Desher Samay
প্রচ্ছদকলকাতাজেলাপশ্চিমবঙ্গউত্তরবঙ্গদেশবাংলাদেশআন্তর্জাতিকই-পেপারফটো গ্যালারিসম্পাদকের পছন্দসরাসরিইউটিউব

তৃণমূল বিধায়ক খুনে এফআইআর মুকুল রায় সহ ৪জনের বিরুদ্ধে,গ্রেফতার২

deshersamay

Share article:

দেশের সময় ওয়েব ডেস্কঃশনিবার রাতে নদিয়ার হাঁসখালিতে সরস্বতী পুজোর একটি অনুষ্ঠানে খুন হন নদিয়ার কৃষ্ণগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাস। ফুলবাড়ি এলাকায় নিজের বাড়ির সামনে পাড়ার ক্লাবের অনুষ্ঠান চলাকালীন পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে সত্যজিৎবাবুর কপালে গুলি করে আততায়ী। ঘটনায় আকস্মিকতায় বিহ্বল হয়ে যান উপস্থিত সকলে। আর সেই সুযোগে পালায় আততায়ী। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরই ওই অনুষ্ঠান থেকে সুজিত এবং কার্তিককে পালিয়ে যেতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ছাড়া, খুনের পর থেকে এখনও এলাকাছাড়া অভিজিৎ পণ্ডারী নামে স্থানীয় এক যুবক। খুনের তদন্তে নেমে রবিবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিআইডি-র একটি দল। এই খুনের পিছনে কে বা কারা জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সুপারি কিলার দিয়েই খুন করা হয়েছে তৃণমূল বিধায়ক সত্যজিৎ বিশ্বাসকে। এমনটাই মনে করছেন তদন্তকারীরা। এই খুনের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে

সুজিত মণ্ডল এবং কার্তিক মণ্ডল নামে দু’জন স্থানীয় বাসিন্দাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ছাড়া, এখনও পর্যন্ত এক জনকে আটক করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় বিজেপি নেতা তথা প্রাক্তন তৃণমূল মুকুল রায়-সহ সুজিত মণ্ডল, কার্তিক মণ্ডল এবং এলাকার এক বাসিন্দা অভিজিৎ পণ্ডারীর নামে এফআইআর দায়ের করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের ধারণা, এলাকা সম্পর্কে আততায়ী রীতিমতো ওয়াকিবহাল। কারণ, ওই এলাকার পরিচিতি না থাকলে এ ভাবে অনুষ্ঠানের ভিতরে ঢুকে সত্যজিৎবাবুকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে খুন করে এত দ্রুত পালানো সম্ভব হত না। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরই ওই অনুষ্ঠান থেকে সুজিত এবং কার্তিককে পালিয়ে যেতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ছাড়া, খুনের পর থেকে এখনও এলাকাছাড়া অভিজিৎ পণ্ডারী নামে স্থানীয় এক যুবক। খুনের তদন্তে নেমে রবিবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিআইডি-র একটি দল। এই খুনের পিছনে কে বা কারা জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।খুনের কারণ নিয়েও নানা তত্ত্ব উঠে আসছে। এরই মধ্যে এই খুন নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিজেপি-ইতদন্তকারীদের ধারণা, এলাকা সম্পর্কে আততায়ী রীতিমতো ওয়াকিবহাল। কারণ, ওই এলাকার পরিচিতি না থাকলে এ ভাবে অনুষ্ঠানের ভিতরে ঢুকে সত্যজিৎবাবুকে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে খুন করে এত দ্রুত পালানো সম্ভব হত না। পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার পরই ওই অনুষ্ঠান থেকে সুজিত এবং কার্তিককে পালিয়ে যেতে দেখেন স্থানীয় বাসিন্দারা। এ ছাড়া, খুনের পর থেকে এখনও এলাকাছাড়া অভিজিৎ পণ্ডারী নামে স্থানীয় এক যুবক। খুনের তদন্তে নেমে রবিবার সকালে ঘটনাস্থলে পৌঁছয় সিআইডি-র একটি দল। এই খুনের পিছনে কে বা কারা জড়িত, তা এখনও স্পষ্ট নয়।খুনের কারণ নিয়েও নানা তত্ত্ব উঠে আসছে। এরই মধ্যে এই খুন নিয়ে রাজনৈতিক চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, বিজেপি-ই

