আগের থেকে উন্নত হয়েছে নিকাশি ব্যবস্থা। তবু বর্ষার শুরুতেই নাকাল বনগাঁ। গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতেই জল জমেছে বনগাঁ মহকুমা সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল চত্ত্বরে।
বনগাঁ মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সামনে কিংবা পাইপ রোড সহ রামনগর রোড ও কোড়ার বাগান এলাকার জমা জলে কোথাও পায়ের পাতা ডুবে যাচ্ছে, তো কোথাও জল হাঁটু অবধি। সামান্য বৃষ্টিতেই করুণ দশা বনগাঁ হাসপাতাল চত্বরেও। বৃষ্টির জলের সঙ্গে মিশেছে নোংরা জল। দেখুন ভিডিও
বনগাঁ, বাগদা ও গাইঘাটা এলাকার হাজার হাজার মানুষ এই হাসপাতালের উপর নির্ভরশীল। প্রতিদিন প্রায় শতাধিক মানুষ ভর্তি হন। বহির্বিভাগে কয়েক’শো মানুষ চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে আসেন প্রতিদিন। ভারী বৃষ্টি হলেই হাঁটুর উপরে জল জমে যায় হাসপাতাল চত্বরে। রোগীর আত্মীয় পরিজনরা বাধ্য হন জলের উপর দিয়েই যাতায়াত করতে।
রোগীদের বাড়ির লোকজনদের কথায় ,গত কয়েকদিনের বৃষ্টিতে হাসপাতালের সামনে নোংরা জল জমেছে। খুব অসুবিধা হচ্ছে । টানা বৃষ্টিতে হাসপাতালের নিকাশি নালার জল উপরে উঠে এসেছে। নোংরা আবর্জনা ভেসে বেড়াচ্ছে সামনের রাস্তায়। তার মধ্যেই দিয়েই যাতায়াত করতে হচ্ছে খুবই খারাপলাগছে।”
এদিন বনগাঁ পাইপ রোডের জমা জল পেরিয়ে স্টেশনে ট্রেন ধরতে কেউ যাচ্ছে পায়ে হেঁটে,কেউবা সাইকেল চালিয়ে, কেউ আবার জীবনের ঝুঁকি নিয়ে জল ঠেলে যাচ্ছেন মোটরবাইকে । এমনকি সেই জমে থাকা জল ঢুকে পড়েছে বনগাঁ মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরেরও।
দ্রুত জমা জল সরানোর আর্জি জানাচ্ছেন অনেকেই।পুরসভা সূত্রে জানা গেছে, ইতিমধ্যেই মোটর পাম্প চালিয়ে বিভিন্ন জায়গার জমে থাকা জল বের করার কাজ শুরু হয়েছে ।
এ বিষয়ে পুর প্রধান গোপাল শেঠ বলেন বনগাঁর ১১ টি জায়গায় মোটর চালিয়ে জমা জল দ্রুত বের করার কাজ শুরু হয়েছে।
এদিকে নিম্নচাপের জেরে টানা বৃষ্টিতে বনগাঁর বিভিন্ন এলাকায় জল জমেছে। নিকাশি ব্যবস্থার ফাঁক ফোঁকরে জমে থাকা জল ডিঙিয়েই কাজের তাগিদে রাস্তায় যাতায়াত করছেন সাধারণ মানুষ। ফলে এক কথায় বলা যেতেই পারে জলযন্ত্রণায় আক্রান্ত শহরবাসি ।টানা দুদিনের বৃষ্টিতে সেই ছবি ধরা পরল দেশের সময় -এর ক্যামেরায় ।



