দেশের সময় ওয়েবডেস্কঃ করোনা মোকাবিলায় ৩ মে পর্যন্ত আপাতত দেশজুড়ে লকডাউনের ঘোষণা করা হয়েছে। কিন্তু ৩ মে কি আদৌ লকডাউন উঠবে। যদি ওঠে, তো কী ধরনের সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আর না উঠলে কী হবে লকডাউনের ভবিষ্যৎ। এই নিয়েই আলোচনা করতে আজ বৈঠকে বসতে চলেছে মন্ত্রীগোষ্ঠী।

সূত্রের খবর, মঙ্গলবার প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিংয়ের নেতৃত্বে এই বৈঠক হবে। সেখানেই এই বিষয়ে আলোচনা হবে। তারপরে সেই সিদ্ধান্ত জানানো হবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে।

সূত্রের খবর, এই মুহূর্তে লকডাউন আর বাড়ানোর পক্ষপাতি নয় সরকার। কারণ লকডাউনের ফলে দেশের অর্থনীতি সংকটের মুখে। তাই ফের অর্থনীতিকে চালু করার পরিকল্পনা রয়েছে সরকারের। কিন্তু লকডাউন উঠলেও মাস্ক পরা ও সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখার নির্দেশ দেওয়া হবে বলে খবর। এমনকি ট্রেন, বিমান ও আন্তঃরাজ্য যাতায়াত পরিষেবা বন্ধ রাখা হবে বলে জানা গিয়েছে।

শুধুমাত্র যে এলাকাগুলিতে সংক্রমণ একবারেই কম, অর্থাৎ যে এলাকাগুলিকে গ্রীন জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানেই লকডাউন পুরোপুরি শিথিল করা হবে বলে সূত্রের খবর। অন্যদিকে যে এলাকাগুলিকে রেড জোন ও কনটেনমেন্ট জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে, সেখানে বিধিনিষেধ জারি থাকবে বলেই জানা গিয়েছে। কিছুদিন অন্তর তা পর্যালোচনা করে দেখা হবে।

কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের এক আধিকারিক জানিয়েছেন, “সামাজিক দূরত্ব ও মাস্ক পরা এখন জীবনের অঙ্গ হয়ে উঠেছে। এই নিয়ম বহুদিন চালু থাকবে। শহর কিংবা জেলার মধ্যে যাতায়াত চালু করা হবে। কিন্তু বাড়ি থেকে বেরলেই মাস্ক পরতে হবে। সবসময় সামাজিক দূরত্ব বজায় রাখতে হবে জনসাধারণকে।”

জানা গিয়েছে, অফিসেও একই নিয়ম মেনে কাজকর্ম শুরু হবে। সেইসঙ্গে জমায়েত করা নিষিদ্ধ থাকবে। বিয়ে ও অন্যান্য সামাজিক, ধর্মীয় অনুষ্ঠান ও বড় মিটিং এই সময় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হবে।

যেসব শহরে করোনা সংক্রমণ খুব বেশি, যেমন মুম্বই, দিল্লি, নয়ডা, ইন্দোর প্রভৃতির জন্য আলাদা করে পরিকল্পনা করা হবে বলে খবর। যেখানে প্রচুর সংখ্যায় সংক্রামিত রয়েছেন সেখানে ১৫ মে’র পরে ফের পরীক্ষা করে তারপর কিছু সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে বলে খবর।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here