সত্যজিৎবাবুকে খুন করিয়েছে। বিশেষ করে এর পিছনে বিজেপি নেতা, প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ মুকুল রায়ের হাত রয়েছে বলে তাঁদের দাবি। যদিও সেই অভিযোগ অস্বীকার করে তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের দিকে আঙুল তুলেছেন মুকুল রায়।তৃণমূল নেতৃত্ব একে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করলেও বেশ কয়েকটি সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।প্রথমত, এই এলাকাটি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হওয়ায় এখানে গরু পাচার থেকে শুরু করে একাধিক সংগঠিত অপরাধ হয়। ফলে এলাকায় সংগঠিত অপরাধীদের দলেরও রমরমা রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার অপরাধের সঙ্গেও এই খুনের ঘটনা যোগ থাকার সম্ভাবনা থাকতে পারে। বছর দেড়েক আগে এই হাঁসখালিতেই দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে খুন করা হয় আর এক তৃণমূল নেতা দুলাল বিশ্বাসকে।দ্বিতীয়ত, এই এলাকায় তৃণমূলের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে চাপা দ্বন্দ্ব রয়েছে। ফলে এই খুনের ঘটনার কারণ হিসাবে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্বকেও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি, বছর খানেক ধরে এলাকায় বিজেপি-র সংগঠনও জোরাল হয়েছে। ফলে এটি রাজনৈতিক রেষারেষির জের কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এ দিন সকাল ১১টা নাগাদ কৃষ্ণনগরে যান তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এবং দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

তৃণমূল নেতৃত্ব একে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র বলে দাবি করলেও বেশ কয়েকটি সম্ভাবনার কথা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না।প্রথমত, এই এলাকাটি বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী হওয়ায় এখানে গরু পাচার থেকে শুরু করে একাধিক সংগঠিত অপরাধ হয়। ফলে এলাকায় সংগঠিত অপরাধীদের দলেরও রমরমা রয়েছে। সীমান্তবর্তী এলাকার অপরাধের সঙ্গেও এই খুনের ঘটনা যোগ থাকার সম্ভাবনা থাকতে পারে। বছর দেড়েক আগে এই হাঁসখালিতেই দলীয় কার্যালয়ের ভিতরে ঢুকে খুন করা হয় আর এক তৃণমূল নেতা দুলাল বিশ্বাসকে।দ্বিতীয়ত, এই এলাকায় তৃণমূলের বিভিন্ন গোষ্ঠীর মধ্যে চাপা দ্বন্দ্ব রয়েছে। ফলে এই খুনের ঘটনার কারণ হিসাবে গোষ্ঠীদ্বন্দ্বের তত্ত্বকেও উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। পাশাপাশি, বছর খানেক ধরে এলাকায় বিজেপি-র সংগঠনও জোরাল হয়েছে। ফলে এটি রাজনৈতিক রেষারেষির জের কি না, তা-ও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এ দিন সকাল ১১টা নাগাদ কৃষ্ণনগরে যান তৃণমূলের বীরভূম জেলা সভাপতি অনুব্রত মণ্ডল এবং দলের মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়।

