দেশের সময়, উত্তর২৪পরগনা: করোনা আক্রান্তের গ্রাফ অনেকটাই কমল দেশে এবং রাজ্যে ৷যদিও নতুন সংক্রমণ লাখের ওপরেই আছে, তবে যে হারে দৈনিক আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছিল সে তুলনায় গ্রাফ অনেকটাই নেমেছে। মে মাসের মাঝামাঝি দৈনিক মৃত্যুও রেকর্ড করেছিল দেশে। মৃত্যুহার এখন কিছুটা কম।

অর্থাৎ করোনার থাবায় অনেকটাই সম্ভিতে গোটা বিশ্ব থেকে রাজ্য । করোনার দৈনিক সংক্রমণ ঠেকাতে রাজ্যে কিছু বিধি নিষেধ জারি করা হয়েছে ।উল্লেখ্য, গত সোমবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন খুচরো ব্যবসায়ীদের কথা মাথায় রেখে বিধি-নিষেধ কিছুটা শিথিল করার কথা ।

সেইমতো নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী খুচরো ব্যবসায়ীরা বেলা ১২টা থেকে বিকেল ৩টে পর্যন্ত দোকানপাট খোলা রাখতে শুরু করলেও বহু ব্যবসায়ী দের মধ্যে সময় সীমা নিয়ে তৈরি হয়েছে দ্বীমত । ব্যবসায়ীরা সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে জানান তারা কোন সময়টায় দোকান খুলবেন বা খুলবেন না এ বিষয়ে এখনও প্রশাসন বা পৌরসভার তরফ থেকে কোনো রকম প্রচার বা মাইকিং করেনি । ফলে তারা বুঝতে পারছেন না, তাহলে কি সকাল ৭টা থেকে ১০টা পর্যন্ত দোকান খুললে ফের ১২টা থেকে ৩ টে পর্যন্ত দোকান খুলতে পারবেন না,নাকি এই সময়ও দোকান খুলে রাখতে পারবেন বুঝেই উঠতে পারছেন না বনগাঁ থেকে অশোকনগরের ব্যাবসায়ী মহল!

বনগাঁর এক খুচরো ব্যাবসায়ী,

অশোকনগরের এক ব্যবসায়ী জানান ,তিনি সকাল ৭ টা থেকে দশটা পর্যন্ত ও মাঝে দু’ঘণ্টা বন্ধ রেখে বারোটা থেকে তিনটে পর্যন্ত খুচরো জিনিস বিক্রয় করেন । অশোকনগর কল্যাণগড় পৌরসভা পৌর প্রশাসক সরকার জানান মুখ্যমন্ত্রীর নির্দেশিকা অনুযায়ী সকাল ৭ টা থেকে দশটা পর্যন্ত যেসব খুচরো ব্যবসায়ীরা ব্যবসা করছেন তারা বারোটা থেকে তিনটে পর্যন্ত দোকান খুলতে পারবে না আবার ১২ থেকে ৩ অবধি যারা দোকান খুলছেন তারা সকালে দোকান খুলতে পারবে না ‌। অশোকনগর পৌরসভার পক্ষ থেকে দু-একদিনের মধ্যেই এই নির্দেশিকার কথা মাইকিং এর মাধ্যমে ব্যবসায়ী মহলে জানানো হবে বলেও জানিয়েছেন তিনি ।

বনগাঁর নিউমার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির সভাপতি মন্টু সাহা বলেন রাজ্য সরকারের নিয়ম এবং করোনা বিধি মেনেই চলছে এখানকার ব্যাবসায়ীরা , যতক্ষণ না সময়সীমা বিষয়টা প্রশাসনিক স্তর থেকে নতুন করে নির্দেশিকা জারি করছে ততক্ষণ বনগাঁ নিউমার্কেট ব্যাবসায়ী সমিতির সঙ্গে যুক্ত সমস্ত ব্যাবসায়ী মখ্যমন্ত্রীর বেঁধে দেওয়া সময় অনুযায়ী প্রতিষ্ঠান খোলা এবং বন্ধ রাখা হবে৷ আবার অন্যদিকে এদিন দেখা গেল বেশ কিছু খুচরো দোকান খোলা রয়েছে দুপুর ১২টা ৩টে পর্যন্ত, তাঁদের কথা দিদি বলেছেন তাই খুলেছি,তা ছাড়া উপার্জন না হলে এবার মরতে হবে যে।

এখানে প্রশ্ন থেকেই যাচ্ছে দুপুর ১২টা থেকে ৩টে পর্যন্ত খুচরা দোকান বলতে প্রকৃত কারা এর আওতায় পড়ছেন৷ তাদের নির্দষ্ট কোন তালিকা এখনও পর্যন্ত প্রশাসনের তরফ থেকে ব্যাবসায়ীরা পাননি বলেই অভিযোগ । এখন দেখার বাংলার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তিনি এই সমস্ত খুচরো ব্যবসায়ী মহলের মানুষদের জন্য নতুন করে কিছু ভাবেন কিনা ।

বিধি নিষেধ শিথিল হলেও খুচরো দোকান এর ব্যাবসায়ীরা দোকান খোলার সময়সূচী নিয়ে এখনও দ্বিধা বিভক্ত – দেখুন ভিডিও:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here