Desher Samay
প্রচ্ছদদেশপশ্চিমবঙ্গকলকাতাউত্তরবঙ্গজেলাব্যবসাবিনোদনখেলাআন্তর্জাতিকবাংলাদেশফটো গ্যালারিভ্রমণকাহিনীসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউবই-পেপার
Breaking News

আকাশের চাঁদ এখন চিনের হাতে! দেশের মাটিতে বানাল মিনি মুন

deshersamay

Share article:

দেশের সময়ওয়েবডেস্কঃ মহাকাশ অভিযানে গোটা বিশ্বকেই তাক লাগিয়ে দিচ্ছে চিন। তাদের চন্দ্রযান দাপিয়ে বেড়াচ্ছে চাঁদের মাটিতে। ছোট বড় নানা অভিযান তো চলছেই। এবার সেই মহাকাশ গবেষণায় আরও এক ধাপ এগিয়ে যেতে নতুন পন্থা বের করেছে বেজিং। দেশের মাটিতেই তাঁরা বানিয়ে ফেলেছে কৃত্রিম চাঁদ!

চাঁদের মাটিতে যা যা রয়েছে, হুবহু সেই পরিবেশই মাটির পৃথিবীতে বানিয়েছে চিন। চাঁদ নিয়ে তাঁদের গবেষণা, পরীক্ষা নিরীক্ষা যাতে আরও সহজে হয় সেই কারণেই এমন উদ্যোগ বলে খবর। হাতের কাছে পাওয়া এই রেডিমেড চাঁদে বসেই চিনা গবেষকরা ভবিষ্যতের চন্দ্র অভিযানের ছক কষতে পারবেন। পারবেন নতুন আবিষ্কারের দিগন্ত উন্মোচন করতে।

চাঁদের পরিবেশ পৃথিবীতে সৃষ্টি করে ফেলা, এ যেন অনেকটা আকাশের চাঁদই হাতের মুঠোয় এনে ফেলার সমান। পৃথিবীর মহাকাশ গবেষণার ইতিহাসে এর আগে এমনটা হয়নি। চিনের শুচোউ শহরে এই কাণ্ড ঘটিয়েছেন বিজ্ঞানীরা। তবে নাগরিকদের উদ্দেশে চিন সরকারের কড়া নির্দেশ, এই কৃত্রিম চাঁদ কোনও ট্যুরিস্ট স্পট নয়। এটি একান্তভাবেই মহাকাশ গবেষণার কাজে ব্যবহৃত হবে, তার চেয়ে বেশি কিছু নয়।

চিনের বিজ্ঞানীদের দাবি, তাঁদের তৈরি কৃত্রিম এই চাঁদে থাকছে ঠিক ততটুকুই অভিকর্ষ, যতটা থাকে আসল চাঁদের মাটিতে। তার পরিমাণ পৃথিবীর ছয় ভাগের একভাগ। এই চাঁদের পা রাখলে পৃথিবীর উপগ্রহে পৌঁছে যাওয়ার মতোই অনুভূতি হবে।

চিনের তৈরি এই কৃত্রিম চন্দ্রপৃষ্ঠে মহাকাশচারীরা প্রশিক্ষণ পাবেন। তাতে আসলে তাঁরা যখন চাঁদে অভিযান করবেন, তখন সমস্যা অনেক কম হবে। কৃত্রিম এই চাঁদের ব্যাসার্ধ দু’ফুট। তার মধ্যে থাকছে চাঁদের নুড়ি-পাথর। চাঁদের মাটির মতোই মাটি বানানো হয়েছে এই মিনি-মুনে। চিনের এই অভিনব কীর্তি সারা বিশ্বের বিজ্ঞানমহলে সাড়া ফেলে দিয়েছে।

Advertisement
Tags: featured

একটি মন্তব্য করুন

আপনার ইমেল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না। চিহ্নিত ক্ষেত্রগুলি আবশ্যক *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.