সকালেই ময়নাতদন্তের পর সত্যজিৎবাবুর দেহ নিয়ে যাওয়া হয় হাঁসখালিতে। যে মঞ্চের সামনে খুন হন সত্যজিৎবাবু, তার উপরে দেহ এনে রাখা হয়। তাতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান পার্থ চট্টোপাধ্যায়, অনুব্রত মণ্ডল-সহ এলাকার মানুষজন। গোটা ঘটনাটি বিজেপি-র ষড়যন্ত্র বলে দাবি করেছেন অনুব্রত মণ্ডল। তিনি বলেন, “খুনের ঘটনায় জড়িত দোষীরা শাস্তি পাবে।”এ দিকে এই খুনের ঘটনায় দায়িত্বে অবহেলার জন্য হাঁসখালি থানার অফিসার ইন-চার্জ অনিন্দ্য বসুকে সাসপেন্ড করা হয়েছে। সাসপেন্ড করা হয়েছে সত্যজিৎবাবুর দেহরক্ষী প্রভাস মণ্ডলকেও। তাঁর বিরুদ্ধে বিচারবিভাগীয় তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।প্রত্যক্ষদর্শীদের অভিযোগ অভিজিৎ পুন্ডারী নামে এলাকার এক যুবক তাঁকে একেবারে পয়েন্ট ব্ল্যাঙ্ক রেঞ্জ থেকে গুলি করে। গুলি করে সোজা চম্পট দেয় আততায়ী। এরপর উত্তেজিত জনতা অভিজিতের বাড়ি ভাঙচুর করে ও আগুন ধরিয়ে দেয়। সত্যজিৎ বিশ্বাস তৃণমূলের যুবদলের সভাপতি ছিলেন। ২০১৫ সালে কৃষ্ণগঞ্জের বিধায়ক সুশীল বিশ্বাস মারা যাবার পর ২০১৬ সালে সত্যজিৎবাবু সেখান থেকে নির্বাচিত হন তিনি। এলাকার দাপুটে নেতা হিসেবেই পরিচিত ছিলেন বছর ৪০-এর এই বিধায়ক।এই ঘটনার পর থেকে এলাকায় রয়েছে বিশাল পুলিশবাহিনী। বসানো হয়েছে পুলিশ পিকেট। বিধায়ক খুনের পর থেকেই তৃণমূল-বিজেপি চাপানউতোর তুঙ্গে। তৃণমূল কংগ্রেসের জেলা সভাপতি গৌরীশঙ্কর দত্ত সরাসরি আঙুল তুলেছেন মুকুল রায়ের দিকে। তাঁর

অভিযোগ, “এই খুন করিয়েছে বিজেপি। এর পিছনে রয়েছে মুকুল রায়। তাঁর নির্দেশেই দুষ্কৃতীরা গুলি চালিয়েছে।“ একই দাবি তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়েরও। তিনি বলেছেন, দলের কিছু গদ্দার এই খুন করিয়েছে। তাদের ছাড়া হবে না।”অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা গৌরীশঙ্করকেই বিধায়ক খুনে দায়ি করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বলেছেন, “কোনও কারণ ছাড়াই আমার নাম নেওয়া হচ্ছে। সত্যজিৎ বাচ্চা ছেলে, খুব ভালো ছেলে। তাঁর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। প্রয়োজনে সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত করানো হবে।” সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছেন বিজেপি জেলা সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তাঁর কথায়, “কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানো হোক। ঘটনার সত্য সামনে আসবে।”রবিবার হাঁসখালিতে গিয়ে পৌঁছেছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, দক্ষ ও জনপ্রিয় এই নেতার খুনের পিছনে যাঁরা দায়ী, তাঁদের কোনও মতেই ছাড় দেওয়া হবে না।

অন্যদিকে তৃণমূলের অভিযোগ উড়িয়ে পাল্টা গৌরীশঙ্করকেই বিধায়ক খুনে দায়ি করেছেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। বলেছেন, “কোনও কারণ ছাড়াই আমার নাম নেওয়া হচ্ছে। সত্যজিৎ বাচ্চা ছেলে, খুব ভালো ছেলে। তাঁর মৃত্যু অত্যন্ত দুঃখজনক ঘটনা। প্রয়োজনে সিবিআইকে দিয়ে তদন্ত করানো হবে।” সিবিআই তদন্তের দাবি তুলেছেন বিজেপি জেলা সভাপতি দিলীপ ঘোষও। তাঁর কথায়, “কেন্দ্রীয় গোয়েন্দা সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করানো হোক। ঘটনার সত্য সামনে আসবে।”রবিবার হাঁসখালিতে গিয়ে পৌঁছেছেন তৃণমূল মহাসচিব পার্থ চট্টোপাধ্যায়। তিনি জানিয়েছেন, দক্ষ ও জনপ্রিয় এই নেতার খুনের পিছনে যাঁরা দায়ী, তাঁদের কোনও মতেই ছাড় দেওয়া হবে না।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Home Search Gallery e-Paper
Menu
© 2026 Desher Samay.