো দিকে দলের একটি নতুন ভবন তৈরি হয়েছে। ৩ তারিখ তিনি সেটির উদ্বোধন হবে। ওই বাড়িতে থাকবে পঞ্চায়েত সংক্রান্ত দলীয় কাজকর্ম দেখভাল করার পৃথক বন্দোবস্ত। এছাড়া দলের অ্যাকাউন্টস ডিপার্টমেন্ট বা হিসেব রাখার কাজও ওই বাড়ি থেকে করা হবে।

তৃণমূলের নতুন দলীয় দফতর তৈরির কাজ চলছে। সেই কাজ শেষ না হওয়া পর্যন্ত বাইপাসের ধারে একটি হোটেল থেকেই দলের কাজ চলবে। ৩ তারিখ সেই নতুন দফতরও উদ্বোধন হবে। ৫ তারিখ হবে পঞ্চায়েত নিয়ে পার্টির সম্মেলন।

পঞ্চায়েত নিয়ে মমতার এই তৎপরতা অবশ্য খুবই স্বাভাবিক। কারণ গ্রাম বাংলায় পঞ্চায়েত ভোটই হতে যাচ্ছে লোকসভা ভোটের আগে তৃণমূলের সেমিফাইনাল। পঞ্চায়েত–পুরসভা হাতে থাকলে লোকসভা–বিধানসভার অর্থেক লড়াইয়ে এগিয়ে থাকা যায়, এটা অজানা তথ্য নয়। তাছাড়া আগামী লোকসভা নির্বাচনকে তৃণমূল শুধু বাংলা কেন্দ্রিক নয়, গোটা দেশের নিরিখে দেখছে।

ইতিমধ্যেই তারা গোয়া, ত্রিপুরা, মেঘালয়, অসম উত্তরপ্রদেশ, ঝাড়খণ্ড, মনিপুরে সংগঠন বাড়াতে শুরু করেছে। পঞ্চায়েত ভোটে বাংলার গ্রাম দখলে রাখা গেলে, ওইসব রাজ্যেও সংগঠন বিস্তারে অনেক সুবিধা হবে। ফলে অতীতের তুলনায় পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে তৃণমূল এবার আরও বেশি সক্রিয়।

সেকারণে, আগামী একবছর দলের দখলে থাকা পঞ্চায়েতগুলির কাজকর্মে পার্টি সরাসরি নজরদারি চালাবে। বিশেষ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার, স্বাস্থ্যসাথী, ইত্যাদি সরকারি কর্মসূচিগুলিতে পঞ্চায়েতকে আরও বেশি করে যুক্ত করা হবে। যাতে তৃণমূল পরিচালিত পঞ্চায়েতগুলির ওপর মানুষের আরও বেশি আস্থা–ভরসা জন্মায়।

Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Language Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.

Select Language

ভাষা নির্বাচন করুন