

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। ওই দিনই বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে এসে হেনস্থার শিকার হন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। এই মর্মে তিনি পুলিশেরও দ্বারস্থ হন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ২৯ জানুয়ারি পুলিশ তনয়কে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। তবে গ্রেফতার করতে গিয়ে রীতিমতো বেগ পেতে হয় পুলিশকে।

বিচারকের নির্দেশ অনুযায়ী এ দিন দুপুরে বনগাঁ আদালতে ফের হাজির করানো হয় তনয় এবং বাকি দু’জনকে। বিচারকের কাছে আরও একবার জামিনের আবেদন করেন অভিযুক্তদের আইনজীবী। খবর, এ দিন বিচারক সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।

প্রসঙ্গত, ৬ ফেব্রুয়ারি গোপন জবানবন্দিতে মিমি তনয়ের বিরুদ্ধে হেনস্থার অভিযোগ এনেছিলেন। তার আগে বনগাঁকাণ্ডের তদন্তে বাধা দেওয়া এবং পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তিতে জড়িয়ে পড়ার অভিযোগে তনয়-সহ মোট তিন জনকে গ্রেফতার করা হয়। পরের দিন তাঁদের পেশ করা হয় বনগাঁর নিম্ন আদালতে।

এ দিনও প্রশাসন অভিযুক্তদের পুলিশি হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানায়। একই ভাবে মিমির আইনজীবী তিন জনের কড়া শাস্তি দাবি করেন। কিন্তু বিচারক এ দিন তনয়-সহ ৩ জনের জামিন মঞ্জুর করেন বলে জানা গিয়েছে।
আদালত থেকে হাজতবাসের নির্দেশ পাওয়ার পরেই তনয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছিলেন, তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন। জামিন পেয়ে কী বলছেন তিনি?

এদিন সন্ধ্যায় জেল থেকে ছাড়া পাওয়ার পর ছেলেকে নিয়ে সোজা উদ্দেশ্যে রওনা দেন তনয়। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে স্পষ্ট বলেন, আইনের উপরে আস্থা ছিল। জামিন পেয়ে বাড়ি যাচ্ছি। আসার সময় যেমন মানসিকভাবে স্ট্রং ছিলাম, জামিন পেয়ে ফেরার সময়ও তেমনই স্ট্রং রয়েছি।”
ফোনে মিমির সঙ্গেও যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। তনয়ের জামিন প্রসঙ্গে কী বক্তব্য তাঁর? তিনিও আপাতত এ প্রসঙ্গে নীরব।

ঘটনার সূত্রপাত গত ২৫ জানুয়ারি। ওই দিনই বনগাঁর নয়াগোপালগঞ্জে একটি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত হয়ে এসে হেনস্থার শিকার হন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। এই মর্মে তিনি পুলিশেরও দ্বারস্থ হন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে ২৯ জানুয়ারি পুলিশ তনয়কে তাঁর বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে। তবে গ্রেফতার করতে গিয়ে রীতিমতো বেগ পেতে হয় পুলিশকে। পুলিশকে মারধর এবং সরকারি কাজে বাধা দেওয়ার অভিযোগে তনয়, তাঁর ছেলে ও এক প্রতিবেশীর বিরুদ্ধে পৃথক একটি মামলা রুজু করেছিল পুলিশ।

গত শনিবার মিমি চক্রবর্তীর দায়ের করা মূল মামলাটিতে তনয় শাস্ত্রীর জামিন মঞ্জুর হয়েছিল। তবে পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার মামলায় তাঁকে চার দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় আদালত। জেল হেফাজতের মেয়াদ শেষে এদিন ফের তাঁকে বনগাঁ মহকুমা আদালতে তোলা হলে বিচারক পুলিশের মামলাতেও জামিন মঞ্জুর করেন। তনয় শাস্ত্রীর পাশাপাশি তাঁর ছেলে ও ধৃত এক প্রতিবেশীও আদালত থেকে জামিন পেয়েছেন বলে জানা যাচ্ছে।




